সর্বশেষ :
ওমানে ড্রোন হামলা, ধ্বংসাবশেষ পড়ে ২ প্রবাসী শ্রমিক নিহত ইরাকে মার্কিন দূতাবাসে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানি প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আরও কমলো স্বর্ণের দাম, ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার সম্মানী ভাতা যেন নিয়ন্ত্রণের কোনো মাধ্যম না হয়: ফয়জুল করীম মির্জা আব্বাসের অসুস্থতা নিয়ে কুমিরের কান্না বন্ধ করুন, বললেন সাবেক উপ-প্রেস সচিব ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি পূরণে কাজ শুরু করেছি: প্রধানমন্ত্রী এফডিআর থেকে টাকা তোলার অভিযোগ নিয়ে যা বললেন বিসিবি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে দ্য হানড্রেডে যাচ্ছেন মোস্তাফিজ ইরানের নারী ফুটবলারদের বীর উপাধি দিলেন সাবেক কোচ
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০১:৫৭ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

মণিপুর শান্তিচুক্তির পরও উত্তপ্ত

প্রতিনিধি: / ১৬৪ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ১৯ মার্চ, ২০২৫

বিদেশ : মার ও জোমি আদিবাসীদের সংঘর্ষে আরো একবার উত্তপ্ত হলো ভারতের মণিপুর রাজ্য। চুরাচান্দপুর জেলায় চলতি সপ্তাহের শুরু থেকেই মারদের এক নেতার ওপর হামলাকে কেন্দ্র করে অশান্তি শুরু হয়। সেই আবহে গত মঙ্গলবার রাতে ফের দুই আদিবাসী গোষ্ঠীর সংঘর্ষ বাধে জেলার বিস্তীর্ণ অংশজুড়ে। ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা বুধবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদন অনুসারে, গত সোমবার এলাকায় কারফিউ জারি হওয়ার পরই বৈঠকে বসেছিলেন মার ও জোমিদের প্রতিনিধিরা। দীর্ঘ বৈঠকের পর দুই পক্ষে শান্তিচুক্তিও হয়। কিন্তু তার ২৪ ঘণ্টা পেরোতে না পেরোতেই ফের সংঘর্ষ বাধে। স্থানীয় সূত্রে জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাত থেকে সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে চুরাচান্দপুরের বিস্তীর্ণ এলাকা। ছোড়া হয় পাথর, ভাঙচুর করা হয় বহু যানবাহন। কোথাও কোথাও গোলাগুলিও চলেছে। তবে ওই ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা এখন পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। গত রোববার সন্ধ্যায় চুরাচান্দপুরের জেনহাঙে ভিকে মন্টেসরি স্কুল চত্বরের ভেতর মারদের সংগঠন মার ইনপুইয়ের সাধারণ সম্পাদক রিচার্ড মারের ওপর হামলা চালায় অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতিরা। সেই হামলার পর থেকেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন মাররা। গোটা জেলায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, রিচার্ডের গাড়িতে ধাক্কা মেরেছিল আরেকটি গাড়ি। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিবাদ শুরু হয়। বিবাদ বাড়তে বাড়তে এক পর্যায়ে রিচার্ডের ওপর হামলা চালানো হয়। রিচার্ডের ওপর হামলার খবর ছড়িয়ে পড়তেই প্রতিবাদে রাস্তায় নামে মাররা। পরিস্থিতি সামাল দিতে সোমবার সকাল থেকে ওই জেলায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১৬৩ ধারা জারি করা হয়। চুরাচান্দপুরের অতিরিক্ত জেলাশাসক জানিয়ে দেন, নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকাকালীন অনুমতি ছাড়া কোনো মিছিল, সমাবেশের আয়োজন করা যাবে না। কেউ লাঠি, পাথর বা কোনো রকমের অস্ত্রও বহন করতে পারবে না। ২০২৩ সাল থেকেই কুকি ও মেইতেইদের দ্বন্দ্বে অশান্ত মণিপুর। রাষ্ট্রপতি শাসন জারির পর পরিস্থিতি খানিক নিয়ন্ত্রণে এলেও এখনো বিক্ষিপ্ত অশান্তি চলছে রাজ্যজুড়ে। চলতি মাসের শুরুতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর ‘অবাধ চলাচল’ নির্দেশের প্রতিবাদে মণিপুরের কুকি অধ্যুষিত এলাকায় অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়। গত ১৩ মার্চ ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হলেও কুকিরা জানিয়ে দেয়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ তারা মানবে না। কুকিদের দাবিদাওয়া পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা ‘অবাধ চলাচলের’ বিরোধিতা করে যাবে।


এই বিভাগের আরো খবর