Dhaka ১০:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাইডেনের আটকে দেওয়া ২০০০ পাউন্ডের বোমা ইসরায়েলকে দিতে যাচ্ছেন ট্রাম্প

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:১৪:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২৪৭ Time View

বিদেশ : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে ইসরায়েলকে ২০০০ পাউন্ডের শক্তিশালী বোমা সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছেন। এই সিদ্ধান্তটি গত শনিবার ঘোষণা করা হয়। বাইডেন, ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের নির্বিচার হামলা এবং গাজার রাফা শহরে বেসামরিক মানুষের ওপর সম্ভাব্য ক্ষতির আশঙ্কায় এই বোমার চালান আটকে রেখেছিলেন। তবে ট্রাম্পের মতে, ইসরায়েল এই বোমাগুলো অর্থ দিয়ে অর্ডার করেছে এবং দীর্ঘদিন ধরে এর জন্য অপেক্ষা করছে। রয়টার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত বছর গাজায় হামাসের হামলার পর বাইডেন প্রশাসন ইসরায়েলকে অনেক বোমা সরবরাহ করলেও একটি ২০০০ পাউন্ডের বোমার চালান আটকে রাখে। এই বোমাগুলো শক্তিশালী অবকাঠামো ধ্বংস করতে সক্ষম, যা গাজা যুদ্ধের পরিস্থিতিতে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ট্রাম্প এই বোমাগুলোর সরবরাহ অনুমোদন করে বলেন, “ইসরায়েল এগুলো কিনেছে, এবং তারা দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছিল।” ট্রাম্প আরও জানান, ইসরায়েল তাদের অর্থের বিনিময়ে এই বোমাগুলো অর্ডার করেছিল, এবং এখন তা তাদের কাছে পৌঁছাচ্ছে। তিনি একে তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল-এ পোস্ট করে জানান, বাইডেন যেসব সরবরাহ স্থগিত রেখেছিলেন, সেগুলো এখন পাঠানো হচ্ছে। দুই প্রেসিডেন্টই ইসরায়েলের ঘোর সমর্থক হলেও, বাইডেন মানবাধিকার লঙ্ঘনের আশঙ্কায় কিছু অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ রেখেছিলেন, বিশেষ করে গাজায় যুদ্ধে বেসামরিক মানুষের ওপর আঘাতের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। যদিও ইসরায়েল ও আমেরিকা একে অপরের ঘনিষ্ঠ মিত্র, তবে আন্তর্জাতিকভাবে গাজার মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে ওয়াশিংটন।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

বাগেরহাটে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

বাইডেনের আটকে দেওয়া ২০০০ পাউন্ডের বোমা ইসরায়েলকে দিতে যাচ্ছেন ট্রাম্প

Update Time : ০২:১৪:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৫

বিদেশ : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে ইসরায়েলকে ২০০০ পাউন্ডের শক্তিশালী বোমা সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছেন। এই সিদ্ধান্তটি গত শনিবার ঘোষণা করা হয়। বাইডেন, ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের নির্বিচার হামলা এবং গাজার রাফা শহরে বেসামরিক মানুষের ওপর সম্ভাব্য ক্ষতির আশঙ্কায় এই বোমার চালান আটকে রেখেছিলেন। তবে ট্রাম্পের মতে, ইসরায়েল এই বোমাগুলো অর্থ দিয়ে অর্ডার করেছে এবং দীর্ঘদিন ধরে এর জন্য অপেক্ষা করছে। রয়টার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত বছর গাজায় হামাসের হামলার পর বাইডেন প্রশাসন ইসরায়েলকে অনেক বোমা সরবরাহ করলেও একটি ২০০০ পাউন্ডের বোমার চালান আটকে রাখে। এই বোমাগুলো শক্তিশালী অবকাঠামো ধ্বংস করতে সক্ষম, যা গাজা যুদ্ধের পরিস্থিতিতে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ট্রাম্প এই বোমাগুলোর সরবরাহ অনুমোদন করে বলেন, “ইসরায়েল এগুলো কিনেছে, এবং তারা দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছিল।” ট্রাম্প আরও জানান, ইসরায়েল তাদের অর্থের বিনিময়ে এই বোমাগুলো অর্ডার করেছিল, এবং এখন তা তাদের কাছে পৌঁছাচ্ছে। তিনি একে তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল-এ পোস্ট করে জানান, বাইডেন যেসব সরবরাহ স্থগিত রেখেছিলেন, সেগুলো এখন পাঠানো হচ্ছে। দুই প্রেসিডেন্টই ইসরায়েলের ঘোর সমর্থক হলেও, বাইডেন মানবাধিকার লঙ্ঘনের আশঙ্কায় কিছু অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ রেখেছিলেন, বিশেষ করে গাজায় যুদ্ধে বেসামরিক মানুষের ওপর আঘাতের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। যদিও ইসরায়েল ও আমেরিকা একে অপরের ঘনিষ্ঠ মিত্র, তবে আন্তর্জাতিকভাবে গাজার মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে ওয়াশিংটন।