Dhaka ০৯:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিটির গোল বন্যা ইপসউইচের জালে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:২২:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২৮২ Time View

ইপসউইচের মাঠে যেন গোলের পসরা সাজিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। পোর্টম্যান রোডে গত রোববার এক এক করে ৬ গোল করেছে পেপ গার্দিওলার দল। ৬-০ গোলের জয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের টেবিলের সেরা চারে জায়গা করে নিয়েছে ম্যানসিটি। সেরা চারে জায়গা দখল করতে বড় ব্যবধানেই জিততে হতো ম্যানসিটিকে। কেননা গার্দিওলার দল ৩-০ গোলে জিতলেও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হতো না। কিন্তু অর্ধডজন গোলে জেতার ফলে নিউক্যাসেল ইউনাইটেডের সঙ্গে গোল ব্যবধান ৩ বাড়িয়ে নিতে পেরেছে সিটি। অর্থাৎ সিটি সেরা চারে উঠেছে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে। ২২ ম্যাচে সিটির পয়েন্ট ৩৮ (গোল ব্যবধান ১৫+)। সমান ম্যাচে নিউক্যাসেলেরও পয়েন্ট ৩৮ (গোল ব্যবধান ১২+)। শীর্ষ থাকা লিভারপুল ১২ পয়েন্ট এগিয়ে। ২১ ম্যাচে অলরেডদের পয়েন্ট ৫০। ১৬ পয়েন্ট নিয়ে ১৮তম স্থানেই স্থির ইপসউইচ। গত রোববার সিটির গোল উৎসবের শুরুটা করেন ফিল ফোডেন। ২৭ মিনিটে অচলাবস্থা ভাঙেন তিনি। জেরেমি ডকু ও কেভিন ডি ব্রুইনার তৈরি করা বলে সামান্য স্পর্শ করেই ইপসউইচের জালে জমা করেন তিনি। ৩ মিনিট পরই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মাতিও কোভাসিস। ৪২ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন ফোডেন। ইংলিশ অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারের গোলে ৩-০ তে এগিয়ে যায় সিটি। ইপসউইচের গোলরক্ষক ক্রিস্টিয়ান ওয়ালটনের পায়ের নিচ দিয়ে বল জালে জমা করেন ফোডেন। ৪৯ মিনিটে গোল করেন জেরেমি ডকু (৪-০)। ৫৭ মিনিটে আরলিং হালান্ডকে আরেকটি গোল বানিয়ে দেন বেলজিয়ান উইঙ্গার। চলতি সপ্তাহে সিটির সঙ্গে ১০ বছরের চুক্তি করা হালান্ডের গোলে ৫-০ তে এগিয়ে যায় সফরকারীরা। ম্যানসিটির হয়ে শেষ গোল করেন বদলি খেলোয়াড় জেমস এমকেতি (৬-০)। ৬৯ মিনিটে দুর্দান্ত হেডে ইপসউইচের গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন ইংলিশ মিডফিল্ডার।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

সিটির গোল বন্যা ইপসউইচের জালে

Update Time : ০১:২২:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৫

ইপসউইচের মাঠে যেন গোলের পসরা সাজিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। পোর্টম্যান রোডে গত রোববার এক এক করে ৬ গোল করেছে পেপ গার্দিওলার দল। ৬-০ গোলের জয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের টেবিলের সেরা চারে জায়গা করে নিয়েছে ম্যানসিটি। সেরা চারে জায়গা দখল করতে বড় ব্যবধানেই জিততে হতো ম্যানসিটিকে। কেননা গার্দিওলার দল ৩-০ গোলে জিতলেও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হতো না। কিন্তু অর্ধডজন গোলে জেতার ফলে নিউক্যাসেল ইউনাইটেডের সঙ্গে গোল ব্যবধান ৩ বাড়িয়ে নিতে পেরেছে সিটি। অর্থাৎ সিটি সেরা চারে উঠেছে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে। ২২ ম্যাচে সিটির পয়েন্ট ৩৮ (গোল ব্যবধান ১৫+)। সমান ম্যাচে নিউক্যাসেলেরও পয়েন্ট ৩৮ (গোল ব্যবধান ১২+)। শীর্ষ থাকা লিভারপুল ১২ পয়েন্ট এগিয়ে। ২১ ম্যাচে অলরেডদের পয়েন্ট ৫০। ১৬ পয়েন্ট নিয়ে ১৮তম স্থানেই স্থির ইপসউইচ। গত রোববার সিটির গোল উৎসবের শুরুটা করেন ফিল ফোডেন। ২৭ মিনিটে অচলাবস্থা ভাঙেন তিনি। জেরেমি ডকু ও কেভিন ডি ব্রুইনার তৈরি করা বলে সামান্য স্পর্শ করেই ইপসউইচের জালে জমা করেন তিনি। ৩ মিনিট পরই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মাতিও কোভাসিস। ৪২ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন ফোডেন। ইংলিশ অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারের গোলে ৩-০ তে এগিয়ে যায় সিটি। ইপসউইচের গোলরক্ষক ক্রিস্টিয়ান ওয়ালটনের পায়ের নিচ দিয়ে বল জালে জমা করেন ফোডেন। ৪৯ মিনিটে গোল করেন জেরেমি ডকু (৪-০)। ৫৭ মিনিটে আরলিং হালান্ডকে আরেকটি গোল বানিয়ে দেন বেলজিয়ান উইঙ্গার। চলতি সপ্তাহে সিটির সঙ্গে ১০ বছরের চুক্তি করা হালান্ডের গোলে ৫-০ তে এগিয়ে যায় সফরকারীরা। ম্যানসিটির হয়ে শেষ গোল করেন বদলি খেলোয়াড় জেমস এমকেতি (৬-০)। ৬৯ মিনিটে দুর্দান্ত হেডে ইপসউইচের গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন ইংলিশ মিডফিল্ডার।