সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোঃ সাবেত আলী বলেন, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজায় এই জেলার অসাম্প্রদায়িক সংস্কৃতি বজায় থাকবে বলে বিশ্বাস করি। পূজা শান্তিপূর্ণভাবে পালনের জন্য সকলেরই সহযোগিতা প্রয়োজন। পূজামন্ডপের নিরাপত্তার জন্য আইন-শৃংখলা বাহিনী টহল ও পাহারায় থাকবে। প্রত্যেকটি পূজা মন্ডপের নিরাপত্তা বজায় রাখার ক্ষেত্রে মন্ডপ কর্তৃপক্ষকে সি সি ক্যামেরা স্থাপনের পরামর্শ প্রদান করেন তিনি। এছাড়া নিজস্ব ধর্মের উৎসবের জন্য যাতে অন্য সকল ধর্মের পালনে ব্যাহত না হয় সেই দিকে সবার দৃষ্টি রাখার আহ্বানও জানান।
সভায় আরো বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক মোঃ আব্দুল কাদের, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সি, ১৮ বিজিবির (সিও) লেঃ কর্ণেল জিয়াউল হক, সেনাবাহীনির ২৯ বির (সৈয়দপুর) কমান্ডার কর্ণেল ইউসুফ আলী, র্যাব সিপিসি-২ নীলফামারী কোম্পানী কমান্ডার মেজর ইসতিয়াক,জেলা বিএনপি’র আহবায়ক জহিরুল ইসলাম কাচ্চু ,জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক মাও: ইকবাল হোসাইন,হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঔক্য পরিষদের জেলা সভাপতি কল্লাণ কুমার ঘোষ, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা সমন্বয়ক মোকলেছুর রহমান সান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন উপজেলার পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ।এবার জেলায় ২৯৯ টি মন্ডপে পুজা উদযাবন করা হবে।
Reporter Name 
























