Dhaka ০৫:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে পঞ্চগড়ে  আওয়ামীলীগের সভাপতি হাজতে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:০৬:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪
  • ৩৮৮ Time View
সাইদুজ্জামান রেজা,পঞ্চগড়ঃ পঞ্চগড়ে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে মো.নজরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিসহ তিনজনকে হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।সোমবার (১৫ জুলাই)দুপুরে বোদা আমলি আদালতে আসামীরা জামিন আবেদন করলে,বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে হাজতে পাঠানোর এ আদেশ দেন।একই সাথে স্কুল পরিচালনার আরো দুইজন সদস্য সহিদুল ইসলাম ও একরামুলকে হাজতে পাঠানো হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বাদীর আইনজীবি শংকর চন্দ্র রায় জানান,স্কুলে অফিস সহায়ক পদে চাকুরী দেওয়ার নামে সভাপতি আট লাখ টাকা নেন।দফায় দফায় টাকা নেওয়ায় সেটা স্ট্যাম্পে অঙ্গিকার নামা করে নেন বাদী।কিন্তু চাকুরি ও টাকা কোন টায় পায়নি বাদীপক্ষ।আদালতে আপোষের কথা বললে জামিন হওয়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু তারা বিষয়টি চ্যালেঞ্জিংয়ে গেল।
নজরুল ইসলাম সদর উপজেলার কামাত কাজলদিঘী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও কামাতকুঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি।
জানা যায়,বোদা উপজেলার উৎকুড়া এলাকার সুবাশ চন্দ্র তার ছেলে অনিক চন্দ্র কামাতকুঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক পদে চাকুরির জন্য আট লাখ টাকা নেন,ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম। চাকুরি না হওয়ায়, টাকা চাইতে গেলে তালবাহানা করে।পরে সুবাশ চন্দ্র বাদী হয়ে আদালতে মামলা করেন।
Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে পঞ্চগড়ে  আওয়ামীলীগের সভাপতি হাজতে

Update Time : ০১:০৬:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪
সাইদুজ্জামান রেজা,পঞ্চগড়ঃ পঞ্চগড়ে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে মো.নজরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিসহ তিনজনকে হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।সোমবার (১৫ জুলাই)দুপুরে বোদা আমলি আদালতে আসামীরা জামিন আবেদন করলে,বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে হাজতে পাঠানোর এ আদেশ দেন।একই সাথে স্কুল পরিচালনার আরো দুইজন সদস্য সহিদুল ইসলাম ও একরামুলকে হাজতে পাঠানো হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বাদীর আইনজীবি শংকর চন্দ্র রায় জানান,স্কুলে অফিস সহায়ক পদে চাকুরী দেওয়ার নামে সভাপতি আট লাখ টাকা নেন।দফায় দফায় টাকা নেওয়ায় সেটা স্ট্যাম্পে অঙ্গিকার নামা করে নেন বাদী।কিন্তু চাকুরি ও টাকা কোন টায় পায়নি বাদীপক্ষ।আদালতে আপোষের কথা বললে জামিন হওয়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু তারা বিষয়টি চ্যালেঞ্জিংয়ে গেল।
নজরুল ইসলাম সদর উপজেলার কামাত কাজলদিঘী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও কামাতকুঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি।
জানা যায়,বোদা উপজেলার উৎকুড়া এলাকার সুবাশ চন্দ্র তার ছেলে অনিক চন্দ্র কামাতকুঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক পদে চাকুরির জন্য আট লাখ টাকা নেন,ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম। চাকুরি না হওয়ায়, টাকা চাইতে গেলে তালবাহানা করে।পরে সুবাশ চন্দ্র বাদী হয়ে আদালতে মামলা করেন।