Dhaka ০১:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শরিফুলের ফের বিবর্ণ দিন এলপিএলে

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৫৫:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই ২০২৪
  • ২৫১ Time View

স্পোর্টস: লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে (এলপিএলে) পরপর দুই ম্যাচে নিষ্প্রভ থাকলেন শরিফুল ইসলাম। জাফনা কিংসের পর গল মার্ভেলসের বিপক্ষেও অকাতরে রান বিলিয়ে উইকেটশূন্য থেকে বাজে দিন পার করলেন ক্যান্ডি ফ্যালকন্সের এই পেসার। ডাম্বুলায় বুধবার গলের বিপক্ষে শরিফুলকে দিয়ে ২ ওভার বল করান ক্যান্ডির অধিনায়ক ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ২৯ রান দিয়ে উইকেটের দেখা পাননি বাংলাদেশের এই বোলার। এক ছক্কা ও তিনটি চার হজম করেন তিনি। ডট দিতে পারেন তিনটি ডেলিভারি। ক্যান্ডির আগের ম্যাচে ৩ ওভারে ৪৭ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন শরিফুল। আসরে নিজের প্রথম দুই ম্যাচে অবশ্য দুটি করে উইকেট পেয়েছিলেন তিনি। গলের রান তাড়ায় প্রথম ওভারেই শরিফুলকে আক্রমণে আনেন হাসারাঙ্গা। কিন্তু অধিনায়ককে হতাশ করেন তিনি ১৫ রান দিয়ে। প্রথম বলটিই করেন তিনি লেগ সাইড দিয়ে ওয়াইড, সঙ্গে বাই থেকে আসে আরও চার রান। পরের বলে তাকে বাউন্ডারি মারেন নিরোশান ডিকওয়েলা। ওভারের পঞ্চম বলে আরেকটি চার হজম করেন তিনি। পাওয়ার প্লেতে আর শরিফুলকে বোলিংয়ে আনেনি ক্যান্ডি। এরপর বল হাতে পান তিনি সপ্তদশ ওভারে। এবারও যথারীতি ব্যর্থতার বৃত্তে বন্দী শরিফুল। প্রথম বল ডট দিলেও পরেরটিতে তাকে ডিপ ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে ছক্কায় ওড়ান হেলস। পঞ্চম বলে হজম করেন চার। সঙ্গে দুটি সিঙ্গেল ও একটি ডাবলে ওভার থেকে আসে ১৪ রান। শরিফুলের বিবর্ণ দিনে হারের তেতো স্বাদ পায় তার দল ক্যান্ডিও। আন্দ্রে ফ্লেচারের ৪৩ বলে ৬৯ ও বাকিদের টুকটাক অবদানে ১৮৭ রান করে তারা। পরে অ্যালেক্স হেলসের অপরাজিত ৮৬ ও ভানুকা রাজাপাকসার অপরাজিত ৪৬ রানের ইনিংসে ৪ বল বাকি থাকতে ৮ উইকেটে জিতে যায় গল।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

মোরেলগঞ্জে আগুন, ৩০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই

শরিফুলের ফের বিবর্ণ দিন এলপিএলে

Update Time : ১২:৫৫:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই ২০২৪

স্পোর্টস: লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে (এলপিএলে) পরপর দুই ম্যাচে নিষ্প্রভ থাকলেন শরিফুল ইসলাম। জাফনা কিংসের পর গল মার্ভেলসের বিপক্ষেও অকাতরে রান বিলিয়ে উইকেটশূন্য থেকে বাজে দিন পার করলেন ক্যান্ডি ফ্যালকন্সের এই পেসার। ডাম্বুলায় বুধবার গলের বিপক্ষে শরিফুলকে দিয়ে ২ ওভার বল করান ক্যান্ডির অধিনায়ক ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ২৯ রান দিয়ে উইকেটের দেখা পাননি বাংলাদেশের এই বোলার। এক ছক্কা ও তিনটি চার হজম করেন তিনি। ডট দিতে পারেন তিনটি ডেলিভারি। ক্যান্ডির আগের ম্যাচে ৩ ওভারে ৪৭ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন শরিফুল। আসরে নিজের প্রথম দুই ম্যাচে অবশ্য দুটি করে উইকেট পেয়েছিলেন তিনি। গলের রান তাড়ায় প্রথম ওভারেই শরিফুলকে আক্রমণে আনেন হাসারাঙ্গা। কিন্তু অধিনায়ককে হতাশ করেন তিনি ১৫ রান দিয়ে। প্রথম বলটিই করেন তিনি লেগ সাইড দিয়ে ওয়াইড, সঙ্গে বাই থেকে আসে আরও চার রান। পরের বলে তাকে বাউন্ডারি মারেন নিরোশান ডিকওয়েলা। ওভারের পঞ্চম বলে আরেকটি চার হজম করেন তিনি। পাওয়ার প্লেতে আর শরিফুলকে বোলিংয়ে আনেনি ক্যান্ডি। এরপর বল হাতে পান তিনি সপ্তদশ ওভারে। এবারও যথারীতি ব্যর্থতার বৃত্তে বন্দী শরিফুল। প্রথম বল ডট দিলেও পরেরটিতে তাকে ডিপ ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে ছক্কায় ওড়ান হেলস। পঞ্চম বলে হজম করেন চার। সঙ্গে দুটি সিঙ্গেল ও একটি ডাবলে ওভার থেকে আসে ১৪ রান। শরিফুলের বিবর্ণ দিনে হারের তেতো স্বাদ পায় তার দল ক্যান্ডিও। আন্দ্রে ফ্লেচারের ৪৩ বলে ৬৯ ও বাকিদের টুকটাক অবদানে ১৮৭ রান করে তারা। পরে অ্যালেক্স হেলসের অপরাজিত ৮৬ ও ভানুকা রাজাপাকসার অপরাজিত ৪৬ রানের ইনিংসে ৪ বল বাকি থাকতে ৮ উইকেটে জিতে যায় গল।