আবু-হানিফ,বাগেরহাট অফিসঃ বাগেরহাটের মোংলায় উপজেলা নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় নারী-পুরুষসহ
অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে পুজা উদযাপন কমিটির সাবেক সভাপতি
পিযুষ কান্তি মজুমদার সহ ৮জনকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা
হয়েছে। এদিকে পুজা উদযাপন কমিটির নেতার উপর হামলা ও সংখ্যলঘু সম্প্রদয়ের
লোকদের উপর নির্যাতনের প্রতিবাদে মানবন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সহিংসা রুখতে টহল জোরদার করেছে পুলিশ । পুরো উপজেলা জুড়ে বিরাজ করছে
আতংক।
রোববার মোংলা উপজেলা পরিষদের নির্বাচর অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে চিংড়ি
মাছ প্রতিকের প্রার্থী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান পুনরায় চেয়ারম্যান
নির্বাচিত হন। এরপরই উপজেলা জুড়ে পরাজিত প্রার্থীর নেতা কর্মী ও
সমর্থকদের উপর হামলাসহ নানা ধরনের তান্ডব চালাতে থাকে। সকালে চাঁদপাই
ইউনিয়নের পাগলের মোড়ে মোংলা পুজা উদযাপন কমিটির সাবেক সভাপতি ও
পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী ইকবাল হোসেনের সমর্থক পিযুষ কান্তি
মজুমদারের উপর এক ইউপি চেয়ারম্যানের ভাই হাবিবের নেতৃত্বে অতর্কিত হামলা
চালিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়। পরে পুলিশ খবর পেয়ে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর এলাকায় প্রতিপক্ষরা পরাজিত প্রার্থীর
লোকদের উপর হামলা ও মারধর চালায়। এতে বিভিন্ন স্থানে অন্তত ২০ জন কমবেশী
আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে দুপুর পর্যন্ত নারী পুরুষ মিলে ৮ জন
উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
এদিকে পূজা উদযাপন কমিটির নেতার উপর হামলা ও স্থানীয় সংখ্যালঘুদের
নির্যাতনের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে মানব বন্ধন ও প্রতিবাদ সভার আয়োজন
করে পূজা উদযাপন ও হিন্দু বৈদ্য খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের নেতারা। দুপুরে পৌর
মার্কেটের সামনে এ মানব বন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে, নির্বাচন পরবর্তি হামলা ও সহিংসতা রোধে পুলিশ বিভিন্ন এলাকায়
টহল জোরদার করেছে। সহিংসতা ও হামলার ঘটনায় ২ জনকে আটক করা হয়েছে বলে
জানায় ওসি কে এম আজিজুল ইসলাম।