Dhaka ০২:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শান্ত দুই ম্যাচ হারের পর যা বললেন

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৩৯:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪
  • ৩৪৫ Time View

স্পোর্টস: এমনিতেই যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে সিরিজ থেকে বাংলদেশের প্রাপ্তির সুযোগ ছিল কমই। কিন্তু প্রথম দুই ম্যাচে এত কিছু হারাতে হয়েছে, এখন অনেকটা ‘ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা’ হওয়ার কথা দলের। নাজমুল হোসেন শান্ত অবশ্য এখনও ইতিবাচক কিছুর আশায় আছে। সিরিজের শেষ ম্যাচে ভালো পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমে ভালো কিছু করতে চান বাংলাদেশ অধিনায়ক। সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে ভালোর কোনো চিহ্ন বাংলাদেশের পারফরম্যান্সে খুঁজে পাওয়া কঠিন। আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ের ১৯ নম্বর দলের কাছে প্রথম দুই ম্যাচেই সিরিজ হেরে গেছেন শান্তরা। বাংলাদেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে কলঙ্কময় পরাজয়গুলির কথা বললে ২০০৩ বিশ্বকাপে কানাডার বিপক্ষে ম্যাচটি চলে আসে। এরকম হার আছে আরও কিছু। সেখানে এখন তুমুল প্রতিযোগিতা করবে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে এই সিরিজের দুটি হারও। প্রথম ম্যাচে ১৫৩ রানের পুঁজি নিয়ে ৫ উইকেটে হেরে যায় বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রের সেই জয়কে হয়তো ‘ফ্লুক’ বা ‘অঘটন’ বলা যেত। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে ১৪৪ রানের পুঁজি নিয়েও বৃহস্পতিবার জিতে যায় তারা। ৬ রানের জয়ে সিরিজ জয় নিশ্চিত করে ফেলে এক ম্যাচ বাকি রেখেই। এই দুটি পরাজয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে প্রথম দল হিসেবে ১০০ হারের মাইলফলকও স্পর্শ করে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ ঘাটতির জায়গা নিয়ে আলোচনা অবশ্য বহুদিনের। তবে শান্ত বরাবরের মতোই স্কিলের ঘাটতির ব্যাপারটি মানতে চাইলেন না ম্যাচ শেষে। “আমার মনে হয়, স্কিলে কোনো সমস্যা নেই। মানসিকতা ও মনোবৃত্তি বদলাতে হবে আমাদের। গত দুই ম্যাচে আমরা তা করতে পারিনি ও ভালো খেলতে পারিনি।” দ্বিতীয় ম্যাচে হারের জন্য অধিনায়ক দায় দিচ্ছেন মাঝের সময়ের ব্যাটিং ব্যর্থতাকে। “আমাদের জন্য খুবই হতাশাজনক। মাঝের ওভারগুলোয় আমরা প্রায় প্রতি ওভারেই উইকেট হারিয়েছি। ম্যাচ হারার মূল কারণ এটিই।” যদিও বাংলাদেশ খেই হারিয়েছে মূলত শেষদিকে। শুরুটা ভালো না হলেও একপর্যায়ে জয় ছিল নাগালেই। শেষ ২৪ বলে প্রয়োজন ছিল কেবল ২৬ রানের। উইকেট ছিল তখনও ৫টি। কিন্তু পরের সময়টাতেই একের পর এক উইকেট হারিয়ে অলআউট হয়ে যায় দল। সিরিজ হারের বিব্রতকর স্বাদ পাওয়ার পর এখন বাংলাদেশের সামনে ঝুলছে হোয়াইটওয়াশড হওয়ার খড়গ। বিশ্বকাপ প্রস্তুতির জন্য আয়োজিত সিরিজ এখন রূপ নিয়েছে দুঃস্বপ্নে। শান্ত অবশ্য শেষ ম্যাচ থেকে ভালো কিছু পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন এখনও। “সত্যি বলতে, আমরা ভালো খেলতে পারিনি। তবে আমার মনে হয়, খুব ভালো সুযোগ আছে, একটি ম্যাচ বাকি আমাদের। খুব ভালো পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামতে হবে। আশা করি, পরের ম্যাচে আমরা ভালো ক্রিকেট খেলতে পারব।”

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

শান্ত দুই ম্যাচ হারের পর যা বললেন

Update Time : ১২:৩৯:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪

স্পোর্টস: এমনিতেই যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে সিরিজ থেকে বাংলদেশের প্রাপ্তির সুযোগ ছিল কমই। কিন্তু প্রথম দুই ম্যাচে এত কিছু হারাতে হয়েছে, এখন অনেকটা ‘ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা’ হওয়ার কথা দলের। নাজমুল হোসেন শান্ত অবশ্য এখনও ইতিবাচক কিছুর আশায় আছে। সিরিজের শেষ ম্যাচে ভালো পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমে ভালো কিছু করতে চান বাংলাদেশ অধিনায়ক। সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে ভালোর কোনো চিহ্ন বাংলাদেশের পারফরম্যান্সে খুঁজে পাওয়া কঠিন। আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ের ১৯ নম্বর দলের কাছে প্রথম দুই ম্যাচেই সিরিজ হেরে গেছেন শান্তরা। বাংলাদেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে কলঙ্কময় পরাজয়গুলির কথা বললে ২০০৩ বিশ্বকাপে কানাডার বিপক্ষে ম্যাচটি চলে আসে। এরকম হার আছে আরও কিছু। সেখানে এখন তুমুল প্রতিযোগিতা করবে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে এই সিরিজের দুটি হারও। প্রথম ম্যাচে ১৫৩ রানের পুঁজি নিয়ে ৫ উইকেটে হেরে যায় বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রের সেই জয়কে হয়তো ‘ফ্লুক’ বা ‘অঘটন’ বলা যেত। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে ১৪৪ রানের পুঁজি নিয়েও বৃহস্পতিবার জিতে যায় তারা। ৬ রানের জয়ে সিরিজ জয় নিশ্চিত করে ফেলে এক ম্যাচ বাকি রেখেই। এই দুটি পরাজয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে প্রথম দল হিসেবে ১০০ হারের মাইলফলকও স্পর্শ করে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ ঘাটতির জায়গা নিয়ে আলোচনা অবশ্য বহুদিনের। তবে শান্ত বরাবরের মতোই স্কিলের ঘাটতির ব্যাপারটি মানতে চাইলেন না ম্যাচ শেষে। “আমার মনে হয়, স্কিলে কোনো সমস্যা নেই। মানসিকতা ও মনোবৃত্তি বদলাতে হবে আমাদের। গত দুই ম্যাচে আমরা তা করতে পারিনি ও ভালো খেলতে পারিনি।” দ্বিতীয় ম্যাচে হারের জন্য অধিনায়ক দায় দিচ্ছেন মাঝের সময়ের ব্যাটিং ব্যর্থতাকে। “আমাদের জন্য খুবই হতাশাজনক। মাঝের ওভারগুলোয় আমরা প্রায় প্রতি ওভারেই উইকেট হারিয়েছি। ম্যাচ হারার মূল কারণ এটিই।” যদিও বাংলাদেশ খেই হারিয়েছে মূলত শেষদিকে। শুরুটা ভালো না হলেও একপর্যায়ে জয় ছিল নাগালেই। শেষ ২৪ বলে প্রয়োজন ছিল কেবল ২৬ রানের। উইকেট ছিল তখনও ৫টি। কিন্তু পরের সময়টাতেই একের পর এক উইকেট হারিয়ে অলআউট হয়ে যায় দল। সিরিজ হারের বিব্রতকর স্বাদ পাওয়ার পর এখন বাংলাদেশের সামনে ঝুলছে হোয়াইটওয়াশড হওয়ার খড়গ। বিশ্বকাপ প্রস্তুতির জন্য আয়োজিত সিরিজ এখন রূপ নিয়েছে দুঃস্বপ্নে। শান্ত অবশ্য শেষ ম্যাচ থেকে ভালো কিছু পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন এখনও। “সত্যি বলতে, আমরা ভালো খেলতে পারিনি। তবে আমার মনে হয়, খুব ভালো সুযোগ আছে, একটি ম্যাচ বাকি আমাদের। খুব ভালো পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামতে হবে। আশা করি, পরের ম্যাচে আমরা ভালো ক্রিকেট খেলতে পারব।”