Dhaka ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিক্ষার্থী বিক্ষোভে যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার ৫০ অধ্যাপক, মারধর-হেনস্তার শিকার

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৫৭:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ মে ২০২৪
  • ৩০৩ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসন ও গণহত্যাকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েক সপ্তাহজুরে ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভে সরব যুক্তরাষ্ট্রের বেশীরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়। গত মাসের মাঝামাঝি সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রবিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত দুই হাজারের বেশি বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি চলমান বিক্ষোভ থেকে অন্তত ৫০ জন অধ্যাপককে আটক করেছে পুলিশ। খবর সিএনএন। প্রতিবেদনে বলা হয়, আটককৃত অধ্যাপকদের মধ্যে কেউ সরাসরি বিক্ষোভে জড়িত ছিলেন আবার কেউ কেউ সমর্থন জানিয়েছিলেন। এমনকি বিক্ষোভের ভিডিও চিত্র ধারণ করার কারণেও অধ্যাপকদের আটক করার ঘটনা ঘটেছে। আটক অধ্যাপকদের কেউ কেউ পুলিশের মারধর, হয়রানি ও হেনস্তার শিকার হয়েছেন। সিএনএন জানায়, আটলান্টার ইমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভকারী এক শিক্ষার্থীকে আটক করতে গেলে পুলিশকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন অর্থনীতির অধ্যাপক ক্যারলিন ফলিন। কিন্তু পুলিশের পাল্টা বাধার মুখে পড়েন তিনি। ভিডিও চিত্রে দেখা যায়, এই নারী অধ্যাপককে মাটিতে ফেলে হাঁটু দিয়ে চেপে ধরেছেন এক পুলিশ সদস্য। আটকের পর এই অধ্যাপকের বিরুদ্ধে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। বিক্ষোভের ভিডিও ধারণ করছিলেন ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্টিভ তামারি। এ সময় তাঁকে শারীরিক হেনস্তার পর আটক করে পুলিশ। পুলিশের মারধরে তাঁর পাঁজর ও ডান হাত ভেঙে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের একটি সংগঠন আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অব ইউনিভার্সিটি প্রফেসরস। সংগঠনটির সেন্টার ফর দ্য ডিফেন্স অব অ্যাকাডেমিক ফ্রিডমের পরিচালক আইজ্যাক কামোলা সিএনএনকে বলেন, অধ্যাপকদের হাতকড়া পরিয়ে ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা অনেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। এতে সমালোচনার ঝড় বইছে। মূলত গত মাসের মাঝামাঝি থেকে গাজায় যুদ্ধ বন্ধ, ইসরায়েল সরকার ও ইসরায়েলি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্ক ছিন্নসহ বেশ কিছু দাবিতে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই শুরু হয়েছিল ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভ। পরে যুক্তরাষ্ট্রের দেড় শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ইউরোপের অন্তত ১২টি দেশে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে আড়াই হাজারের বেশি ও ইউরোপে তিন শতাধিক শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে।

 

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

বাগেরহাটে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

শিক্ষার্থী বিক্ষোভে যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার ৫০ অধ্যাপক, মারধর-হেনস্তার শিকার

Update Time : ১১:৫৭:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ মে ২০২৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসন ও গণহত্যাকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েক সপ্তাহজুরে ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভে সরব যুক্তরাষ্ট্রের বেশীরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়। গত মাসের মাঝামাঝি সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রবিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত দুই হাজারের বেশি বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি চলমান বিক্ষোভ থেকে অন্তত ৫০ জন অধ্যাপককে আটক করেছে পুলিশ। খবর সিএনএন। প্রতিবেদনে বলা হয়, আটককৃত অধ্যাপকদের মধ্যে কেউ সরাসরি বিক্ষোভে জড়িত ছিলেন আবার কেউ কেউ সমর্থন জানিয়েছিলেন। এমনকি বিক্ষোভের ভিডিও চিত্র ধারণ করার কারণেও অধ্যাপকদের আটক করার ঘটনা ঘটেছে। আটক অধ্যাপকদের কেউ কেউ পুলিশের মারধর, হয়রানি ও হেনস্তার শিকার হয়েছেন। সিএনএন জানায়, আটলান্টার ইমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভকারী এক শিক্ষার্থীকে আটক করতে গেলে পুলিশকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন অর্থনীতির অধ্যাপক ক্যারলিন ফলিন। কিন্তু পুলিশের পাল্টা বাধার মুখে পড়েন তিনি। ভিডিও চিত্রে দেখা যায়, এই নারী অধ্যাপককে মাটিতে ফেলে হাঁটু দিয়ে চেপে ধরেছেন এক পুলিশ সদস্য। আটকের পর এই অধ্যাপকের বিরুদ্ধে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। বিক্ষোভের ভিডিও ধারণ করছিলেন ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্টিভ তামারি। এ সময় তাঁকে শারীরিক হেনস্তার পর আটক করে পুলিশ। পুলিশের মারধরে তাঁর পাঁজর ও ডান হাত ভেঙে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের একটি সংগঠন আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অব ইউনিভার্সিটি প্রফেসরস। সংগঠনটির সেন্টার ফর দ্য ডিফেন্স অব অ্যাকাডেমিক ফ্রিডমের পরিচালক আইজ্যাক কামোলা সিএনএনকে বলেন, অধ্যাপকদের হাতকড়া পরিয়ে ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা অনেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। এতে সমালোচনার ঝড় বইছে। মূলত গত মাসের মাঝামাঝি থেকে গাজায় যুদ্ধ বন্ধ, ইসরায়েল সরকার ও ইসরায়েলি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্ক ছিন্নসহ বেশ কিছু দাবিতে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই শুরু হয়েছিল ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভ। পরে যুক্তরাষ্ট্রের দেড় শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ইউরোপের অন্তত ১২টি দেশে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে আড়াই হাজারের বেশি ও ইউরোপে তিন শতাধিক শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে।