Dhaka ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা প্রধানের পদত্যাগ

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:১৪:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪
  • ২৫১ Time View

আন্তর্জাতিক: গত বছর ৭ অক্টোবর গাজা থেকে হামাসের নজিরবিহীন হামলা রুখতে ব্যর্থ হওয়ার দায় মাথায় নিয়ে পদত্যাগ করেছেন ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল আহারন হালিভা। তার একজন উত্তরসূরি বেছে নেওয়ার পর তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াবেন বলে জানিয়েছে ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্স-আইডিএফ। নিজের পদত্যাগ পত্রে হালিভার লেখেন, তিনি স্বীকার করছেন, তার গোয়েন্দা অধিদপ্তর ‘তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে পারেনি’। ইসরায়েলের ইতিহাসের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী ওই হামলার পর এই প্রথম দেশটির শীর্ষ পর্যায়ের কোনো কর্মকর্তা ব্যর্থতার দায় মাথায় নিয়ে সরে দাঁড়ালেন। বিবিসি জানায়, ইসরায়েলে হামাস হামলা করতে পারে, একাধিক স্থান থেকে এমন সতর্কবার্তা পেয়েছিলেন ইসরায়েলের সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। কিন্তু তাদের কেউ ওই সতর্কবার্তা আমলে নেয়নি। ৭ অক্টোবর ভোরে হামাস প্রথমে গাজা থেকে ইসরায়েলের দিকে বৃষ্টির মত রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে তাদের দিশেহারা করে ফেলে। তারপর হাজারো হামাস যোদ্ধা সীমান্ত বেড়া ভেঙে ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলের জনবসতি, সামরিক ঘাঁটি এবং একটি সঙ্গীত উৎসবে হত্যাযজ্ঞ চালায়। সেদিন হামাস যোদ্ধারা ১২শ’র বেশি ইসরায়েলি ও বিদেশিদের হত্যা করে। গাজায় ধরে নিয়ে যায় আরও ২৫৩ জনকে। সেদিনই তীব্র আক্রশে পাল্টা হামলা শুরু করে ইসরায়েল। ইসরায়েলের হামলায় গাজায় এখন পর্যন্ত ৩৪ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। গাজা এখন নরকে পরিণত হয়েছে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা প্রধানের পদত্যাগ

Update Time : ১২:১৪:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪

আন্তর্জাতিক: গত বছর ৭ অক্টোবর গাজা থেকে হামাসের নজিরবিহীন হামলা রুখতে ব্যর্থ হওয়ার দায় মাথায় নিয়ে পদত্যাগ করেছেন ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল আহারন হালিভা। তার একজন উত্তরসূরি বেছে নেওয়ার পর তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াবেন বলে জানিয়েছে ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্স-আইডিএফ। নিজের পদত্যাগ পত্রে হালিভার লেখেন, তিনি স্বীকার করছেন, তার গোয়েন্দা অধিদপ্তর ‘তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে পারেনি’। ইসরায়েলের ইতিহাসের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী ওই হামলার পর এই প্রথম দেশটির শীর্ষ পর্যায়ের কোনো কর্মকর্তা ব্যর্থতার দায় মাথায় নিয়ে সরে দাঁড়ালেন। বিবিসি জানায়, ইসরায়েলে হামাস হামলা করতে পারে, একাধিক স্থান থেকে এমন সতর্কবার্তা পেয়েছিলেন ইসরায়েলের সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। কিন্তু তাদের কেউ ওই সতর্কবার্তা আমলে নেয়নি। ৭ অক্টোবর ভোরে হামাস প্রথমে গাজা থেকে ইসরায়েলের দিকে বৃষ্টির মত রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে তাদের দিশেহারা করে ফেলে। তারপর হাজারো হামাস যোদ্ধা সীমান্ত বেড়া ভেঙে ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলের জনবসতি, সামরিক ঘাঁটি এবং একটি সঙ্গীত উৎসবে হত্যাযজ্ঞ চালায়। সেদিন হামাস যোদ্ধারা ১২শ’র বেশি ইসরায়েলি ও বিদেশিদের হত্যা করে। গাজায় ধরে নিয়ে যায় আরও ২৫৩ জনকে। সেদিনই তীব্র আক্রশে পাল্টা হামলা শুরু করে ইসরায়েল। ইসরায়েলের হামলায় গাজায় এখন পর্যন্ত ৩৪ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। গাজা এখন নরকে পরিণত হয়েছে।