কুতুবদিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধিঃ কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়নে সরকারি পাইলটকাটা খাল দখল করে বাঁধ দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অপরাধে সৈয়দুল করিম নামে এক ব্যক্তিকে ২০ দিনের জেল দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদলত। সে আরো....
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কুতুবদিয়া উপজেলার বিন্দা পাড়া এলাকায় আওয়ামী লীগ নেতার দখলে থাকা সরকারি জমিতে নির্মিত ছয়টি দোকান উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদাত হোসেনের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মাস্টার আহমদ উল্লাহর ছেলে আজিজুল হক সাগর ২০১৮ সাল থেকে কক্সবাজার জেলা পরিষদের সরকারি খাস জমিতে দোকানগুলো নির্মাণ করে ভোগদখল করে আসছিলেন। বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ উঠলে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কুতুবদিয়া উপজেলা প্রশাসনকে উচ্ছেদের নির্দেশ দেন। উচ্ছেদ অভিযানে ছয়টি দোকান ভেঙে দেওয়া হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সরকারি জমিতে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে আজিজুল হক সাগর দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজার জেলা পরিষদের মালিকানাধীন কুতুবদিয়া উপজেলার দক্ষিণ ধুরুং মৌজা বিএস খতিয়ান নং-০৮, বিএস দাগ নং-৭৩১০, ৭৩১১ ও ৭৩১৪–এর ৩.৮০ একর জমি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখল করে মাছ চাষ ও দোকানগুলো পরিচালনা করে আসছিলেন। সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরে পুকুরটি ৭ লক্ষ টাকায় ইজারা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কুতুবদিয়ায় বিতর্কিত এনসিপি নেতা রিদুয়ানুজ্জামান হেলালীর বিরুদ্ধে হয়রানি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার একটি স্থানে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন ভুক্তভোগী সেলিম। তিনি অভিযোগ করে বলেন, হেলালী সুবিধাবাদী নেতা, দীর্ঘদিন ধরে কখনো আওয়ামী লীগ আবার কখনো গণঅধিকার পরিষদ বা অন্য দলের পরিচয় দিয়ে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করে আসছে। এখন এনসিপির রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করছে। সেলিম বলেন, “আমি বিএনপির দুঃসময়ের কর্মী হওয়া সত্বেও হেলালী ও তার ভাই মিজবাহ আমাদের পারিবারিক শত্রুতার রেশ ধরে চট্টগ্রামের বিভিন্ন মামলায় আমাকে মিথ্যা আসামি করেছে। পুলিশ দিয়ে প্রতিনিয়ত হয়রানি করছে, কুতুবদিয়ায় নিরাপদে বসবাসও করতে পারছি না।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, হেলালীর নেতৃত্বে মাছের ঘের দখল, মাছ লুট, প্রতিপক্ষের ওপর সন্ত্রাসী দিয়ে হামলা, চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। চাঁদা না দিলে সাধারণ মানুষকে চোর, ডাকাত, মাদক ব্যবসায়ী বা রাজনৈতিক ট্যাগ দিয়ে হয়রানি করছে। সম্প্রতি কৈয়ারবিল এলাকায় মাছের ঘের দখল সংক্রান্ত এক ঘটনায় মামলা হলেও পুলিশ এখনো হেলালীকে গ্রেফতার করেনি, অথচ সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। সংবাদ
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সরকারি নাম্বার ক্লোন করে অসাধু চক্র সাধারণ মানুষের নিকট ফোন করে অর্থ দাবি করছে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর বিবেচনায় নিয়ে