শিরোনাম :
বাগানের আলো ছায়া নিয়ে খেলা করে
মোশতাক আল মেহেদী চোখ আমার রোদের প্রখরতা সহ্য করেনা সে কারণে আমি ঘর মুখো তবে ভালোবাসি আলো, বাগানের আলো ছায়া
আহারে মানুষ
জিয়া সাঈদ যেতে যেতে সম্মুখে শুধু দাগ থাকে ফাঁকা হতে থাকে সারি পাশ থেকেও হঠাৎ কেউ পড়ে যায় খাদে সঙ্গীসাথী
“চাই শুধু ভালোবাসা”
সানযিয়া অর্নি আমার চাহিদা বেশি নয় কখনো, গহনা, টাকা, দুনিয়ার সুখ— সবই মায়া, সবই ক্ষণস্থায়ী। আমি চাই শুধু— কেউ যেন
কেমন আছো এ কথাটা নিজের সঙ্গে বলি
মোশতাক আল মেহেদী কেমন আছো এ কথাটা নিজের সঙ্গে বলি তাতে কারো লাভক্ষতি নেই এখন তো দেখি মানুষেরা হিসাব নিকাশে
আহারে মানুষ
জিয়া সাঈদ যেতে যেতে সম্মুখে শুধু দাগ থাকে ফাঁকা হতে থাকে সারি পাশ থেকেও হঠাৎ কেউ পড়ে যায় খাদে সঙ্গীসাথী
গল্প: পিশাচ
হুমায়ূন আহমেদ স্যার, আমি পিশাচ-সাধনা করি। আমি কৌতূহল নিয়ে পিশাচ-সাধকের দিকে তাকালাম। মামুলি চেহারা। মুখভর্তি খোঁচা খোঁচা দাড়ি। মাথায় চুল
ভুতুড়ে ছায়া
সত্য কুম্ভকার দীর্ঘশ্বাসের বাতাসে ভেসে শীতল হয় আমার গা, পুরোনো বাড়ির চিলেকোঠায় কাঁপে একটা থোলা ছায়া। ভাঙা জানলা, ধুলোয় মাখা,
সাবধানে সড়কে চলি
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল সড়কের মড়কে মরছে মানুষ নিত্য চলতে গিয়ে সড়ক পথে ভয়ে কাঁপে চিত্ত, সড়কের অপর নাম
পাখি আসে পাখি যায়
মোশতাক আল মেহেদী পাখি আসে পাখি যায় পাখির খাবার আছে বারান্দায়, তবু কেন পাতার আড়ালে ঘুঘুরা ঘুমায়? কিছু কিছু অচেনা
“আল্লাহর ছায়াতলে অটুট পরিবার”
সানযিয়া অর্নি যতই চেষ্টা করো অন্ধকার ঢালতে, আলো কখনো নিভবে না আল্লাহর রহমতের বাতাসে। তোমাদের ষড়যন্ত্র ভেঙে যাবে ধূলির মতো,



















