শিরোনাম :
মাকে লিখি – শীতের নদীর মতো শুয়ে
জিয়া সাঈদ শৈত্যে কেঁপে কেঁপে আবারো জ্বরের জানান দেয় শরীর টের পাই ভেতরের ধস ধসান্তের নাম অবসাদ হলে সমস্ত দুঃস্থতা
গল্প; বিয়ে
রেজাউল করিম রোমেল মিলনের পুরো নাম জাবেদ খান মিলন। তবে মিলন নামে সবাই তাকে চেনে। তিন বছর হল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ফুলের কাছে গেলে
জিয়া সাঈদ রাত্রির গল্পে হে পান্থ – কেন এত অন্ধকার রাখো ? রঙে গন্ধে ডাকে যে বাগান তার ঝোপঝাড়, পাতার
ঘুমের প্রতিযোগিতা
মাহফুজ রেজা দেশের মানুষ ঘুমিয়ে কাটায় নেই কারও কোনো হুঁশ, তারপর যদি প্রতিযোগিতা হয় কেমন টি হবে তার জোশ? ভেবেছি
না মেঘ না বৃক্ষ
জিয়া সাঈদ রৌদ্রে আগুন আড়ষ্ট পা তবু মেঘ নয় বৃক্ষ নয় তোমার দিকেই যাচ্ছি – হে প্রশ্রয় তালপাখা চেনা পক্ষপুট
কত গল্পে জড়াজড়ি
মোশতাক আল মেহেদী ভুলি নাই কখনো ভুলি না আমাদের ছোটবেলা, একসাথে থাকা কত গল্পে জড়াজড়ি যতসব আনন্দের
মা দিবস
মাহফুজ রেজা মিষ্টি মধুর মায়ের হাসি, এই হাসি টা ভালোবাসি। মা আছে যার এই জগতে, শোকর গুজার দিনে রাতে। খোদার
জীবন নিয়ে শিক্ষনীয় গল্প
গল্প: ০১ এক জঙ্গলে দিব্যজ্ঞান নামে এক গাধা বাস করত। গাধাটি সবার সামনে দিয়ে এমন ভাবে হেঁটে যেত যেন মনে
গল্প; দৃষ্টি
শুভাশীষ দে সবে হাল্কা ঘুমটা এসেছিল। হঠাৎ করে কার গায়ের সঙ্গে ধাক্কা লেগে যেন ঘুমটা ভেঙে গেল। ‘আরে এ কি!




















