শিরোনাম :
মোহন্ত কাবেরীর একগুচ্ছ কবিতা
প্রতিদান জান তো আমি কবি দুঃখ যদি দাও আমায় দেহ মন আর রঙিন জামায় এঁকে দেব দুঃখের ছবি জান তো
বাঙালির মনস্তত্বে আদিবাসী
হায়াৎ মামুদ ১. ‘সংখ্যাগরিষ্ঠের দৌরাত্ম্যে’ বা এ-জাতীয় কোনো ভাবনা বোঝাতে কোনো নৃবিজ্ঞানী বা সমাজবিজ্ঞানী কোনো টার্মিনোলজি ব্যবহার করেছেন কিনা আমার
নদী, নক্ষত্রের স্বভাব
জিয়া সাঈদ শৃঙ্গ থেকে তোমার চোখ, আহরণ ঝোঁক সরাতে বলি না হে আত্মজ শুধু উৎসের ঋণ, ঋদ্ধিপর্ব স্মরণে রাখতে বলি
শুধু মৃত্যুগুলো
জিয়া সাঈদ ভস্ম থেকে উঠে আবার ফিনিক্সের গল্প বলবে এ-শহর এই যে ভাঙ্গা ভাঙ্গা ফটক এখানে ওখানে ছাই সারি সারি
গল্প, “ভালোবাসার আবির”
খেতে বসে ভাতের থালায় মাঝে মধ্যেই চুল পাওয়াটা আমার অভ্যাস হয়ে গেছে। যেদিন খেতে বসে ভাতের থালায় কালো চুলের বদলে
আষাঢ়
রেজাউল করিম রোমেল আষাঢ় মাসে বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর বৃষ্টি পড়ে, ঝর-ঝর-ঝর কল কলিয়ে বৃষ্টি পড়ে। নদীর ঘাটে, খালে বিলে,
কিস্তিতে ঘুষ
মাহফুজ রেজা ঘুষ তাও কিস্তিতে কি যমানা এলো রে, ধরা পরে একুল টা এক্কেবারে গেলো রে। ও কুলে তে কি
তবু সাধ তবু মায়া
জিয়া সাঈদ ঘুম ভেঙে গেলে ঘুম আসে না আর আগের মতো ক্ষয়কাল এসে ছেঁকে ধরে খেদ খুঁত ভ্রান্তিগুলি ফুঁড়ে ফুঁড়ে
গল্প; মা
আলোরানি সারা বাড়ি জুড়ে আজ অন্ধকার নেমে এসেছে। তবে অন্ধকারটা শুধু ক্ষণিকের জন্য নয়, হয়তো এটা দীর্ঘস্থায়ী। হ্যাঁ প্রিয়ার জীবনে
জঞ্জাল
মাহফুজ রেজা সমাজ টা তে ঘুন ধরেছে বাড়ছে অনেক জঞ্জাল, আমজনতা দিশেহারা কি করবে, পায় না তাল। ক্ষমতাসীন পেশীর জোরে



















