Dhaka ১১:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাজ শেষ না করেই তুলে নেয়া হয়েছে অর্থ বাগেরহাটে মৎস্য আড়ত নির্মাণে ‘পুকুরচুরি’র অভিযোগ

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:১০:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৪ Time View

বাগেরহাট প্রতিনিধি:বাগেরহাট সদর উপজেলার কররী সিঅ্যান্ডবি বাজারে মৎস্য আড়ত নির্মাণ প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ টাকার এই প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই মৎস্য বিভাগ, ঠিকাদার ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির যোগসাজশে বিপুল পরিমাণ অর্থ তুলে নেওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ীরা। ফলে মৎস্য ব্যবসায়ীদের উন্নয়নের লক্ষ্যে নেওয়া এই প্রকল্প থেকে সুফল পাচ্ছেন না তারা। এদিকে অনিয়মের দায় এড়াতে মৎস্য বিভাগ ও প্রকল্প কমিটি একে অপরের ওপর দোষ চাপাচ্ছে।

জানা গেছে, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধিনে “টেকসই উপকূলীয় ও সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন” প্রকল্পের আওতায় আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা, আরসিসি সড়ক, পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন সুবিধাসহ একটি আধুনিক মৎস্য আড়ত গড়ে তোলার কথা ছিল। কিন্তু স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, ডিজাইন অনুযায়ী কাজ হয়নি, অনেক অংশ অসম্পূর্ণ এবং যেখানে কাজ হয়েছে সেখানেও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে।

স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী মো. বেল্লাল হোসেন বলেন, “আমরা ভালো একটা আড়ত পাবো ভেবেছিলাম। কিন্তু শুরু থেকেই আমাদের কিছু বুঝতে দেয়া হয়নি। মৎস্য বিভাগ ও প্রকল্প কমিটির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে। এখনও তারা নানা ভাবে ক্ষমতা প্রয়োগের চেষ্টা করে যাচ্ছে। আমরা চাই, সঠিক ভাবে তদন্ত করা হোক।

ব্যবসায়ী একরাম হোসেন বলেন, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করে দায়সারা কাজ করা হয়েছে। কাজের মান নিয়ে বারবার আপত্তি জানালেও কোনো প্রতিকার মেলেনি। এখন দেখি টাকা সব টাকা তুলে নিয়েছে ঠিকাদার, কাজ শেষ করেনি।

মো. শহিদ বলেন, ড্রেন নির্মান থেকে শুরু করে এমন কোন স্থান নেই যেখানে সঠিক কাজ হয়েছে। যতটুকু কাজ হয়েছে তা দুই নম্বর ছাড়া কিছু নয়। বৃষ্টি হলে, বাইরের আগে আড়তে পড়ে। প্রায় পৌনে দুই কোটি টাকার কি কাজ হলো তা আমরা হিসাব মিলাতে পারছি না।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি, ঠিকাদার ও মৎস্য বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে পুরো প্রকল্পে ‘হর%

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

কাজ শেষ না করেই তুলে নেয়া হয়েছে অর্থ বাগেরহাটে মৎস্য আড়ত নির্মাণে ‘পুকুরচুরি’র অভিযোগ

Update Time : ১২:১০:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

বাগেরহাট প্রতিনিধি:বাগেরহাট সদর উপজেলার কররী সিঅ্যান্ডবি বাজারে মৎস্য আড়ত নির্মাণ প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ টাকার এই প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই মৎস্য বিভাগ, ঠিকাদার ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির যোগসাজশে বিপুল পরিমাণ অর্থ তুলে নেওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ীরা। ফলে মৎস্য ব্যবসায়ীদের উন্নয়নের লক্ষ্যে নেওয়া এই প্রকল্প থেকে সুফল পাচ্ছেন না তারা। এদিকে অনিয়মের দায় এড়াতে মৎস্য বিভাগ ও প্রকল্প কমিটি একে অপরের ওপর দোষ চাপাচ্ছে।

জানা গেছে, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধিনে “টেকসই উপকূলীয় ও সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন” প্রকল্পের আওতায় আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা, আরসিসি সড়ক, পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন সুবিধাসহ একটি আধুনিক মৎস্য আড়ত গড়ে তোলার কথা ছিল। কিন্তু স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, ডিজাইন অনুযায়ী কাজ হয়নি, অনেক অংশ অসম্পূর্ণ এবং যেখানে কাজ হয়েছে সেখানেও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে।

স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী মো. বেল্লাল হোসেন বলেন, “আমরা ভালো একটা আড়ত পাবো ভেবেছিলাম। কিন্তু শুরু থেকেই আমাদের কিছু বুঝতে দেয়া হয়নি। মৎস্য বিভাগ ও প্রকল্প কমিটির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে। এখনও তারা নানা ভাবে ক্ষমতা প্রয়োগের চেষ্টা করে যাচ্ছে। আমরা চাই, সঠিক ভাবে তদন্ত করা হোক।

ব্যবসায়ী একরাম হোসেন বলেন, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করে দায়সারা কাজ করা হয়েছে। কাজের মান নিয়ে বারবার আপত্তি জানালেও কোনো প্রতিকার মেলেনি। এখন দেখি টাকা সব টাকা তুলে নিয়েছে ঠিকাদার, কাজ শেষ করেনি।

মো. শহিদ বলেন, ড্রেন নির্মান থেকে শুরু করে এমন কোন স্থান নেই যেখানে সঠিক কাজ হয়েছে। যতটুকু কাজ হয়েছে তা দুই নম্বর ছাড়া কিছু নয়। বৃষ্টি হলে, বাইরের আগে আড়তে পড়ে। প্রায় পৌনে দুই কোটি টাকার কি কাজ হলো তা আমরা হিসাব মিলাতে পারছি না।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি, ঠিকাদার ও মৎস্য বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে পুরো প্রকল্পে ‘হর%