সর্বশেষ :
সৌদি মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের, আহত ১২ সেনা ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র এপ্রিলের প্রথম থেকেই পেট্রোল রপ্তানি বন্ধ করছে রাশিয়া নেপালে নতুন সরকারের শপথের পরদিনই সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্রেপ্তার জ্বালানি তেলে কেলেঙ্কারি রুখতে ডিপোতে বিজিবি মোতায়েন রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফিরলেও পদ্মার বাসডুবি থেকে রক্ষা পায়নি নাসিমা সকল পেট্রোল পাম্পে ট্যাগ অফিসার নিয়োগের সিদ্ধান্ত সরকারের রোববার পুরোদমে খুলছে অফিস, রাজধানীমুখী উপচেপড়া ভিড় জীবিত অবস্থায় মেজবান দেখে গেলেন শতবর্ষী জহিরুল্লাহ কুতুবদিয়ায় ৭ হাজার মানুষের অংশগ্রহণে ব্যতিক্রমী আয়োজন করলেন চেয়ারম্যান হালিম গভীর রাতে অগ্নিসংযোগে দুই ঘর ভস্মীভূত, ক্ষতি প্রায় ২৫ লাখ টাকা
শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ০৫:২৬ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

সৌদি মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের, আহত ১২ সেনা

প্রতিনিধি: / ৪৫ দেখেছেন:
পাবলিশ: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬

সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান ঘাঁটি প্রিন্স সুলতান এয়ার বেইসে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে মোট ১২ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন এবং তাদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

এক প্রতিবেদনে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল (ডব্লিউএসজে) গতকাল শুক্রবার এ হামলা ঘটেছে বলে জানানয়। মার্কিন সেনা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে সেই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানি ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে প্রিন্স সুলতান এয়ার বেইসের বেশ কয়েকটি রি-ফুয়েলিং বিমানও বিধ্বস্ত হয়েছে।

হোয়াইট হাউসের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবে ২ হাজার ৩২১ জন মার্কিন সৈন্য রয়েছে। তারা সৌদি সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনা এবং মার্কিন সামরিক বিমানের কার্যক্রমে সহায়তা দেয়। রিয়াদের প্রায় ৬০ কিলোমিটার দক্ষিণে প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে কিছু সৈন্য মোতায়েন রয়েছে, যারা প্যাট্রিয়ট মিসাইল ব্যাটারি এবং থাড প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মতো সরঞ্জাম পরিচালনা করে।

ইরানের পরমাণু প্রকল্প এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি গত দু’যুগ ধরে দেশটির সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছে পশ্চিমা বিশ্বের। এ দুই ইস্যুতে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের অভিযানের প্রথম দিনই নিহত হন খামেনিসহ ইরানের সামরিক ও সরকারি প্রশাসনের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা।

সমানতালে হামলার পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরানও। যুদ্ধের শুরু থেকেই ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটি ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা শুরু করে ইরান, যা এখনও চলছে।


এই বিভাগের আরো খবর