বাগেরহাটে জামানত হারালেন ইসলামী আন্দোলনের ৩জনসহ ১৪ পার্থী
প্রতিনিধি:
/ ১
দেখেছেন:
পাবলিশ:
রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
শেয়ার করুন
বাগেরহাট প্রতিবেদকঃ বাগেরহাটের চারটি আসনে এবার ২৩ জন প্রার্থী নির্বাচন করেছিলেন। আরপিও অনুযায়ী মোট বৈধ ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশ না পেয়ে ১৪ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন।চারটি আসনে জামায়াত-বিএনপি ও একজন স্বতন্ত্র পার্থী ছাড়া সকলের জামানত সরকারের কোষাগারে জমা হবে। সংখ্যার দিক দিয়ে অর্ধেকের বেশি এবং শতাংশের হিসেবে ৬০ দশমিক ৮৬ শতাংশ প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন।
এর মধ্যে বাগেরহাট-১ আসনে ৬জন, বাগেরহাট-২ আসনে ১ জন, বাগেরহাট-৩ আসনে ৩ জন এবং বাগেরহাট-৪ আসনে ৪ জন জামানত হারিয়েছেন।
বাগেরহাট-১ আসনে মোট বৈধ পড়েছে ২ লক্ষ ৪৪ হাজার ৮৭১টি। এই আসনে ৮জন প্রার্থীর মধ্যে ৬জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। এরা হলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা এমএএইচ সেলিম (ঘোড়া ৫ হাজার ২৮৩ ভোট), বিএনপির আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী মাসুদ রানা (ফুটবল৬ হাজার ৪৬৭), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ-বিএমএল‘র আঃ সবুর শেখ (হাত-পাঞ্জা-১৬৭ ভোট), বাংলাদেশ মুসলিম লীগের এমডি শামসুল হক (হারিকেন-২৪২ভোট), আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি)‘র মোঃ আমিনুল ইসলাম (ঈগল ২৯১ ভোট) ও জাতীয় পার্টির স,ম, গোলাম সরোয়ার (লাঙ্গল প্রতীক ৫৭১ ভোট)।
বাগেরহাট-২ আসনে চারজন প্রার্থীর মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী এ্যাড. আতিয়ার রহমান (হাতপাখা ৩ হাজার ৩১৩ ভোট) পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। এই আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছিল ২ লক্ষ ৩৭ হাজার ৩৯৬।
অন্যদিকে বাগেরহাট-৩ আসনে ৫জন প্রার্থীর মধ্যে মধ্যে তিনজন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। এরা হলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা এম এ এইচ সেলিম (ঘোড়া ৪২৫ ভোট), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী শেখ জিল্লুর রহমান(হাতপাখা ৩ হাজার ৬৪০) ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি‘র মোঃ হাবিবুর রহমান মাস্টার (তারা ৩৪৯ ভোট)। এই আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছিল ১ লক্ষ ৯০ হাজার ৬২৫।
এছাড়া বাগেরহাট-৪ আসনে ৬জন প্রার্থীর মধ্যে ৪জনই জামানত হারিয়েছেন। এরা হলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা কাজী খায়রুজ্জামান শিপন (হরিণ ২২৯ ভোট)। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোঃ ওমর ফারুক (হাতপাখা ৮ হাজার ৫০১ ভোট), জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাজন কুমার মিস্ত্রি (লাঙ্গল ১ হাজার ১৪৭ ভোট, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি‘র মোঃ আঃ লতিফ খান (তারা ৩১৫ ভোট)।
এর মধ্যে কাজী খায়রুজ্জামান শিপন প্রচার-প্রচারণা শেষে ১০ ফেব্রুয়ারি সংবাদ সম্মেলন নিজের ও দলীয় কর্মীদের জীবনের শঙ্কার কথা জানিয়ে নিজের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দীতা না করার ঘোষনা দিয়েছিলেন।
বাগেরহাট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবু আনছার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।