এদিকে প্রতীক পেয়ে বুধবার বিকেলে নব্বইরশী বাসষ্ট্রান্ডে এক প্রতিক্রিয়া বাগেরহাট-৪, (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি কাজী খায়রুজ্জামান শিপন বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বিএনপির আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে ছিলাম, মানুষের সামাজিক আত্মনির্ভরশীর যে কোন কাজে গণমানুষের পাশে ছিলাম, এখনও রয়েছি। উপকূলীয় মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা এ জনপদে মানুষের উন্নয়নের জন্য নিজেকে নিবেদিত করতে চাই। আগামি ১২ ফেব্রæয়ারি তার হরিণ প্রতীকে ভোট দিয়ে বিজয় করার অহŸান জানান।
একই দিনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সোমনাথ দে জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে মতবিনিয়কালে এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, মুক্তিযোদ্ধার চেতনায় আগামীর বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে এদেশের উন্নয়নে সকলে এক হয়ে কাজ করতে হবে। তিনি সকলের প্রতি ধানের শীষ প্রতিকে ভোট দিয়ে বিজয় করার আহŸান জানান।
এ আসনে অন্য প্রার্থীরা হলেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সোমনাথ দে (ধানের শীষ), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অধ্যক্ষ আব্দুল আলীম (দাড়ি পাল্লা), স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী খায়রুজ্জামান শিপন (হরিণ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ওমর ফারুক নূরী (হাত পাখা), জাতীয় পার্টির (জাপা) সাজন কুমার মিস্ত্রী (নাঙ্গল), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফ খান ( উদিয়মান সুর্য)।