সর্বশেষ :
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে পড়েছে ইসরায়েল

প্রতিনিধি: / ৫৯ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬

বিদেশ: বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে ইসরায়েল। দেশটিতে হাজার হাজার মানুষ এ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। তারা গাজায় নিহত শেষ ইসরায়েলি জিম্মি রান গিভিলির দেহাবশেষ দ্রুত ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামীদের সংগঠন হামাসের নেতৃত্বে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার ব্যর্থতা তদন্তে একটি রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠনের দাবিও জানানো হয়েছে। গতকাল রোববার টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গিভিলি পরিবারের নিজ শহর মেইতারে একটি বিদ্যালয়ে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় তার বাবা-মা ইৎজিক ও তালিক গিভিলি এক যৌথ বিবৃতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সমালোচনা করেন। তাদের অভিযোগ, গাজায় যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপে অগ্রসর হওয়া ও যুদ্ধোত্তর গাজা ব্যবস্থাপনায় ‘বোর্ড অব পিস’ গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু চুক্তির প্রথম ধাপেই হামাসের সব জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার কথা ছিল। বিবৃতিতে তারা বলেন, আমরা যখন আমাদের ছেলের ফেরার অপেক্ষায় আছি, তখনই দ্বিতীয় ধাপের জন্য একটি শান্তি বোর্ড গড়া হচ্ছে। দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে ভাবারই বা সময় কীভাবে আসে? কোন শান্তির কথা বলা হচ্ছে, যখন ইসরায়েলে ও মধ্যস্ততাকারীদের প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও তারা চুক্তি অনুযায়ী আমাদের ছেলেকে ফেরত দিচ্ছে না? মেইতারের সমাবেশে ইৎজিক গিভিলি বলেন, ৭ অক্টোবর এবং তার সারা জীবনজুড়ে রান সব বিভাজনের ঊর্ধ্বে মানুষকে একত্র করেছে। আজ ডান-বাম নির্বিশেষে সবাই এখানে একসঙ্গে দাঁড়িয়েছে। এটাই রানের পরিচয় এবং সে যে দেশের স্বপ্ন দেখেছিল তার প্রতিচ্ছবি। যত্ন, সংযোগ ও ভালোবাসার ওপর দাঁড়ানো একটি দেশ। এদিকে, তেল আবিবের হাবিমা স্কয়ারে সাপ্তাহিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভে হাজারো মানুষ জড়ো হন। বিক্ষোভকারীরা ৭ অক্টোবরের ঘটনার বিষয়ে রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠনে সরকারের অস্বীকৃতির প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে বিচারব্যবস্থাকে দুর্বল করার অভিযোগে সরকারের বিচারিক সংস্কার এজেন্ডার বিরুদ্ধেও স্লোগান ওঠে। সমাবেশে সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও আইডিএফ প্রধান মোশে ইয়ালোন সরকারকে ইরানের কর্তৃত্ববাদী শাসনের সঙ্গে তুলনা করেন। তিনি বলেন, ইসরায়েলের সামনে কোনো বাহ্যিক অস্তিত্ব সংকট নেই; সংকটটি অভ্যন্তরীণ। ধর্মান্ধ, দুর্নীতিগ্রস্ত ও সেনাসেবায় অনাগ্রহী এই সরকারই ৭ অক্টোবরের হত্যাযজ্ঞ ডেকে এনেছে এবং রাষ্ট্রের অস্তিত্বকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।


এই বিভাগের আরো খবর