সর্বশেষ :
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৫:১২ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে পেট্রল পাম্পে বোমা হামলায় আহত ৪

প্রতিনিধি: / ৬০ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬

বিদেশ : থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে গতকাল রোববার ভোরে বেশ কয়েকটি পেট্রল পাম্পে বোমা বিস্ফোরণে চার জন আহত হয়েছেন। দেশটির সেনাবাহিনী এ তথ্য জানিয়েছে। বিদ্রোহপ্রবণ এই অঞ্চলে এটি সর্বশেষ হামলার ঘটনা। ব্যাংকক থেকে বার্তাসংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে। ২০০৪ সাল থেকে চলমান সংঘাতে মুসলিম-অধ্যুষিত এই সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সহিংসতায় কয়েক হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। মালয়েশিয়া সীমান্তঘেঁষা এই এলাকায় বিদ্রোহীরা অধিক স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, গতকাল রোববার মধ্যরাতের পর ৪০ মিনিটের মধ্যে একাধিক বোমা বিস্ফোরিত হয়। এতে থাইল্যান্ডের তিনটি দক্ষিণতম প্রদেশ— নারাথিওয়াত, পাত্তানি ও ইয়ালায় মোট ১১টি পেট্রল পাম্পে আগুন ধরে যায়। কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো গ্রেফতারের ঘোষণা দেয়নি। এই হামলাগুলোর পেছনে কারা জড়িত, তাও জানানো হয়নি। নারাথিওয়াতের গভর্নর বুনচাই হোমইয়ামইয়েন স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ঘটনাগুলো প্রায় একই সময়ে ঘটেছে। অজ্ঞাত কিছু সংখ্যক লোক এসে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে জ্বালানি পাম্পগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’ তিনি আরও বলেন, প্রদেশটিতে এক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। সেনাবাহিনী জানায়, পাত্তানি প্রদেশে এক দমকল কর্মী ও দুটি পেট্রল পাম্পের কর্মচারী আহত হয়েছেন। থাই সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র এএফপিকে বলেন, আহত চার জনকেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের কারো অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়। থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল সাংবাদিকদের বলেন, নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর ধারণা, গতকাল রোববার অনুষ্ঠিত স্থানীয় প্রশাসক নির্বাচনের সময়ের সঙ্গে মিল রেখে এই হামলাগুলো একটি ‘সংকেত’ হিসেবে চালানো হয়েছে। তার ভাষায়, এগুলো ‘বিদ্রোহমূলক হামলা নয়।’ দক্ষিণাঞ্চলে সেনাবাহিনীর কমান্ডার নারাথিপ ফয়নক সাংবাদিকদের জানান, তিনি সড়ক চেকপোস্ট ও সীমান্তসহ সব এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ‘সর্বোচ্চ পর্যায়ে’ উন্নীত করার নির্দেশ দিয়েছেন। থাইল্যান্ডের গভীর দক্ষিণ অঞ্চলটি সাংস্কৃতিকভাবে দেশের বৌদ্ধ-অধ্যুষিত বাকি অংশ থেকে আলাদা। এক শতাব্দীরও বেশি আগে অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ নেয় থাইল্যান্ড। এলাকাটি থাই নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর নজরদারিতে থাকে এবং এই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরাই সাধারণত বিদ্রোহী হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়।


এই বিভাগের আরো খবর