সর্বশেষ :
বাগেরহাটে বাঁধনের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ মোরেলগঞ্জে বিএনপির দোয়া অনুষ্ঠানে সোমনাথ দে ষড়যন্ত্রকারিরা দলের মধ্যে যেনো অনৈক্য সৃষ্টি করতে না পারে মোরেলগঞ্জে কেন্দ্রীয় তাঁতীদল নেতা কাজী মনিরের শীতবস্ত্র বিতরণ ইসরায়েলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে ইরানে একজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর ইরানে সরকারবিরোধী আন্দোলনে নিহত ৩৬: মানবাধিকার সংস্থা মধ্যবর্তী নির্বাচনে না জিতলে অভিশংসনের মুখে পড়বো: রিপাবলিকানদের ট্রাম্প তুষারপাতের কারণে প্যারিসে ১৪০টি ফ্লাইট বাতিল ফিলিপাইনে ৬.৪ মাত্রার ভূমিকম্প ইয়েমেনে সৌদি আরব নেতৃত্বাধীন জোটের হামলা এলপিজি সংকটের মধ্যে ভ্যাট কমাল সরকার
বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩১ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

নবম পে স্কেলে ৯০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির গুঞ্জন, বিভ্রান্তি কাটাতে যা জানাল পে কমিশন

প্রতিনিধি: / ৪ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৬

নবম জাতীয় বেতন স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন প্রায় ৯০ শতাংশ বাড়ছে এমন আলোচনায় সাম্প্রতিক সময়ে বেশ বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তবে জাতীয় বেতন কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, বেতন বৃদ্ধির হার বা গ্রেড কাঠামো নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। কমিশনের ভাষ্য অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু মহলে ছড়িয়ে পড়া ৯০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির তথ্য সঠিক নয়।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাতে কমিশনের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, নবম পে স্কেলে বেতন কত শতাংশ বাড়বে বা গ্রেড সংখ্যা কত হবে, এসব বিষয়ে এখনো ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেননি কমিশনের সদস্যরা। সে কারণে সরকারের কাছে চূড়ান্ত সুপারিশও জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কমিশনের এক সদস্য একটি গণমাধ্যমকে বলেন, “বেতন বৃদ্ধির হার, গ্রেড সংখ্যা এবং সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতন নিয়ে সদস্যদের মধ্যে এখনো মতপার্থক্য রয়েছে। তাই ৯০ শতাংশ বৃদ্ধি বা নির্দিষ্ট গ্রেড কাঠামোর খবরকে গুজব হিসেবেই দেখা উচিত।”

এই অবস্থার মধ্যেই নবম পে স্কেল নিয়ে স্থগিত থাকা পূর্ণ কমিশনের সভার নতুন তারিখ চূড়ান্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় সচিবালয়ে কমিশনের সভাকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। কমিশনের এক সদস্য জানিয়েছেন, ওই সভায় গ্রেড সংখ্যা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্তের কাছাকাছি পৌঁছানোর চেষ্টা করা হবে।

পে কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামো নিয়ে একাধিক বিকল্প বিবেচনায় রয়েছে। কমিশনের একটি অংশ বিদ্যমান ২০টি গ্রেড অপরিবর্তিত রেখে বেতন ও ভাতা বাড়ানোর পক্ষে। অন্য একটি অংশ মনে করছে, গ্রেড সংখ্যা কমিয়ে ১৬টি করা হলে কাঠামো আরও বাস্তবসম্মত হবে। আবার আরেকটি অংশ ১৪টি গ্রেডের প্রস্তাবও সামনে এনেছে। এসব প্রস্তাব নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা চলছে।

এর মধ্যে কিছু সূত্রে দাবি করা হয়েছে, কমিশনের সুপারিশ প্রায় চূড়ান্ত এবং গ্রেডভেদে বেতন বৃদ্ধির হার উল্লেখযোগ্য হতে পারে। তবে কমিশন বলছে, এখনো কোনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি এবং শিক্ষকদের জন্য আলাদা বেতন কাঠামোসহ বিভিন্ন ভাতা পুনর্বিবেচনার বিষয়গুলোও আলোচনার টেবিলেই রয়েছে।

কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য নবম পে স্কেল প্রণয়নই তাদের লক্ষ্য। প্রয়োজনীয় বিষয়ে ঐকমত্য হলেই সরকারের কাছে চূড়ান্ত সুপারিশ জমা দেওয়া হবে। তার আগে কোনো নির্দিষ্ট শতাংশ বা কাঠামো নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়।


এই বিভাগের আরো খবর