এই নির্বাচনে বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ১৬ হাজার ৫০০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ভোটগ্রহণ ৩৯টি কেন্দ্রের ১৭৮টি বুথে অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি হল সংসদের জন্য ১ হাজার ২৪২ জন শিক্ষার্থী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। নির্ধারিত সময়ে কেন্দ্রে লাইনে থাকা শিক্ষার্থীরা সকলেই তাদের ভোট দিতে সক্ষম হয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনার ড. জুলফিকার মাহমুদ বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, “বিকেল ৩টা পর্যন্ত ৬০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। তবে সব কেন্দ্রের ফলাফল সমন্বয় করার পর চূড়ান্ত তথ্য জানা যাবে।” তিনি আরও যোগ করেন, নির্ধারিত সময়ের পর নতুন ভোটারকে লাইনে দাঁড়ানোর সুযোগ দেওয়া হয়নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম বলেন, “নির্বাচন স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ হয়েছে। কোনো ধরনের অনিয়ম ধরা পড়েনি।” ভূগোল ও পরিবেশ বিদ্যা বিভাগের রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. সৈয়দা ইশরাত নাজিয়া বলেন, “৬০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। কেন্দ্রে কোনও ধরনের অভিযোগ পাওয়া যায়নি, যা শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের প্রতিফলন।”
জকসুর বিভিন্ন পদে মোট ৫৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। শিক্ষার্থী প্রতিনিধি হিসেবে মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র সম্পাদক, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক, আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক, আন্তর্জাতিক সম্পাদক, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক, ক্রীড়া সম্পাদক, পরিবহন সম্পাদক, সমাজসেবা ও শিক্ষার্থী কল্যাণ সম্পাদক এবং পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক পদে ভোট নেওয়া হয়।
ছাত্রী হল সংসদের ১৩টি পদের জন্যও বিভিন্ন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সহ-সাধারণ সম্পাদক, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক, সংস্কৃতি সম্পাদক, পাঠাগার সম্পাদক, ক্রীড়া সম্পাদক, সমাজসেবা ও শিক্ষার্থী কল্যাণ সম্পাদক এবং স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক পদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নির্বাচনের পরিবেশ সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থী নেতারা। নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক মোতায়েন ছিল। ভোট গণনার জন্য কেন্দ্রগুলোতে ব্যালট বাক্স সংগ্রহ শুরু হয়েছে, এবং খুব শীঘ্রই ফলাফল ঘোষণা করা হবে।