সর্বশেষ :
নবম পে-স্কেলের গেজেট জারির দাবিতে পাইকগাছায় সরকারি কর্মকর্তাদের অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত  পাইকগাছায় তীব্র শীত উপেক্ষা করে বোরো ধানের চারা রোপনে ব্যস্ত চাষিরা ন্যায় ভিত্তিক সমাজ ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে জামাত ইসলামের  বিকল্প নেই – শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ কঙ্গোতে খনি ধসে নিহত দুই শতাধিক, আটকে আছেন আরও অনেকে পাকিস্তানে একযোগে ১২ স্থানে হামলা, নিহত অন্তত ৫৮ পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর ১৫ সদস্যসহ নিহত ১২৫ লুটের অস্ত্র উদ্ধার না হলেও নির্বাচন বাধাগ্রস্ত হবে না, দাবি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার এনবিআর আমদানি তথ্য উন্মুক্ত করল সঞ্চয়পত্রে পাঁচ লাখ পর্যন্ত মুনাফায় উৎসে কর ৫ শতাংশই ঢাকা-১১: নাহিদের রিট খারিজ, বিএনপির এম এ কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

বিয়ের পরও ধর্ষণ মামলা থেকে রেহাই পাচ্ছেন না নোবেল

প্রতিনিধি: / ৩৫ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

বিনোদন:ইডেন কলেজের এক ছাত্রীকে বাসায় আটকে রেখে ধর্ষণ করার অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় গায়ক নোবেলের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। গত ২৯ নভেম্বর ডেমরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মুরাদ হোসেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে এই অভিযোগপত্র দাখিল করেন। গতকাল সোমবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) ইলামনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আগামী ২৮ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্রটি উপস্থাপন করা হবে। পরে এ সংক্রান্ত মামলা বিচারের জন্য নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হবে। নোবেলের আইনজীবী মোসতাক আহমেদ জানান, এই ধর্ষণ মামলার বাদীকে নোবেল বিয়ে করেছেন। বর্তমানে তারা সংসারও করছেন। গত ১৯ মে নোবেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, নির্যাতন ও পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা করেন ইডেন কলেজের ওই ছাত্রী। নোবেলকে গ্রেফতার করার পর কারাগারে পাঠানো হলে বিয়ের শর্তে তিনি জামিন পান। গত ১৯ জুন ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে বসে ১০ লাখ টাকা দেনমোহরে নোবেল ওই ছাত্রীকে বিয়ে করেন। এই মামলায় অভিযোগ করা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই ছাত্রীর সঙ্গে নোবেলের পরিচয় হয় এবং এরপর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১২ নভেম্বর নোবেল তার স্টুডিও দেখানোর কথা বলে ছাত্রীকে ডেমরার বাসায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে আটকে রাখেন, মোবাইল ফোন ও টাকা কেড়ে নেন। এরপর তাঁকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করেন। কথামতো না চললে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয়ও দেখান। আরও অভিযোগ করা হয়, ওই তরুণীকে ছয় মাস ধরে ডেমরার ওই বাসায় আটকে রাখা হয় এবং প্রায়ই মারধর করা হতো। দু-তিন জনের সহায়তায় নোবেল বাদীকে চুল ধরে টেনেহিঁচড়ে একটি কক্ষে আটকে রাখেন। ওই ঘটনার ভিডিও ছড়ালে বাদীর বাবা-মা তাকে চিনতে পারেন। এরপর পরিবার পুলিশের সহায়তায় তাকে ১৯ মে উদ্ধার করে এবং পুলিশ নোবেলকে গ্রেফতার করে। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, নোবেল বাদীকে আটক রেখে ধর্ষণ করেন এবং ধর্ষণের ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে রাখেন। বাসায় না থাকলে ধর্ষণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। নোবেল নেশাগ্রস্ত অবস্থায় বিভিন্ন সময় তাকে মারপিট করেছেন। অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, বাদীর অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। আসামি নোবেল বর্তমানে জামিনে আছেন। তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগপত্রে আরও বলেছেন, বাদীকে মারধর ও ধর্ষণে আসামিকে আরও কয়েকজন সহযোগিতা করেছেন। তবে তাদের নাম-ঠিকানা উদ্ঘাটন করা সম্ভব হয়নি। অদূর ভবিষ্যতে তাদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ করা সম্ভব হলে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেওয়া হবে। উল্লেখ, নোবেলের আইনজীবী বলেছেন, যেহেতু নোবেল মামলার বাদীকে বিয়ে করে সংসার করছেন, তাই এই অভিযোগপত্রে নোবেলের কোনো সমস্যা হবে না। বিচারিক ট্রাইব্যুনালে বাদী আপসনামা দেওয়ার পর মামলা নিষ্পত্তি হবে এবং নোবেল খালাস পাবেন।


এই বিভাগের আরো খবর