Dhaka ১২:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বরিশাল বিভাগীয় কৃষি উদ্ভাবনী মেলা ২০২৪ এ অংশগ্রহণ করে ইন্দুরকানী উপজেলার দ্বিতিয় স্থান অধিকার!

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:২৭:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০২৪
  • ৪৩২ Time View

আবুল কালাম,ইন্দুরকানী(পিরোজপুর)প্রতিনিধিঃ বরিশাল বিভাগীয় উদ্ভাবনী মেলা ২০২৪ এ অংশগ্রহণ করে দ্বিতিয়
স্থান অধিকার ইন্দুরকানী উপজেলা কৃষি বিভাগ। বরিশাল বিভাগের ৪২ উপজেলার ৩৮ টি প্রজেক্ট ২৪ টি স্টলে অংশগ্রহন করে এতে ইন্দুরকানী উপজেলা দুইটি প্রজেক্ট নিয়ে অংশগ্রহন করে দুইটিতেই ২য় স্থান অধিকার করে। মেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে
উপস্থিত থেকে পুরুস্কার বিতরণ করেন গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের জন প্রশাসন বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. সুবাশ চন্দ্র
বিশ্বাস। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের এই বিজয়ে উপজেলার সকল অফিসার বৃন্দ সম্মিলিত ভাবে অভিন্দন জানিয়েছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামরুন নেসা সুমি সহ সকলকে।
কৃষি অফিস সুত্রে জানাযায় বিভাগীয় ইনোভেশন শোকেজিং এ অংশগ্রহণ করে ইন্দুরকানী উপজেলা ২য় স্থান অর্জন করেছে।
ইন্দুরকানী উপজেলার উদ্ভাবনী উদ্যোগ ছিলো ( বস্তাবন্দি পদ্ধতিতে আদা ও হলুদ চাষের মাধ্যমে কৃষি বিপ্লব) এর আগে জেলা পর্যায় ইন্দুরকানী উপজেলা বস্তাবন্দি পদ্ধতিতে আদা ও হলুদ চাষের প্রথম স্থান অধিকার করে। ৩১ মার্চ বরিশাল বিভাগীয় প্রশাসনের আয়োজনে ও বিভাগীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগীতায় আশ্বিনীকুমার টাউনহলে আয়োজীত উদ্ভাবনী মেলায় বিভাগের ৬ জেলার ৪২ টি উপজেলা অংশগ্রহন করে। তার ভিতর পিরোজপুরের ইন্দুরকানী ২য় স্থান অধিকার করে। এবারের বিষয় অনাবাদি স্থায়ী পতিত জমিতে বস্তাবন্দি পদ্ধিতিতে আদা ও হলুদ চাষে বিপ্লব ।
ইন্দুরকানী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও উপজেলা কৃষিকর্মকর্তা কামরুন নেসা সুমির সার্বিক সহযোগীতায় উপজেলায়
ব্যাপক হারে ইনোভেশন শোকেজিং পদ্ধিতিতে আদা ও হলুদ চাষে প্রান্তিক চাষিদের উদ্বুদ্ধ করেছে বলে আজকে এই বিজয়।
এই বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামরুন নেসা সুমি বলেন পরিশ্রম কখনও বিফলে যায়না। আমার সকল সহকর্মিদের অভিন্দন জানাই তারা আমাকে সহযোগীতা করেছে ইনোভেশন পদ্ধিতিতে আদা ও হলুদ চাষে চাষিদের আগ্রহ বাড়াতে। বস্তাবন্দি পদ্ধিতিতে আদা হলুদ চাষে আমরা আশানুরুপ ফলাফল পেয়েছি। আর এই জন্যই আজকের এই সুনাম এই সাফল্যের অংশিদার উপজেলার সকল কৃষক, কৃষানী। তাদের ট্রেনিং দিয়ে সার বীজ দিয়ে সহযোগীতা করে এই চাষে আগ্রহ করাতে পেরেছি। এ জন্য সকলকে ধন্যবাদ।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

বরিশাল বিভাগীয় কৃষি উদ্ভাবনী মেলা ২০২৪ এ অংশগ্রহণ করে ইন্দুরকানী উপজেলার দ্বিতিয় স্থান অধিকার!

Update Time : ০৮:২৭:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০২৪

আবুল কালাম,ইন্দুরকানী(পিরোজপুর)প্রতিনিধিঃ বরিশাল বিভাগীয় উদ্ভাবনী মেলা ২০২৪ এ অংশগ্রহণ করে দ্বিতিয়
স্থান অধিকার ইন্দুরকানী উপজেলা কৃষি বিভাগ। বরিশাল বিভাগের ৪২ উপজেলার ৩৮ টি প্রজেক্ট ২৪ টি স্টলে অংশগ্রহন করে এতে ইন্দুরকানী উপজেলা দুইটি প্রজেক্ট নিয়ে অংশগ্রহন করে দুইটিতেই ২য় স্থান অধিকার করে। মেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে
উপস্থিত থেকে পুরুস্কার বিতরণ করেন গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের জন প্রশাসন বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. সুবাশ চন্দ্র
বিশ্বাস। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের এই বিজয়ে উপজেলার সকল অফিসার বৃন্দ সম্মিলিত ভাবে অভিন্দন জানিয়েছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামরুন নেসা সুমি সহ সকলকে।
কৃষি অফিস সুত্রে জানাযায় বিভাগীয় ইনোভেশন শোকেজিং এ অংশগ্রহণ করে ইন্দুরকানী উপজেলা ২য় স্থান অর্জন করেছে।
ইন্দুরকানী উপজেলার উদ্ভাবনী উদ্যোগ ছিলো ( বস্তাবন্দি পদ্ধতিতে আদা ও হলুদ চাষের মাধ্যমে কৃষি বিপ্লব) এর আগে জেলা পর্যায় ইন্দুরকানী উপজেলা বস্তাবন্দি পদ্ধতিতে আদা ও হলুদ চাষের প্রথম স্থান অধিকার করে। ৩১ মার্চ বরিশাল বিভাগীয় প্রশাসনের আয়োজনে ও বিভাগীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগীতায় আশ্বিনীকুমার টাউনহলে আয়োজীত উদ্ভাবনী মেলায় বিভাগের ৬ জেলার ৪২ টি উপজেলা অংশগ্রহন করে। তার ভিতর পিরোজপুরের ইন্দুরকানী ২য় স্থান অধিকার করে। এবারের বিষয় অনাবাদি স্থায়ী পতিত জমিতে বস্তাবন্দি পদ্ধিতিতে আদা ও হলুদ চাষে বিপ্লব ।
ইন্দুরকানী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও উপজেলা কৃষিকর্মকর্তা কামরুন নেসা সুমির সার্বিক সহযোগীতায় উপজেলায়
ব্যাপক হারে ইনোভেশন শোকেজিং পদ্ধিতিতে আদা ও হলুদ চাষে প্রান্তিক চাষিদের উদ্বুদ্ধ করেছে বলে আজকে এই বিজয়।
এই বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামরুন নেসা সুমি বলেন পরিশ্রম কখনও বিফলে যায়না। আমার সকল সহকর্মিদের অভিন্দন জানাই তারা আমাকে সহযোগীতা করেছে ইনোভেশন পদ্ধিতিতে আদা ও হলুদ চাষে চাষিদের আগ্রহ বাড়াতে। বস্তাবন্দি পদ্ধিতিতে আদা হলুদ চাষে আমরা আশানুরুপ ফলাফল পেয়েছি। আর এই জন্যই আজকের এই সুনাম এই সাফল্যের অংশিদার উপজেলার সকল কৃষক, কৃষানী। তাদের ট্রেনিং দিয়ে সার বীজ দিয়ে সহযোগীতা করে এই চাষে আগ্রহ করাতে পেরেছি। এ জন্য সকলকে ধন্যবাদ।