Dhaka ১২:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অভাব দূর করতে নিয়মিত পড়ুন এই ২ দোয়া

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৩৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ অগাস্ট ২০২৫
  • ২২৩ Time View

দুনিয়ার জীবনে অভাব-দারিদ্র্য এক বড় মসিবত। দারিদ্র্যের কারণে মানুষের মন ছোট হয়ে যায়। সম্মান নষ্ট হয়। দুনিয়ার কাজকর্ম যেমন ঠিকভাবে করা যায় না, শরিয়তের নির্ধারিত কর্তব্যগুলোও ঠিকভাবে পালন করা যায় না, আল্লাহর ইবাদতেও মন লাগে না। অনেক সময় দারিদ্র্য মানুষকে পাপের দিকেও ঠেলে দেয়। তাই অভাব-দারিদ্র্য থেকে মুক্ত থাকতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা উচিত। হালাল জীবিকা উপার্জনের জন্য যথাসাধ্য পরিশ্রম করা উচিত। পাশাপাশি আল্লাহ তাআলার কাছেও সাহায্য প্রার্থনা উচিত যেন তিনি আমাদের স্বচ্ছলতা দান করেন, অভাব-দারিদ্র্য দূর করেন। নবিজি (সা.) আল্লাহ তাআলার কাছে দারিদ্র্য থেকে আশ্রয় চাইতেন। আমরাও নবিজির (সা.) শেখানো ওই দোয়াগুলোর মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার কাছে দারিদ্র্য থেকে আশ্রয় চাইতে পারি।

এখানে আমরা নবিজির (সা.) ২টি দোয়া উল্লেখ করছি-
১. নবিজি (সা.) দোয়া করতেন,
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْفَقْرِ وَالْقِلَّةِ وَالذِّلَّةِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ أَنْ أَظْلِمَ أَوْ أُظْلَمَ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল-ফাকরি ওয়াল-কিল্লাতি ওয়াযযিল্লাতি ওয়া আউযুবিকা মিন আন আযলিমা আও উযলামা
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে দারিদ্র্য থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আশ্রয় প্রার্থনা করছি আপনার কম অনুকম্পা ও অসম্মান থেকে এবং আমি কারো প্রতি জুলুম করা থেকে বা নিজে জুলুমের শিকার হওয়া থেকে। (সুনানে আবু দাউদ, সুনানে নাসাঈ)

২. নবিজি (সা.) দোয়া করতেন,
‏اللَّهُمَّ رَبَّ السَّمَوَاتِ وَرَبَّ الأَرْضِ وَرَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ رَبَّنَا وَرَبَّ كُلِّ شَىْءٍ فَالِقَ الْحَبِّ وَالنَّوَى وَمُنْزِلَ التَّوْرَاةِ وَالإِنْجِيلِ وَالْفُرْقَانِ أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ كُلِّ شَىْءٍ أَنْتَ آخِذٌ بِنَاصِيَتِهِ اللَّهُمَّ أَنْتَ الأَوَّلُ فَلَيْسَ قَبْلَكَ شَىْءٌ وَأَنْتَ الآخِرُ فَلَيْسَ بَعْدَكَ شَىْءٌ وَأَنْتَ الظَّاهِرُ فَلَيْسَ فَوْقَكَ شَىْءٌ وَأَنْتَ الْبَاطِنُ فَلَيْسَ دُونَكَ شَىْءٌ اقْضِ عَنَّا الدَّيْنَ وَأَغْنِنَا مِنَ الْفَقْرِ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা রাব্বিল-আরশি ওয়া রাব্বি কুল্লি শাইইন ফালিকা-ল হাব্বি ওয়ান-নাওয়া ওয়া মুনযিলাত-তাওরাতি ওয়াল-ইনজিলি ওয়া-ল ফুরকাত আউযুবিকা মিন শাররি কুল্লি শাইইন আনতা আকিযুন বিনাসিয়াতিহি আল্লাহুম্মা আনতাল-আউয়ালু ফালাইসা কাবলাকা শাইউন ওয়া আনতাল-আখিরু ফালাইসা বা’দাকা শাইউন ওয়া আনতায-যাহিরু ফালাইসা ফাওকাকা শাইউন ওয়া আনতাল-বাতিনু ফালাইসা দুনাকা শাইউন ইকযি আন্না-দাইনা ওয়া আগনিনা মিনাল-ফাকরি।
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি আকাশ, জমিন ও মহান আরশের প্রতিপালক। আমাদের প্রতিপালক ও সব কিছুর প্রতিপালক। আপনি বীজ ও উদ্ভিদের সৃষ্টিকর্তা, আপনি তাওরাত, ইনজীল ও ফুরকানের অবতীর্ণকারী। আমি আপনার কাছে এমন সব ধরণের অনিষ্ট থেকে মুক্তি চাই, আপনি যার নিয়ন্ত্রক। হে আল্লাহ! আপনিই আদি, আপনার আগে কোনো কিছু নেই এবং আপনিই অন্ত আপনার পরে কোনো কিছু নেই। আপনি প্রকাশ্য, আপনার ঊর্ধ্বে কেউ নেই। আপনিই অপ্রকাশ্য, আপনার অগোচরে কিছু নেই। আমাদের ঋণ পরিশোধ করে দিন এবং দারিদ্র্য থেকে আমাদের মুক্ত করে দিন। (সহিহ মুসলিম)

Tag :
About Author Information

Md Shibbir Ahmed

মোরেলগঞ্জে অতিরিক্ত দামে বিক্রি হচ্ছে এলপি গ্যাস

অভাব দূর করতে নিয়মিত পড়ুন এই ২ দোয়া

Update Time : ০৮:৩৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ অগাস্ট ২০২৫

দুনিয়ার জীবনে অভাব-দারিদ্র্য এক বড় মসিবত। দারিদ্র্যের কারণে মানুষের মন ছোট হয়ে যায়। সম্মান নষ্ট হয়। দুনিয়ার কাজকর্ম যেমন ঠিকভাবে করা যায় না, শরিয়তের নির্ধারিত কর্তব্যগুলোও ঠিকভাবে পালন করা যায় না, আল্লাহর ইবাদতেও মন লাগে না। অনেক সময় দারিদ্র্য মানুষকে পাপের দিকেও ঠেলে দেয়। তাই অভাব-দারিদ্র্য থেকে মুক্ত থাকতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা উচিত। হালাল জীবিকা উপার্জনের জন্য যথাসাধ্য পরিশ্রম করা উচিত। পাশাপাশি আল্লাহ তাআলার কাছেও সাহায্য প্রার্থনা উচিত যেন তিনি আমাদের স্বচ্ছলতা দান করেন, অভাব-দারিদ্র্য দূর করেন। নবিজি (সা.) আল্লাহ তাআলার কাছে দারিদ্র্য থেকে আশ্রয় চাইতেন। আমরাও নবিজির (সা.) শেখানো ওই দোয়াগুলোর মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার কাছে দারিদ্র্য থেকে আশ্রয় চাইতে পারি।

এখানে আমরা নবিজির (সা.) ২টি দোয়া উল্লেখ করছি-
১. নবিজি (সা.) দোয়া করতেন,
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْفَقْرِ وَالْقِلَّةِ وَالذِّلَّةِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ أَنْ أَظْلِمَ أَوْ أُظْلَمَ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল-ফাকরি ওয়াল-কিল্লাতি ওয়াযযিল্লাতি ওয়া আউযুবিকা মিন আন আযলিমা আও উযলামা
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে দারিদ্র্য থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আশ্রয় প্রার্থনা করছি আপনার কম অনুকম্পা ও অসম্মান থেকে এবং আমি কারো প্রতি জুলুম করা থেকে বা নিজে জুলুমের শিকার হওয়া থেকে। (সুনানে আবু দাউদ, সুনানে নাসাঈ)

২. নবিজি (সা.) দোয়া করতেন,
‏اللَّهُمَّ رَبَّ السَّمَوَاتِ وَرَبَّ الأَرْضِ وَرَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ رَبَّنَا وَرَبَّ كُلِّ شَىْءٍ فَالِقَ الْحَبِّ وَالنَّوَى وَمُنْزِلَ التَّوْرَاةِ وَالإِنْجِيلِ وَالْفُرْقَانِ أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ كُلِّ شَىْءٍ أَنْتَ آخِذٌ بِنَاصِيَتِهِ اللَّهُمَّ أَنْتَ الأَوَّلُ فَلَيْسَ قَبْلَكَ شَىْءٌ وَأَنْتَ الآخِرُ فَلَيْسَ بَعْدَكَ شَىْءٌ وَأَنْتَ الظَّاهِرُ فَلَيْسَ فَوْقَكَ شَىْءٌ وَأَنْتَ الْبَاطِنُ فَلَيْسَ دُونَكَ شَىْءٌ اقْضِ عَنَّا الدَّيْنَ وَأَغْنِنَا مِنَ الْفَقْرِ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা রাব্বিল-আরশি ওয়া রাব্বি কুল্লি শাইইন ফালিকা-ল হাব্বি ওয়ান-নাওয়া ওয়া মুনযিলাত-তাওরাতি ওয়াল-ইনজিলি ওয়া-ল ফুরকাত আউযুবিকা মিন শাররি কুল্লি শাইইন আনতা আকিযুন বিনাসিয়াতিহি আল্লাহুম্মা আনতাল-আউয়ালু ফালাইসা কাবলাকা শাইউন ওয়া আনতাল-আখিরু ফালাইসা বা’দাকা শাইউন ওয়া আনতায-যাহিরু ফালাইসা ফাওকাকা শাইউন ওয়া আনতাল-বাতিনু ফালাইসা দুনাকা শাইউন ইকযি আন্না-দাইনা ওয়া আগনিনা মিনাল-ফাকরি।
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি আকাশ, জমিন ও মহান আরশের প্রতিপালক। আমাদের প্রতিপালক ও সব কিছুর প্রতিপালক। আপনি বীজ ও উদ্ভিদের সৃষ্টিকর্তা, আপনি তাওরাত, ইনজীল ও ফুরকানের অবতীর্ণকারী। আমি আপনার কাছে এমন সব ধরণের অনিষ্ট থেকে মুক্তি চাই, আপনি যার নিয়ন্ত্রক। হে আল্লাহ! আপনিই আদি, আপনার আগে কোনো কিছু নেই এবং আপনিই অন্ত আপনার পরে কোনো কিছু নেই। আপনি প্রকাশ্য, আপনার ঊর্ধ্বে কেউ নেই। আপনিই অপ্রকাশ্য, আপনার অগোচরে কিছু নেই। আমাদের ঋণ পরিশোধ করে দিন এবং দারিদ্র্য থেকে আমাদের মুক্ত করে দিন। (সহিহ মুসলিম)