Dhaka ১১:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মঠবাড়িয়ায় প্রধান শিক্ষিকার বিরূদ্ধে শিক্ষার্থীদের সাথে অশালীন আচারণের অভিযোগ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৫২:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫
  • ২২১ Time View

পিরোজপুর প্রতিনিধিঃ  পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ১১৬ নং দক্ষিণ-পূর্ব
মিঠাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা লুৎফা বেগম শ্রেণীকক্ষে
শিক্ষার্থীদের সাথে অশালীন আচরণ করেছেন। এ ঘটনায় সুরাইয়া বেগম নামে একজন
অভিভাবক মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভিযোগটি আমলে নিয়ে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা
কর্মকর্তা গোলাম হায়দারকে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযোগ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, সুরাইয়া বেগমের চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলে
জিহাদ সহ বিভিন্ন শ্রেণিতে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের শেণীকক্ষে কারনে অকারনে অশ্লীল
ভাষায় গালমন্দ ও মারধর করেন। এমকি অভিভাবকদেরও গালমন্দ করেন। শিক্ষার্থীদের জন্ম নিয়েও
অশালীন মন—ব্য করেন প্রধান শিক্ষিকা লুৎফা বেগম।
সরেজমিনে গেলে শিক্ষার্থী জামিলা, জিহাদ, জুবায়ের, সাইম, মরিয়াম সহ অসংখ্য
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা রূঢ় আচারনের কথা তুলে ধরেন। শিক্ষকের এমন আচরণে স্থানীয়
অভিভাবকরা হতবাক হয়েছেন।
স্থাণীয় বাসিন্দা ও সমাজ সেবক মোঃ খলিলুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ওই
শিক্ষিকা স্থাণীয়দের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। আমারা আনুষ্ঠানিক ভাবে বিয়ষটি
মিমাংসার চেষ্টা করছি।
অভিযুক্ত ১১৬ নং দক্ষিণ-পূর্ব মিঠাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা
লুৎফা বেগম ঘটনার অকপটে স্বীকার করেন এবং নিঃস্বার্থ ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম হায়দার বলেন, তদন্ত
পূর্বক বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

বাগেরহাটে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মঠবাড়িয়ায় প্রধান শিক্ষিকার বিরূদ্ধে শিক্ষার্থীদের সাথে অশালীন আচারণের অভিযোগ

Update Time : ০১:৫২:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫

পিরোজপুর প্রতিনিধিঃ  পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ১১৬ নং দক্ষিণ-পূর্ব
মিঠাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা লুৎফা বেগম শ্রেণীকক্ষে
শিক্ষার্থীদের সাথে অশালীন আচরণ করেছেন। এ ঘটনায় সুরাইয়া বেগম নামে একজন
অভিভাবক মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভিযোগটি আমলে নিয়ে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা
কর্মকর্তা গোলাম হায়দারকে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযোগ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, সুরাইয়া বেগমের চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলে
জিহাদ সহ বিভিন্ন শ্রেণিতে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের শেণীকক্ষে কারনে অকারনে অশ্লীল
ভাষায় গালমন্দ ও মারধর করেন। এমকি অভিভাবকদেরও গালমন্দ করেন। শিক্ষার্থীদের জন্ম নিয়েও
অশালীন মন—ব্য করেন প্রধান শিক্ষিকা লুৎফা বেগম।
সরেজমিনে গেলে শিক্ষার্থী জামিলা, জিহাদ, জুবায়ের, সাইম, মরিয়াম সহ অসংখ্য
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা রূঢ় আচারনের কথা তুলে ধরেন। শিক্ষকের এমন আচরণে স্থানীয়
অভিভাবকরা হতবাক হয়েছেন।
স্থাণীয় বাসিন্দা ও সমাজ সেবক মোঃ খলিলুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ওই
শিক্ষিকা স্থাণীয়দের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। আমারা আনুষ্ঠানিক ভাবে বিয়ষটি
মিমাংসার চেষ্টা করছি।
অভিযুক্ত ১১৬ নং দক্ষিণ-পূর্ব মিঠাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা
লুৎফা বেগম ঘটনার অকপটে স্বীকার করেন এবং নিঃস্বার্থ ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম হায়দার বলেন, তদন্ত
পূর্বক বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।