ঢাকা ০৯:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তারাবির কিছু রাকাত ছুটে গেলে করণীয়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মার্চ ২০২৪ ৩২৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ধর্ম: ফরজ রোজা পালনের জন্য যেসব সুন্নতের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আমল করতে হয়, তার একটি হলো- তারাবি নামাজ। তারাবি নামাজের বিশেষ ফজিলত বর্ণিত হয়েছে হাদিসে। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রমজান সম্পর্কে বলতে শুনেছি, ‘যে ব্যক্তি রমজানে ঈমানের সঙ্গে সওয়াব লাভের আশায় কিয়ামে রমজান অর্থাৎ তারাবির নামাজ আদায় করবে তার পূর্ববর্তী গোনাহসমূহ মাফ করে দেওয়া হবে।’ -সহিহ বোখারি : ১৮৭৯ প্রাপ্ত বয়স্ক নারী ও পুরুষের জন্য তারাবি নামাজ আদায় করা স্ন্নুতে মোয়াক্কাদা। কোনো বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া তারাবির নামাজ ছেড়ে দেওয়া মাকরুহ। অসুস্থ ও রুগীর ওপর তারাবি জরুরি নয়, তবে কোনো কষ্ট না হলে তাদেরও পড়া মোস্তাহাব। তারাবির ইমাম প্রাপ্ত বয়স্ক ও সুস্থ মস্তিষ্ক পুরুষ হওয়া জরুরি। নাবালেগ হাফেজের পেছনে বালেগ পুরুষ-মহিলা কারও জন্যই ইক্তিদা করা বৈধ নয়। পুরুষদের মসজিদে জামাতের সঙ্গে তারাবি নামাজ আদায় করা উচিত। নারীদের জন্য কোনো মসজিদে বিশেষ ও নিরাপদ ব্যবস্থা থাকলে নারীরাও মসজিদে গিয়ে তারাবি নামাজ আদায় করতে পারবেন।তারাবির জামাতে অংশ নিতে দেরি হওয়ার কারণে যদি কারও তারাবির জামাত থেকে কিছু রাকাত ছুটে যায় তাহলে বেতরের নামাজের পর তা আদায় করে নেবে। তবে কোনো কারণে তারাবির নামাজ পুরোটাই ছুটে গেলে সম্ভব হলে এবং রাতে সময় পেলে তারাবি পড়ে নেওয়া উত্তম। কিন্তু তারাবির সময় তারাবির নামাজ পড়তে না পারলে পরবর্তীতে আর কাজা করতে হবে না। পরবর্তীতে কেউ তারাবির নামাজের কাজা পড়লে তা নফল হিসেবে গণ্য হবে। তারাবি নামাজের কাজা বলে গণ্য হবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

তারাবির কিছু রাকাত ছুটে গেলে করণীয়

আপডেট সময় : ১০:১৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মার্চ ২০২৪

ধর্ম: ফরজ রোজা পালনের জন্য যেসব সুন্নতের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আমল করতে হয়, তার একটি হলো- তারাবি নামাজ। তারাবি নামাজের বিশেষ ফজিলত বর্ণিত হয়েছে হাদিসে। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রমজান সম্পর্কে বলতে শুনেছি, ‘যে ব্যক্তি রমজানে ঈমানের সঙ্গে সওয়াব লাভের আশায় কিয়ামে রমজান অর্থাৎ তারাবির নামাজ আদায় করবে তার পূর্ববর্তী গোনাহসমূহ মাফ করে দেওয়া হবে।’ -সহিহ বোখারি : ১৮৭৯ প্রাপ্ত বয়স্ক নারী ও পুরুষের জন্য তারাবি নামাজ আদায় করা স্ন্নুতে মোয়াক্কাদা। কোনো বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া তারাবির নামাজ ছেড়ে দেওয়া মাকরুহ। অসুস্থ ও রুগীর ওপর তারাবি জরুরি নয়, তবে কোনো কষ্ট না হলে তাদেরও পড়া মোস্তাহাব। তারাবির ইমাম প্রাপ্ত বয়স্ক ও সুস্থ মস্তিষ্ক পুরুষ হওয়া জরুরি। নাবালেগ হাফেজের পেছনে বালেগ পুরুষ-মহিলা কারও জন্যই ইক্তিদা করা বৈধ নয়। পুরুষদের মসজিদে জামাতের সঙ্গে তারাবি নামাজ আদায় করা উচিত। নারীদের জন্য কোনো মসজিদে বিশেষ ও নিরাপদ ব্যবস্থা থাকলে নারীরাও মসজিদে গিয়ে তারাবি নামাজ আদায় করতে পারবেন।তারাবির জামাতে অংশ নিতে দেরি হওয়ার কারণে যদি কারও তারাবির জামাত থেকে কিছু রাকাত ছুটে যায় তাহলে বেতরের নামাজের পর তা আদায় করে নেবে। তবে কোনো কারণে তারাবির নামাজ পুরোটাই ছুটে গেলে সম্ভব হলে এবং রাতে সময় পেলে তারাবি পড়ে নেওয়া উত্তম। কিন্তু তারাবির সময় তারাবির নামাজ পড়তে না পারলে পরবর্তীতে আর কাজা করতে হবে না। পরবর্তীতে কেউ তারাবির নামাজের কাজা পড়লে তা নফল হিসেবে গণ্য হবে। তারাবি নামাজের কাজা বলে গণ্য হবে না।