Dhaka ০৩:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঋতুস্রাব চলাকালীন আজানের জবাব দেওয়া নিয়ে ইসলাম কি বলে?

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:১৫:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫
  • ১৯৭ Time View

আজানের সময় অযথা কথাবার্তা না বলে আজান শোনা ও আজানের জবাব দেওয়া অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমল। আজানের জবাব দেওয়ার পদ্ধতি হলো মুয়াজ্জিন যা বলে তা বলা, শুধু ‘হাইয়া আলাস সালাহ, হাই য়ালাস ফালাহ’ বললে এর জবাবে ‘লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ’ পড়তে হয়। নবিজি (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি দৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে মুয়াজ্জিন যা বলে তাই বলে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। (সুনানে নাসাঈ)

হজরত ওমর ইবনে খাত্তাব (রা.) থেকে বর্ণিত আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ যদি মুয়াজ্জিনের ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার’-এর জাওয়াবে ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার’ বলে, ‘আশহাদু আল্-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’-এর জওয়াবে ‘আশহাদু আল্-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলে, ‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ’-এর জওয়াবে ‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ বলে, ‘হাইয়্যা আলাস্-সলাহ’-এর জওয়াবে ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ’ বলে, ‘হাইয়্যা আলাল-ফালাহ’-এর জওয়াবে ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ’ বলে, ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার’-এর জওয়াবে ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার’ এবং ‘লা-ইলাহা ইল্লল্লাহ’-এর জওয়াবে ‘লা-ইলাহা ইল্লল্লাহ’ বলে তাহলে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।’ (সহিহ মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ)

নামাজের জামাত পুরুষদের জন্য অপরিহার্য ও নারীদের ঘরে নামাজ আদায় করা উত্তম হওয়ার কারণে অনেকে মনে করেন আজানের জবাব দেওয়া শুধু পুরুষদের জন্য ফজিলতপূর্ণ, নারীদের জন্য নয়। এ ধারণা সঠিক নয়। নারীদের জন্যও আজানের মৌখিক উত্তর দেওয়া একইরকম মুস্তাহাব ও ফজিলতপূর্ণ আমল। মাসিক চলাকালীন সময়ও নারীরা আজানের জবাব দিতে পারেন। কারণ আজানের জবাব দেওয়ার জন্য পবিত্র অবস্থায় থাকা জরুরি নয়। মাসিক অবস্থায় নারীদের জন্য কোরআন তিলাওয়াত করা নিষিদ্ধ হলেও দোয়া ও জিকির করা বৈধ। আজানের কালিমাগুলো উচ্চারণ করাও বৈধ।

Tag :
About Author Information

Md Shibbir Ahmed

মোরেলগঞ্জে অতিরিক্ত দামে বিক্রি হচ্ছে এলপি গ্যাস

ঋতুস্রাব চলাকালীন আজানের জবাব দেওয়া নিয়ে ইসলাম কি বলে?

Update Time : ০৯:১৫:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫

আজানের সময় অযথা কথাবার্তা না বলে আজান শোনা ও আজানের জবাব দেওয়া অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমল। আজানের জবাব দেওয়ার পদ্ধতি হলো মুয়াজ্জিন যা বলে তা বলা, শুধু ‘হাইয়া আলাস সালাহ, হাই য়ালাস ফালাহ’ বললে এর জবাবে ‘লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ’ পড়তে হয়। নবিজি (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি দৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে মুয়াজ্জিন যা বলে তাই বলে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। (সুনানে নাসাঈ)

হজরত ওমর ইবনে খাত্তাব (রা.) থেকে বর্ণিত আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ যদি মুয়াজ্জিনের ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার’-এর জাওয়াবে ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার’ বলে, ‘আশহাদু আল্-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’-এর জওয়াবে ‘আশহাদু আল্-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলে, ‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ’-এর জওয়াবে ‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ বলে, ‘হাইয়্যা আলাস্-সলাহ’-এর জওয়াবে ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ’ বলে, ‘হাইয়্যা আলাল-ফালাহ’-এর জওয়াবে ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ’ বলে, ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার’-এর জওয়াবে ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার’ এবং ‘লা-ইলাহা ইল্লল্লাহ’-এর জওয়াবে ‘লা-ইলাহা ইল্লল্লাহ’ বলে তাহলে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।’ (সহিহ মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ)

নামাজের জামাত পুরুষদের জন্য অপরিহার্য ও নারীদের ঘরে নামাজ আদায় করা উত্তম হওয়ার কারণে অনেকে মনে করেন আজানের জবাব দেওয়া শুধু পুরুষদের জন্য ফজিলতপূর্ণ, নারীদের জন্য নয়। এ ধারণা সঠিক নয়। নারীদের জন্যও আজানের মৌখিক উত্তর দেওয়া একইরকম মুস্তাহাব ও ফজিলতপূর্ণ আমল। মাসিক চলাকালীন সময়ও নারীরা আজানের জবাব দিতে পারেন। কারণ আজানের জবাব দেওয়ার জন্য পবিত্র অবস্থায় থাকা জরুরি নয়। মাসিক অবস্থায় নারীদের জন্য কোরআন তিলাওয়াত করা নিষিদ্ধ হলেও দোয়া ও জিকির করা বৈধ। আজানের কালিমাগুলো উচ্চারণ করাও বৈধ।