Dhaka ০২:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আকস্মিক ভূমিধসে ইন্দোনেশিয়ায় ১৬ জনের প্রাণহানি

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৩৭:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২৯১ Time View

বিদেশ : ইন্দোনেশিয়ায় মধ্যাঞ্চলীয় জাভার প্রদেশের পেকানোনগান শহরে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট ভূমিধসে অন্তত ১৬ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছের আরও পাঁচজন। মঙ্গলবার দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা ও পুলিশের বরাতে কাতারর ভিত্তিক সংবাদ সংস্থা আল-জাজিরা এ খবর জানিয়েছে। পেকালোঙ্গান নগরীর পুলিশ প্রধান দোনি প্রাকোসো স্থানীয় টিভি চ্যানেল মেট্রো টিভিকে বলেন, ১৬ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে ১০ জনকে হাসপাতাল ও নিকটস্থ কমিউনিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, সোমবার ওই এলাকায় ভূমিধস ঘটে এবং উদ্ধারকর্মীরা এখনও কমপক্ষে পাঁচজন নিখোঁজকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন। দোনি বলেন, ‘পেকালোঙ্গানে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশ বেশি ছিল এবং পাহাড়ি এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’ স্থানীয় সমপ্রচারমাধ্যম কোমপাস টিভিকে দেশটির আঞ্চলিক দুর্যোগ প্রশমন সংস্থার কর্মকর্তা বেরগাস কাতুরাসি জানিয়েছেন, ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে এই ভূমিধস হয়েছে। বৃষ্টির কারণে নিখোঁজদের জন্য তল্লাশি অভিযান বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আমাদের হাতে খুব বেশি সময় নেই, কারণ প্রকৃতির সঙ্গে আমাদের প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে। তাই বাধাপ্রাপ্ত হলেও নিখোঁজদের তল্লাশি অব্যাহত আছে। বর্ষাকালে সাধারণত ইন্দোনেশিয়ায় নভেম্বর থেকে এপ্রিলের মধ্যে ভূমিধসের ঝুঁকিতে থাকে। তবে সামপ্রতিক বছরগুলোয় প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সৃষ্ট কিছু দুর্যোগ সেই মৌসুমের বাইরেও ঘটেছে। নভেম্বরে ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে তীব্র বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বন্যায় ২৭ জনের প্রাণহানি ঘটে। মে মাসে, পশ্চিম সুমাত্রায় ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে আকস্মিক বন্যায় কমপক্ষে ৬৭ জন মারা যান। মাউন্ট মারাপির অগ্নুৎপাত থেকে ছাই, বালি ও নুড়িপাথরের মিশ্রণ আবাসিক এলাকাকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

আকস্মিক ভূমিধসে ইন্দোনেশিয়ায় ১৬ জনের প্রাণহানি

Update Time : ১২:৩৭:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৫

বিদেশ : ইন্দোনেশিয়ায় মধ্যাঞ্চলীয় জাভার প্রদেশের পেকানোনগান শহরে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট ভূমিধসে অন্তত ১৬ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছের আরও পাঁচজন। মঙ্গলবার দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা ও পুলিশের বরাতে কাতারর ভিত্তিক সংবাদ সংস্থা আল-জাজিরা এ খবর জানিয়েছে। পেকালোঙ্গান নগরীর পুলিশ প্রধান দোনি প্রাকোসো স্থানীয় টিভি চ্যানেল মেট্রো টিভিকে বলেন, ১৬ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে ১০ জনকে হাসপাতাল ও নিকটস্থ কমিউনিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, সোমবার ওই এলাকায় ভূমিধস ঘটে এবং উদ্ধারকর্মীরা এখনও কমপক্ষে পাঁচজন নিখোঁজকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন। দোনি বলেন, ‘পেকালোঙ্গানে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশ বেশি ছিল এবং পাহাড়ি এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’ স্থানীয় সমপ্রচারমাধ্যম কোমপাস টিভিকে দেশটির আঞ্চলিক দুর্যোগ প্রশমন সংস্থার কর্মকর্তা বেরগাস কাতুরাসি জানিয়েছেন, ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে এই ভূমিধস হয়েছে। বৃষ্টির কারণে নিখোঁজদের জন্য তল্লাশি অভিযান বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আমাদের হাতে খুব বেশি সময় নেই, কারণ প্রকৃতির সঙ্গে আমাদের প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে। তাই বাধাপ্রাপ্ত হলেও নিখোঁজদের তল্লাশি অব্যাহত আছে। বর্ষাকালে সাধারণত ইন্দোনেশিয়ায় নভেম্বর থেকে এপ্রিলের মধ্যে ভূমিধসের ঝুঁকিতে থাকে। তবে সামপ্রতিক বছরগুলোয় প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সৃষ্ট কিছু দুর্যোগ সেই মৌসুমের বাইরেও ঘটেছে। নভেম্বরে ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে তীব্র বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বন্যায় ২৭ জনের প্রাণহানি ঘটে। মে মাসে, পশ্চিম সুমাত্রায় ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে আকস্মিক বন্যায় কমপক্ষে ৬৭ জন মারা যান। মাউন্ট মারাপির অগ্নুৎপাত থেকে ছাই, বালি ও নুড়িপাথরের মিশ্রণ আবাসিক এলাকাকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়।