Dhaka ০৬:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংস্কার কমিশন শিগগিরই প্রস্তাব জমা দেবে: বদিউল আলম

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:১৩:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ২৫৮ Time View

মঙ্গলবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এক সেমিনারে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার যোগ দিয়ে বললেন, ৬টি সংস্কার কমিশন শিগগিরই তাদের প্রস্তাবনা জমা দেবে। ২০০৭-০৮ সালের মতো সংস্কার যাতে গালিতে পরিণত না হয়, সে লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে।

বদিউল আলম মজুমদার আরও যোগ করে বলেন, জনপ্রশাসন এখনও ব্রিটিশ নিয়মেই চলছে। যেমন গার্ড অব অনার দেওয়া, কোনো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গেলে তার জন্য আচার অনুষ্ঠান আয়োজন করা। কিন্তু জনপ্রশাসনের উচিত জনগণের স্বার্থে কাজ করা। তবে ৫৩ বছরেও সেটি বাস্তবায়ন হয়নি।

তিনি আরও বলেন, দিন বদলের সনদ অঙ্গীকার নিয়ে ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসেছিল। সেই দিন বদলেছে, তবে দিনের পরিবর্তে রাত হয়েছে। দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, পরিবারতন্ত্র এসব ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। তাদের জন্যই সংস্কার আজ গালিতে পরিণত হয়েছে।

নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বলেন, সংস্কারের প্রস্তাব পাওয়ার পর বল অন্যদের কোর্টে চলে যাবে। এরপর মূল কাজ সরকার, নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক দলের।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

বাগেরহাট উপজেলা নাগরিক প্ল্যাটফর্মের ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত

সংস্কার কমিশন শিগগিরই প্রস্তাব জমা দেবে: বদিউল আলম

Update Time : ১১:১৩:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪

মঙ্গলবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এক সেমিনারে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার যোগ দিয়ে বললেন, ৬টি সংস্কার কমিশন শিগগিরই তাদের প্রস্তাবনা জমা দেবে। ২০০৭-০৮ সালের মতো সংস্কার যাতে গালিতে পরিণত না হয়, সে লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে।

বদিউল আলম মজুমদার আরও যোগ করে বলেন, জনপ্রশাসন এখনও ব্রিটিশ নিয়মেই চলছে। যেমন গার্ড অব অনার দেওয়া, কোনো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গেলে তার জন্য আচার অনুষ্ঠান আয়োজন করা। কিন্তু জনপ্রশাসনের উচিত জনগণের স্বার্থে কাজ করা। তবে ৫৩ বছরেও সেটি বাস্তবায়ন হয়নি।

তিনি আরও বলেন, দিন বদলের সনদ অঙ্গীকার নিয়ে ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসেছিল। সেই দিন বদলেছে, তবে দিনের পরিবর্তে রাত হয়েছে। দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, পরিবারতন্ত্র এসব ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। তাদের জন্যই সংস্কার আজ গালিতে পরিণত হয়েছে।

নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বলেন, সংস্কারের প্রস্তাব পাওয়ার পর বল অন্যদের কোর্টে চলে যাবে। এরপর মূল কাজ সরকার, নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক দলের।