জানাগেছে, উপজেলার খাউলিয়া ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড বড়পরী গ্রামের বাসিন্দা বাহারাইন প্রবাসী ফারুক মোড়লের স্ত্রী সুমাইয়া আজম স্বর্নালী ঘটনারদিন ২৪ এপ্রিল বসতবাড়ি ঘুমানো থাকাকালীন অবস্থায় আমার প্রতিবন্ধী বোনের মেয়ে পল্লীমঙ্গল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেনীর ছাত্রী সাদিয়া আক্তার মুনা (১৫) কে অপহরণ করে বসতঘরে থাকা আলমিরা ভেঙে ১০ ভরি স্বর্ণালংকার ও প্রায় ৩০ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় পার্শ্ববর্তী শরণখোলা উপজেলার বাসিন্দা মিজান হাওলাদারের ছেলে নাজমুল হাসান মাহিন (১৯)। এ ঘটনায় সুমাইয়া আজম স্বর্নালী বাদি হয়ে মোরেলগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
মোরেলগঞ্জ থানার ওসি অভিযোগ পেয়ে সন্ন্যাসী ফাড়ির এসআই তমিজ উদ্দিনকে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দেন। কিন্তু ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনার ২৫ দিন অতিবাহিত হলেও ঘটনার অপহরণকৃত ১০ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী সাদিয়া সুলতানা মুনা ও স্বর্ণলংকার, টাকা উদ্ধার হয়নি।
নিকটস্ত সন্ন্যাসী ফাড়ির এসআই তমিজ উদ্দিন বলেন, শিক্ষার্থী অপহরণ নয়, পূর্বেও একবার চলে গিয়েছিলো। আমি মেয়েসহ ওই ছেলেকে উদ্ধারের জন্য অভিভাবকদের মাধ্যমে চেষ্টা করছি।
নাজমুল হাসান মাহিনের মা মাহিনুর বেগম বলেন, ছেলে মেয়ে উভয় একবার বাড়ি থেকে চলে গিয়েছে। পরবর্তীতে জেল থেকে বের হয়ে আবারও ওই মেয়েকে নিয়ে আমার ছেলে চলে গেছে। ওদের নম্বর বন্ধ রয়েছে। আত্মীয় স্বজনদের বাড়ি খোঁজাখুজি করছি।
অভিযোগের বাদি প্রবাসীর স্ত্রী সুমাইয়া আজম স্বর্নালী বলেন, আমার প্রতিবন্ধী বোনের মেয়ে ১০ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী সাদিয়া সুলতানা মুনাকে ছোট বেলা থেকেই আমার কাছে বড় হয়েছে। পার্শবর্তী শরণখোলার খেজুরবাড়িয়া গ্রামের নাজমুল হাসান মাহিন ও আমার বোনের মেয়ে মুনার সাথে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে তোলে একপর্যায়ে বাড়ি থেকে স্বর্ণলংকার, নগদ টাকাসহ অপহরণ করে নিয়ে চলে যায়। আমি প্রশাসনের প্রতি বোনের মেয়েকে উদ্ধার ও স্বর্ণলংকার টাকা উদ্ধার করতে পারি তার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এ বিষয়টি নিয়ে শরণখোলা থেকে ২ জন প্রভাবশালী ব্যক্তি উদ্ধারের নামে সময় নষ্ট করছে।
Reporter Name 


















