সর্বশেষ :
মোরেলগঞ্জে অটো ভ্যান চুরি: অসহায় চালকের পাশে ড. কাজী মনিরের পরিবার যুক্তরাষ্ট্রের জন্য পারমাণবিক ঝুঁকির তালিকায় পাকিস্তানও: তুলসি গ্যাবার্ড দেশে পৌঁছেছে সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত মোশাররফের মরদেহ বাহরাইন থেকে বিশেষ ফ্লাইটে ফিরছেন ২৮২ প্রবাসী বাংলাদেশি ঈদুল ফিতরের দিন বঙ্গভবনে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির শুভেচ্ছা বিনিময় বৃষ্টি উপেক্ষা করে বায়তুল মোকাররমে জুমাতুল বিদার মহতী সমাগম রাজধানীতে কালবৈশাখীর তাণ্ডব: ঈদের দিনেও ঝোড়ো বৃষ্টির পূর্বাভাস মোরেলগঞ্জে জেবু ওয়াদুদ জামে মসজিদের উদ্বোধন করলেন ড. কাজী মনির ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ায় নিহত ১ কাবুলে পাকিস্তানি বিমান হামলায় ‘৪০০’ জন নিহত: আফগান সরকার
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৭:৩২ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

ইউক্রেন যুদ্ধে সেনা পাঠাবে পশ্চিমা দেশগুলো?

প্রতিনিধি: / ২৯১ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: এক হাজারের বেশিদিন ধরে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধ চলছে। এরই মধ্যে যুদ্ধে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে লড়তে রাশিয়ায় অন্তত ১০ হাজার সেনা পাঠিয়েছে উত্তর কোরিয়া। এসব সেনার একটি অংশ ইতোমধ্যে কুরস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে। এখন প্রশ্ন উঠেছে, ইউক্রেনের পক্ষে এবার কী পশ্চিমা দেশগুলো সেনা পাঠাবে। ডয়চে ভেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স¤প্রতি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ব্রাসেলস যান। সেখানে ইইউ শীর্ষবৈঠকে নেতাদের সঙ্গে ইউক্রেন নিয়ে আলোচনা করেছেন তিনি। এর আগে চলতি বছরের শুরুর দিকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ প্রস্তাব দিয়েছিলেন, পশ্চিমা দেশগুলো ইউক্রেনে সেনা পাঠাক। ইউরোপের অন্য দেশগুলোর নেতারা এই প্রস্তাবে রাজি ছিলেন না। তারা বারবার বলেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধের তীব্রতা বাড়ুক, তা তারা চান না। ম্যাক্রোঁর সঙ্গে আলোচনার পর জেলেনস্কি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেন, ইউক্রেনে সেনা পাঠানো নিয়ে প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তার সেই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। শান্তির পথে যেতে গেলে এটা জরুরি। জেলেনস্কি আরও বলেন, আমরা মনে করি, শান্তির জন্য কিছু নিশ্চয়তা থাকা দরকার। অন্যদিকে ন্যাটোর সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুটে ইইউ শীর্ষবৈঠকের আগে বলেন, ইউক্রেনের যা দরকার, সেটা তাদের দেওয়াটা জরুরি। তাহলেই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এই যুদ্ধে জিততে পারবেন না। তবে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি কীভাবে হতে পারে, তা নিয়ে রুটে কোনো কথা বলেননি। এ ছাড়া জার্মানির চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎস বলেছেন, ইউক্রেনকে যথাসম্ভব সামরিক সহায়তা দেওয়া দরকার। ইউক্রেনের জানানো দরকার, শান্তিচুক্তিতে তারা কীভাবে পৌঁছাতে চায়। শলৎস মনে করেন, ইউক্রেনের উপর কোনো কিছু চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়। তিনি বলেন, ট্রাম্পের সঙ্গে স¤প্রতি ফোনে কথা বলে আমার মনে হয়েছে, ইউক্রেন নিয়ে একসঙ্গে একটা ইতিবাচক নীতি নিয়ে চলা সম্ভব হবে।


এই বিভাগের আরো খবর