শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

ব্যাংকখাত থেকে ১৭ বিলিয়ন ডলার পাচার

প্রতিনিধি: / ২৪৩ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৪

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশাসনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ধনকুবের ও ব্যবসায়ীরা প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সহায়তায় ব্যাংক খাত থেকে ১৭ বিলিয়ন ডলার পাচার করেছেন। অর্থাৎ সবল ব্যাংকগুলো দখলে নিতে হাসিনার ঘনিষ্ঠ ধনকুবেরদের সাহায্য করেছে ডিজিএফআই। আগস্টে শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালানোর পর বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের দায়িত্ব পান আহসান এইচ মনসুর। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে (এফটি) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আহসান এইচ মনসুর বলেন, ব্যাংক দখলের পর নতুন শেয়ারহোল্ডাররদের ঋণ ও আমদানি খরচ বেশি দেখিয়ে প্রায় ১৬.৭ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা) পাচার করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘যেকোনো আন্তর্জাতিক মানদÐেই এটি সবচেয়ে বড় এবং সর্বোচ্চ ব্যাংক ডাকাতি। এই মাত্রায় আর কোথাও ব্যাংক লুটপাটের ঘটনা ঘটেনি। আর এর পেছনে ছিল রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা। এবং গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরা (ব্যাংকের সাবেক সিইওদের) মাথায় বন্দুক না ধরলে এ কাজ করা যেত না।’ গভর্নর বলেন, এস আলম গ্রæপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম আর তার সহযোগীরা ডিজিএফআইয়ের সহায়তায় ব্যাংকগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে ‘অন্তত ১০ বিলিয়ন ডলার পাচার’ করেছেন। ‘প্রতিদিনই তারা নিজেদেরকে ঋণ দিচ্ছিলেন’ বলেন তিনি। তবে এস আলমের পক্ষে আইনজীবী প্রতিষ্ঠান কুইন ইমানুয়েল উরকুহার্ট অ্যান্ড সুলিভান এক বিবৃতিতে বলেছে, এস আলম গ্রæপ গভর্নরের সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তারা দাবি করেছে, মনসুরের অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই। প্রতিষ্ঠানটি আরও বলেছে, ‘অন্তর্বর্তী সরকার এস আলম গ্রæপ ও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে নিয়মনীতি উপেক্ষা করে প্রচারণা চালাচ্ছে।’ গভর্নরের অভিযোগকে বিস্ময়কর এবং অযৌক্তিক আখ্যা দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখ করেছে, ‘এতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা নষ্ট হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটেছে।’ ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সশস্ত্র বাহিনীর আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি; ডিজিএফআইয়ের সঙ্গেও যোগাযোগ করা যায়নি।


এই বিভাগের আরো খবর