Dhaka ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নামাযের মধ্যে যা করা বৈধ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:২৪:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৪
  • ২৫৮ Time View

ধর্ম: নামাজ অবস্থায় এক হাত অথবা মাথা দ্বারা ইশারা করে উত্তর দিলে নামাজ নষ্ট হয় না। তবে নামাজে থাকা অবস্থায় এভাবে ইশারায় উত্তর দেওয়াও ঠিক নয়। কুরআন মাজিদ এবং হাদিস শরিফে নামাজে খুশু-খুযুর প্রতি খুব গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাই বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া নামাজে কারো কথার জবাব দেওয়ার চেষ্টা করা এবং ইচ্ছাকৃত হাত বা মাথা নাড়ানো থেকে বিরত থাকা কর্তব্য। কুরআন মাজিদে নামাজের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যারা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ স্থির রাখে এবং এদিক-সেদিক ভ্রæক্ষেপ না করে তাদেরকে মুমিন বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। হজরত আবু যর (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিস শরীফে আছে, রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, নামাজরত ব্যক্তি যতক্ষণ এদিক-সেদিক ভ্রæক্ষেপ না করে ততক্ষণ আল্লাহর (বিশেষ) রহমত তার প্রতি থাকে। আর যখন সে অন্য দিকে ভ্রæক্ষেপ করে তখন আল্লাহর (বিশেষ) রহমত তার থেকে সরে যায়। (সুনানে আবু দাউদ ১/১৩১) সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব (রহ.) এক ব্যক্তিকে নামাজরত অবস্থায় দাঁড়িতে হাত বুলাতে দেখে বললেন, তার অন্তরে যদি খুশু থাকত তবে তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ স্থির থাকত। (মুসান্নাফ আবদুর রাযযাক ২/২৬৬, হাদিস : ৩৩০৮) প্রকাশ থাকে যে, নামাজরত ব্যক্তির মনোযোগ নষ্ট হয় এমন কোনো কাজ করা অন্যায়। খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া তাকে কিছু জিজ্ঞাসা করা এবং জবাব দিতে বাধ্য করা গুনাহর কাজ। এ থেকে বিরত থাকা জরুরি।

Tag :
About Author Information

মোরেলগঞ্জে অতিরিক্ত দামে বিক্রি হচ্ছে এলপি গ্যাস

নামাযের মধ্যে যা করা বৈধ

Update Time : ০৯:২৪:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৪

ধর্ম: নামাজ অবস্থায় এক হাত অথবা মাথা দ্বারা ইশারা করে উত্তর দিলে নামাজ নষ্ট হয় না। তবে নামাজে থাকা অবস্থায় এভাবে ইশারায় উত্তর দেওয়াও ঠিক নয়। কুরআন মাজিদ এবং হাদিস শরিফে নামাজে খুশু-খুযুর প্রতি খুব গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাই বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া নামাজে কারো কথার জবাব দেওয়ার চেষ্টা করা এবং ইচ্ছাকৃত হাত বা মাথা নাড়ানো থেকে বিরত থাকা কর্তব্য। কুরআন মাজিদে নামাজের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যারা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ স্থির রাখে এবং এদিক-সেদিক ভ্রæক্ষেপ না করে তাদেরকে মুমিন বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। হজরত আবু যর (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিস শরীফে আছে, রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, নামাজরত ব্যক্তি যতক্ষণ এদিক-সেদিক ভ্রæক্ষেপ না করে ততক্ষণ আল্লাহর (বিশেষ) রহমত তার প্রতি থাকে। আর যখন সে অন্য দিকে ভ্রæক্ষেপ করে তখন আল্লাহর (বিশেষ) রহমত তার থেকে সরে যায়। (সুনানে আবু দাউদ ১/১৩১) সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব (রহ.) এক ব্যক্তিকে নামাজরত অবস্থায় দাঁড়িতে হাত বুলাতে দেখে বললেন, তার অন্তরে যদি খুশু থাকত তবে তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ স্থির থাকত। (মুসান্নাফ আবদুর রাযযাক ২/২৬৬, হাদিস : ৩৩০৮) প্রকাশ থাকে যে, নামাজরত ব্যক্তির মনোযোগ নষ্ট হয় এমন কোনো কাজ করা অন্যায়। খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া তাকে কিছু জিজ্ঞাসা করা এবং জবাব দিতে বাধ্য করা গুনাহর কাজ। এ থেকে বিরত থাকা জরুরি।