সর্বশেষ :
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৭:১৮ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

মোরেলগঞ্জে পুল নয় যেন মরণফাঁদ , ১০ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

প্রতিনিধি: / ২৩৪ দেখেছেন:
পাবলিশ: শনিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৪

মেহেদী হাসান লিপন, মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) সংবাদদাতা : বাগেরহাটের  মোরেলগঞ্জে  একটি পুলের ভগ্নদশার কারনে ১০ গ্রামের হাজারো মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। এটি পুল নয় যেন মরণফাঁদ। জনগুরুত্বপূর্ণ এ পুলটি নির্মানে উদাসীনতার কারনে মানুষের ভোগান্তি দিন দিন বেড়েই চলেছে।
সরেজমিনে জানা গেছে, উপজেলার জিউধরা ইউনিয়নে মঠবাড়ি গ্রামের বড় খালের সংযোগ পুলটি দীর্ঘ বছর ভগ্নদশায় পড়ে আছে। নড়বড়ে হয়ে পুলটি চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। শত শত শিক্ষার্থী সহ ১০ গ্রামের হাজারো লোক এ পুল দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করে। জোড়াতালি দিয়ে পুলটি চলাচলের ব্যর্থ চেষ্টা চালানো হচ্ছে। যে কোন মূহুর্তে ভেঙে পড়ে ঘটতে পারে বড় কোন দূর্ঘটনা। খালের দু’পান্তে দুটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১টি আলিম মাদ্রাসা সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। খরস্রোতা খালের উপরের এ পুল দিয়ে শিশু ও নারীরা চলাচল করতে ভয় পায়। ঝড় বৃষ্টিতে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয় যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকতে হয় অভিভাবকদের। শিশু শিক্ষার্থী জান্নাতি, আবু জাহের, আব্দুল্লাহ,তামান্নাসহ অনেকেই বলেন, আমাদের স্কুলে যেতে এ ভাঙা পুল পার হতে হয়। ঝুঁকি নিয়ে আমরা পুল পার হই। ঝড় বৃষ্টিতে আমরা স্কুলে যাইনা।
স্থানীয়বাসিন্দা সুলতান আহমেদ, লাল মিয়া হাওলাদার, সাধনা রানী মন্ডল, ব্যাবসায়ী নাসির উদ্দিন হাওলাদার, মারুফ হাওলাদার, আল মামুন হাওলাদার বলেন, পুলটি ভেঙ্গে পড়ার ১বছরের বেশী সময় পার হলেও মেম্বার, চেয়ারম্যানসহ কারোরই কোন মাথা ব্যথা নেই। দিনের পর দিন আমরা দূর্ভোগ পোহাচ্ছি। এ ভাঙা পুল পার হতে গিয়ে পুল থেকে পড়ে গিয়ে  অনেকেই দুর্ঘটনার স্বীকার হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. হারুন-অর রশিদ বলেন, ৫ বছর পূর্বে  ভেঙে যাওয়ায় এ পুলটি ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দে সংস্কার করা হয়েছিলো। গত বছর পুনরায় ভেঙে পড়ায় নতুন করে মেরামত করা হয়নি। এ বিষয়ে উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদে আবেদনও করা রয়েছে। তিনি আরো বলেন, প্রতিনিয়ত মঠবাড়ি, চন্দনতলা, একরামখালী, ঠাকুরনতলা, কালিবাড়ী, জিউধরা, লক্ষীখালী,বটতলা, বরইতলা ১০ গ্রামের মানুষের ৬-৭ হাজার মানুষ ভোগান্তি নিয়ে চলাচল করতে হয়। তিনি এ জনগুরুত্বপুর্ন পুলটি জরুরী ভিত্তিতে সংস্কারসহ একটি ব্রীজ নির্মানের দাবী জানান।
উপজেলা প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, মঠবাড়ি গ্রামের সংযোগ খালের গুরুত্বপূর্ণ পুলটি ভেঙে যাওয়ার বিষয়ে তিনি অবহিত আছেন। স্থানীয়দের আবেদনের প্রেক্ষিতে ওখানে একটি ব্রীজ নির্মানের জন্য ইতিমধ্যে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ হলে কাজটি শুরু হবে।


এই বিভাগের আরো খবর