সর্বশেষ :
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের জয়ে বিওএ’র অভিনন্দন মোরেলগঞ্জে অ্যাম্বুলেন্স থেকে তেল বিক্রি: যুবককে জরিমানা মার্কিন বিমান গুলি করে ভূপাতিত করার দাবি ইরানের ইরানে বিধ্বস্ত বিমানের নিখোঁজ ক্রুকে জীবিত উদ্ধার করে নিলো মার্কিন সেনারা বিকল্প জ্বালানির খোঁজে বাংলাদেশ, জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে বাড়ছে অনিশ্চয়তা তেজগাঁওয়ে সড়ক অবরোধ করে আন্দোলনে পোশাক শ্রমিকরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেতন কাঠামো নিয়ে বৈঠকে অর্থমন্ত্রী এবার থেকে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে হবে নববর্ষ শোভাযাত্রা: সংস্কৃতিমন্ত্রী হাম রোগের ভয়াবহতা করোনার চেয়ে কম নয়: টিকা উদ্বোধনীতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘রামায়ণ’ ঘিরে উত্তেজনা, সাই পল্লবীকে নিয়ে যা বললেন রণবীর কাপুর
সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

মালাইকা অরোরার বাবা আত্মহত্যা করেছেন

প্রতিনিধি: / ২২৪ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

বিনোদন: নিজের বান্দ্রার বাড়ি থেকে উদ্ধার হলো বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মালাইকা অরোরার বাবা অনিল অরোরার মৃত্যুদেহ। বুধবার সকালে মালাইকা অরোররা বাবার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। নিজের বাড়ির ছয়তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিনি, এমনটাই অনুমান করছে পুলিশ। কিন্তু এখনও ঘটনাস্থল থেকে কোনো সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি। কেন এই ভাবে আত্মহত্যা করলেন মালাইকার বাবা সেই বিষয় অবশ্য এখনও কিছু জানতে পারেনি পুলিশ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, বাড়ির ষষ্ঠ তলার ছাঁদ থেকে ঝাঁপ দিয়ে স্বেচ্ছায় মৃত্যুর পথ বেছে নিয়েছিণন অনিল। মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় ঘটেছে এ ঘটনা। ঘটনাস্থলে বান্দ্রা পুলিশ ও মুম্বাই ক্রাইম ব্রাঞ্চের কর্মকর্তারা হাজির হয়েছেন। আর পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সময় বাড়িতে ছিলেন না অভিনেত্রী। শোনা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন মালাইকার বাবা। এ ঘটনায় মালাইকার সাবেক স্বামী আরবাজ খান ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। পুলিশের সঙ্গে আরবাজকে কথা বলতেও দেখা যায়। সকাল সকাল এই খবর আসায় হইচই পড়ে গিয়েছে বলিউডে। তবে ঘটনার কারণ সম্পর্কে এখনও কিছু জানতে পারেনি পুলিশ। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মৃত্যুরহস্য উদঘাটনে কথা বলছে তারা। ২০২২ সালে এক সাক্ষাৎকারে শৈশব সম্পর্কে কথা বলেছিলেন মালাইকা। ওই সময় ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে কীভাবে কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছেন, তাও জানিয়েছেন। স্মৃতিচারণ করে জানিয়েছিলেন, যখন মাত্র ১১ বছর বয়স, তখন মা জয়েস পলিকার্প ও বাবা অনিলের বিয়েবিচ্ছেদ হয়। এরপর ছয় বছরের বোন অমৃতাকে নিয়ে মায়ের সঙ্গে চেম্বুরে চলে যান। অন্য এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, মা-বাবার বিচ্ছেদ আমাকে একটি নতুন এবং অনন্য লেন্সের মাধ্যমে আমার মাকে পর্যবেক্ষণ করতে সহায়তা করেছিল। সেই প্রাথমিক শিক্ষাই আমার জীবন ও পেশার যাত্রা। আমি স্বাধীনচেতা, নিজের স্বাধীনতাকে মূল্য দেই এবং নিজের মতো করে জীবন পরিচালনা করি।


এই বিভাগের আরো খবর