Dhaka ০৩:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, মৌলভীবাজারে পানিবন্দিআড়াই লক্ষাধিক মানুষ

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:২৭:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৪
  • ৩৬৬ Time View

মৌলভীবাজারে বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। আড়াই লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। দেখা দিয়েছে চরম খাদ্য সংকট। গত তিন দিনে জেলার সাত উপজেলায় ৩৭টি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার মানুষ বন্যা আক্রান্ত হয়ে পড়েছে। ফলে বড়লেখা, জুড়ি, রাজনগর, কুলাউড়া, কমলগঞ্জ, রাজনগর, শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ২১২টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোররাতে জেলার রাজনগর উপজেলার কদমহাটা এলাকায় মনু নদীর বন্যা প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে। ফলে ভোররাত থেকে মৌলভীবাজার-রাজনগর-ফেঞ্চুগঞ্জ এবং মৌলভীবাজার-কুলাউড়া-বড়লেখা সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এদিকে, গত বুধবার রাতে কুলাউড়া উপজেলার টিলাগাঁও ইউনিয়নে মনু নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধের বেশ কয়েকটি স্থানে ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে। বন্যাক্রান্ত এসব এলাকার লোকজন বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছেন। তবে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের লোকজন খোঁজ না নেওয়ায় চরম খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। জেলা প্রশাসনের তথ্য মতে, সাত উপজেলায় বন্যাক্রান্ত মানুষের সংখ্যা এক লাখ ২২ হাজার ৬৮৭ জন এবং ১৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ৪ হাজার ৩২৫ জন। পৌরসভা ও ইউনিয়ন মিলে ৩৭টি এলাকায় বন্যায় প্লাবিত হয়েছে ২১২টি গ্রাম। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২৩৫ মেট্রিক টন চাল এবং ৭ উপজেলায় ২০ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, জেলার জুড়ী নদে ১৯৩ সেন্টিমিটার, ধলাই নদে ৩০ সেন্টিমিটার, মনু নদীতে চাঁদনীঘাটে ১১৮ সেন্টিমিটার ও রেলওয়ে ব্রিজে ৮৫ সেন্টিমিটার বিপদসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়াও মৌলভীবাজার শেরপুর পয়েন্টে কুশিয়ারা নদী পানি বিপদসীমার ৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, মৌলভীবাজারে পানিবন্দিআড়াই লক্ষাধিক মানুষ

Update Time : ১২:২৭:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৪

মৌলভীবাজারে বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। আড়াই লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। দেখা দিয়েছে চরম খাদ্য সংকট। গত তিন দিনে জেলার সাত উপজেলায় ৩৭টি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার মানুষ বন্যা আক্রান্ত হয়ে পড়েছে। ফলে বড়লেখা, জুড়ি, রাজনগর, কুলাউড়া, কমলগঞ্জ, রাজনগর, শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ২১২টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোররাতে জেলার রাজনগর উপজেলার কদমহাটা এলাকায় মনু নদীর বন্যা প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে। ফলে ভোররাত থেকে মৌলভীবাজার-রাজনগর-ফেঞ্চুগঞ্জ এবং মৌলভীবাজার-কুলাউড়া-বড়লেখা সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এদিকে, গত বুধবার রাতে কুলাউড়া উপজেলার টিলাগাঁও ইউনিয়নে মনু নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধের বেশ কয়েকটি স্থানে ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে। বন্যাক্রান্ত এসব এলাকার লোকজন বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছেন। তবে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের লোকজন খোঁজ না নেওয়ায় চরম খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। জেলা প্রশাসনের তথ্য মতে, সাত উপজেলায় বন্যাক্রান্ত মানুষের সংখ্যা এক লাখ ২২ হাজার ৬৮৭ জন এবং ১৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ৪ হাজার ৩২৫ জন। পৌরসভা ও ইউনিয়ন মিলে ৩৭টি এলাকায় বন্যায় প্লাবিত হয়েছে ২১২টি গ্রাম। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২৩৫ মেট্রিক টন চাল এবং ৭ উপজেলায় ২০ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, জেলার জুড়ী নদে ১৯৩ সেন্টিমিটার, ধলাই নদে ৩০ সেন্টিমিটার, মনু নদীতে চাঁদনীঘাটে ১১৮ সেন্টিমিটার ও রেলওয়ে ব্রিজে ৮৫ সেন্টিমিটার বিপদসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়াও মৌলভীবাজার শেরপুর পয়েন্টে কুশিয়ারা নদী পানি বিপদসীমার ৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।