সর্বশেষ :
বাগেরহাটে রামপালে দুর্ঘটনায় ১৪ নিহত, ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি, দেওয়া হবে ক্ষতিপূরণ।। বাগেরহাটে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে ঈদে নতুন পোশাক বিতরণ মার্কিন হামলায় নিহত ৮৪ ইরানি নাবিকের মরদেহ ফেরত পাঠাচ্ছে শ্রীলঙ্কা ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে ১০ দিনে ৬৮৭ জন নিহত ইরানে বিক্ষোভ করলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি বিপ্লবী গার্ডসের ইরানকে সবদিক দিয়ে পুরোপুরি ধ্বংস করার হুঁশিয়ারি ট্রাম্প দুবাইয়ে বিকট বিস্ফোরণ, কাঁপলো একের পর এক ভবন উত্তর কোরিয়া ও চীনের মধ্যে ৬ বছর পর আবার ট্রেন চালু ইরাকে মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৪ ক্রু নিহত আগামী মঙ্গলবার থেকে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া সফর করবেন ম্যাখোঁ
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৬:৫৯ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

ঘূর্নী ঝড় রিমালে ক্ষতি গ্রস্থদের এক মাসেও সহায়তা আসেনি

প্রতিনিধি: / ৩১০ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ২৪ জুন, ২০২৪

আবুল কালাম,ইন্দুরকানী(পিরোজপুর)প্রতিনিধিঃ মোর ঘরডা বাতাসে উড়াইয়া লইয়া গেছে, আল্লায় আমাগো
বাঁচাইয়া রাখছে। বইন্যার (ঘুর্ণিঝড় রিমাল) ২৫ দিন গেলেওকোনো মেম্বর-চেয়ারম্যান ও সরকারি স্যাররা কাছে আয় নাই। নেয়
নাই কুনো খবর। মোর ঘরডা বানাইতে না পারলে পোলাপান লইয়াকোই থাকমু এমন প্রশ্ন ছুড়ে দেন রওশনারা বেগম।
পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার সদর ইউনিয়নের ইন্দুরকানীগ্রামের এই বাসিন্দা পরিবার নিয়ে প্রতিবেশীর বাড়িতে
আশ্রিত। একই অবস্থায় আছেন উপজেলার হাজারো মানুষ। রিমালেরপ্রায় মাস পেরিয়ে গেলেও কোনো সহায়তা পায়নি তারা। রওশনারার স্বামী আনসার আলী ঘরামি দিনমজুর। ঘ‚র্ণিঝড়ের পর থেকে আয়-রোজগার নেই। ঝড়ে উড়ে যাওয়া ঘর মেরামতের সাধ্য নেই। তিনি দ্রæতসময়ের মধ্যে মাথা গোঁজার ঠাই দেওয়ার দাবি করেন।
২৬ মে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপক‚লীয় এলাকায় আঘাত হানেঘুর্ণিঝড় রিমাল। এতে ইন্দুরকানী উপজেলার ৯৫ শতাংশ মানুষই ক্ষতির শিকার হয়েছেন। অথচ বরাদ্দ এসেছে মাত্র ২০ টন চাল ও নগদ ৫ লাখ টাকা। ফলে সিংহভাগ মানুষই সহায়তার বাইরে রয়েগেছে। যেসব ব্যক্তির ঘর ভেঙে গেছে, প্রশাসন শুধু তাদের আবেদনই গ্রহণ করছে।
কিন্তু বেশির ভাগ প্রান্তিক মানুষই সে খবর রাখেন না।ঝড়ের সংবাদে এলাকার আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যান বিধবা শাহানুর
বেগম। তাঁর বাড়ি চÐিপুর ইউনিয়নের চরবলেশ্বর গ্রামে। কিন্তু গাছপড়ে তাঁর ঘর শেষ হয়ে। সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে
ইন্দুরকানীতে অন্তত শতকোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে কিন্তু এখনওসরকারের পক্ষ থেকে কোনো সহায়তা পাননি। তিনিও অন্যের ঘরে আশ্রয় নিয়েছেন। ঘর না হলে কোথায় থাকবেন- এমন প্রশ্ন করেনতিনি। তাঁরই মতো জিজ্ঞাসা ইন্দুরকানীর সত্তার কাজী, এনায়েত গাজী, শাহীন হাওলাদার, আম্বিয়া বেগম, জামাল হোসেনদের।
ঝড়ে কচা নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে পানির তোড়ে ভিটা ভেসে গেছেদিনমজুর গণি মিয়ার। তিনি টগড়া গ্রামের বাসিন্দা। গণি মিয়ার
ভাষ্য, ঘর তুলতে জন প্রতিনিনধি ও প্রশাসরে কর্মকর্তাদের দ্বারে দ্বারে গেছেন কিন্তু কেউ সহায়তা করেননি।
চন্ডিপুর ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মঞ্জু বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে যে ত্রাণ এসেছে, তা সামান্য ঘরহারা মানুষের পুনর্বাসনেকোনো সহায়তা এখন ও আসেনি।

উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউল আহসান গাজী বলেন, ্#৩৯;সাধ্যমতো সহায়তা করে যাচ্ছি। ঘূর্ণিঝড়ে উপজেলায় শত কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। তিনি সরকারের কাছে দুর্গত মানুষের আবাসন ও বেশি করে ত্রাণ বরাদ্দের দাবি জানান।
এসব তথ্যই জানা আছে পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য শ ম রেজাউল করিমের। তাঁর ভাষ্য, কচা নদীতে বিলীন বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও ঘরহারা মানুষের পুনর্বাসনে তিনি চেষ্টা করছেন।


এই বিভাগের আরো খবর