Dhaka ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইন্দুরকানীতে খাবার পানির তীব্র অভাব, পাঁচদিন ধরে বিদ্যুৎ নেই!

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:২৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪
  • ৩৫৭ Time View
ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি: ইন্দুরকানীতে খাবার পানির তীব্র সংকট ও পাঁচ দিন ধরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে পুরো উপজেলা। ঘুর্নিঝড় রিমালে পানিবন্দি হয়ে আছে ২৫টি গ্রামে। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, রিমালে বিধ্বস্ত উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের বিশুদ্ধ পানির অভাবে হাহাকার করছে মানুষ। বিশুদ্ধ পানি না থাকায় দূষিত পানি পান করে ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বিভিন্ন বয়ষের মানুষ। এছাড়াও উপজেলার অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় রান্নাবান্না বন্ধ রয়েছে অনেক পরিবারের। রয়েছে শুকনো খাবারেরও সংকট। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তেমন কোনো ত্রাণ সামগ্রী পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ পানিবন্দি অনেকের। অপরদিকে উপজেলা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকায় বন্ধ রয়েছে যোগাযোগ। বিদ্যুৎ না থাকায় সরকারি- বেসরকারি অফিসগুলোর কার্যক্রম থমকে আছে।গ্রামিন সিমের সিগনাল আসে যায়  কারো সাথে যাগাযোগ করা যাচ্ছেনা। মোবাইল চার্জের কিছু দালাল আছে জেনারেটর দিয়ে মোবাইল চার্জ করে দিলে নিচ্ছে ৫০ টাকা করে। পল্লিবিদ্যুত অফিসের ইনচার্জ  ইসলাম হাওলাদার জানান, ঘুর্নি ঝড় রিমালে উপজেলায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গাছ পরে বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে গেছে। এছাড়াও এই উপজেলায় গাছ ভেঙে পড়ে বিদ্যুতের লাইনের অনেক ক্ষতি হয়েছে। আমরা সর্বোচ্চজন বল নিয়ে চেষ্টা করছি আশাকরা যায ৩০ মে সন্ধ্যায় উপজেলা সদর সহ কযেকটি গ্রামের বিদ্যুত সচল হবে।
Tag :
About Author Information

ইন্দুরকানীতে খাবার পানির তীব্র অভাব, পাঁচদিন ধরে বিদ্যুৎ নেই!

Update Time : ০৮:২৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪
ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি: ইন্দুরকানীতে খাবার পানির তীব্র সংকট ও পাঁচ দিন ধরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে পুরো উপজেলা। ঘুর্নিঝড় রিমালে পানিবন্দি হয়ে আছে ২৫টি গ্রামে। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, রিমালে বিধ্বস্ত উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের বিশুদ্ধ পানির অভাবে হাহাকার করছে মানুষ। বিশুদ্ধ পানি না থাকায় দূষিত পানি পান করে ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বিভিন্ন বয়ষের মানুষ। এছাড়াও উপজেলার অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় রান্নাবান্না বন্ধ রয়েছে অনেক পরিবারের। রয়েছে শুকনো খাবারেরও সংকট। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তেমন কোনো ত্রাণ সামগ্রী পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ পানিবন্দি অনেকের। অপরদিকে উপজেলা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকায় বন্ধ রয়েছে যোগাযোগ। বিদ্যুৎ না থাকায় সরকারি- বেসরকারি অফিসগুলোর কার্যক্রম থমকে আছে।গ্রামিন সিমের সিগনাল আসে যায়  কারো সাথে যাগাযোগ করা যাচ্ছেনা। মোবাইল চার্জের কিছু দালাল আছে জেনারেটর দিয়ে মোবাইল চার্জ করে দিলে নিচ্ছে ৫০ টাকা করে। পল্লিবিদ্যুত অফিসের ইনচার্জ  ইসলাম হাওলাদার জানান, ঘুর্নি ঝড় রিমালে উপজেলায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গাছ পরে বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে গেছে। এছাড়াও এই উপজেলায় গাছ ভেঙে পড়ে বিদ্যুতের লাইনের অনেক ক্ষতি হয়েছে। আমরা সর্বোচ্চজন বল নিয়ে চেষ্টা করছি আশাকরা যায ৩০ মে সন্ধ্যায় উপজেলা সদর সহ কযেকটি গ্রামের বিদ্যুত সচল হবে।