ইরশাদ হয়েছে, ‘বলুন! আমি তোমাদের কাছে এর জন্য কোনো প্রতিদান চাই না। তবে যার ইচ্ছে সে তার প্রতিপালকের পথ অবলম্বন করুক।’ (সুরা : ফোরকান, আয়াত : ৫৭) চিরঞ্জীব আল্লাহর ওপর
ইসলাম চিরসুন্দর ধর্ম। ভালোবাসার ধর্ম। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ইসলামের বিকল্প নেই। মানবজীবনের প্রতিটি বিষয়ে ইসলামের দিকনির্দেশনা রয়েছে। যদি কেউ এই নির্দেশনা অনুযায়ী জীবন গঠন করে, তাহলে ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু
মহান আল্লাহ সাগরে পানি জমা রেখেছেন। আর সেই সাগরের পানিকে লবণাক্ত বানিয়েছেন। এজন্য যে যদি এ পানি মিষ্টি বানাতেন, তাহলে কিছুদিন পর এই পানি দুর্গন্ধযুক্ত হয়ে নষ্ট হয়ে যেত। প্রতিদিন
মানুষের স্বভাব হলো, তারা কোনো স্বপ্ন দেখলে প্রিয়জনের কাছে তা বলে বেড়ায়। আবার অনেকে অন্যান্যের খুশি করার জন্য বানিয়ে বানিয়ে স্বপ্ন বর্ণনা করে। অথচ রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘সবচেয়ে বড় মিথ্যা
ইসলাম-পূর্ব জাহেলি যুগেও আরব সমাজেও কারাগারের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। তাই হিরার শাসকরা মুনাজিরাদের সময় ইরাকে বেশ কয়েকটি কারাগার তৈরি করে। ইসলাম আগমনের পর কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে অপরাধের শাস্তির বিধান
সমাজের সম্মানিত মানুষদের মধ্যে শিক্ষকরা অন্যতম। কেননা শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। এই মেরুদণ্ড দণ্ডায়মান রাখার কাজটি শিক্ষকরাই করে থাকেন। তাঁরা আমাদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করেন। আমাদের জীবন আলোকিত করেন। তাঁদের একেক ফোঁটা
কাব বিন মালিক (রা.) নিজের সম্পর্কে বর্ণনা করেন, তাবুক যুদ্ধে অংশগ্রহণ না করার পর আল্লাহ যখন তাঁকে ক্ষমা করেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) ফজরের নামাজের সময় আমাদের ক্ষমা লাভের ঘোষণা দেন। তখন