Dhaka ১০:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পেশাদারত্ব ও নিরপেক্ষতা হলো নির্বাচন কমিশনের বটম লাইন: সিইসি

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৪২:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৩৬ Time View

পেশাদারত্ব ও নিরপেক্ষতাকে নির্বাচন কমিশনের বটম লাইন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, শিক্ষা বা প্রশিক্ষণ কখনও নৈতিকতার বিকল্প হতে পারে না। শুক্রবার নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী কোর প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান তিনি এসব কথা বলেন। প্রশিক্ষণার্থীদের সতর্ক করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, যোগাযোগ ভেঙে পড়া মানেই সবকিছু ভেঙে পড়া। মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালনের সময় বার্তা যেন সঠিকভাবে পৌঁছায়, সেদিকে মনোযোগী হতে হবে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে যে অর্থ ব্যয় করা হয়, সেটিকে ব্যয় নয় বরং বিনিয়োগ হিসেবে দেখা উচিত। আপনি যখন স্বাস্থ্য বা শিক্ষায় টাকা খরচ করেন, আসলে সেটি বিনিয়োগ। একইভাবে প্রশিক্ষণে ব্যয়ও একটি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ। যোগাযোগ ভেঙে পড়ার ঝুঁকি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া এক প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। সেখানে এক ছোট বার্তা কয়েক ধাপ পেরিয়ে পৌঁছাতে গিয়ে বিকৃত হয়ে যায়। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনেও একই ঝুঁকি থাকে। তাই মনোযোগ দিয়ে শুনতে হবে এবং সঠিকভাবে নোট নিতে হবে। পেছনের সারিতে বসা প্রশিক্ষণার্থীরা প্রায়ই ঝিমায়। এতে যোগাযোগ ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই সতর্ক থাকতে হবে। সিইসি বলেন, নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ তো আছেই, এর পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়াজনিত নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য মোকাবিলায় নির্বাচন কমিশন আলাদা সেল গঠন করবে। এ সময় প্রশিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আইন-কানুন শেখানোর পাশাপাশি ভুয়া তথ্য প্রতিরোধের দায়িত্বও নিতে হবে এবং এ বার্তা প্রত্যন্ত অঞ্চলেও পৌঁছে দিতে হবে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

পেশাদারত্ব ও নিরপেক্ষতা হলো নির্বাচন কমিশনের বটম লাইন: সিইসি

Update Time : ১২:৪২:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

পেশাদারত্ব ও নিরপেক্ষতাকে নির্বাচন কমিশনের বটম লাইন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, শিক্ষা বা প্রশিক্ষণ কখনও নৈতিকতার বিকল্প হতে পারে না। শুক্রবার নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী কোর প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান তিনি এসব কথা বলেন। প্রশিক্ষণার্থীদের সতর্ক করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, যোগাযোগ ভেঙে পড়া মানেই সবকিছু ভেঙে পড়া। মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালনের সময় বার্তা যেন সঠিকভাবে পৌঁছায়, সেদিকে মনোযোগী হতে হবে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে যে অর্থ ব্যয় করা হয়, সেটিকে ব্যয় নয় বরং বিনিয়োগ হিসেবে দেখা উচিত। আপনি যখন স্বাস্থ্য বা শিক্ষায় টাকা খরচ করেন, আসলে সেটি বিনিয়োগ। একইভাবে প্রশিক্ষণে ব্যয়ও একটি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ। যোগাযোগ ভেঙে পড়ার ঝুঁকি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া এক প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। সেখানে এক ছোট বার্তা কয়েক ধাপ পেরিয়ে পৌঁছাতে গিয়ে বিকৃত হয়ে যায়। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনেও একই ঝুঁকি থাকে। তাই মনোযোগ দিয়ে শুনতে হবে এবং সঠিকভাবে নোট নিতে হবে। পেছনের সারিতে বসা প্রশিক্ষণার্থীরা প্রায়ই ঝিমায়। এতে যোগাযোগ ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই সতর্ক থাকতে হবে। সিইসি বলেন, নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ তো আছেই, এর পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়াজনিত নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য মোকাবিলায় নির্বাচন কমিশন আলাদা সেল গঠন করবে। এ সময় প্রশিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আইন-কানুন শেখানোর পাশাপাশি ভুয়া তথ্য প্রতিরোধের দায়িত্বও নিতে হবে এবং এ বার্তা প্রত্যন্ত অঞ্চলেও পৌঁছে দিতে হবে।