মোরেলগঞ্জ প্রতিনিধি: বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসের নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রকল্প বরাদ্দের অনিয়ম, প্রান্তিক কৃষকদের নায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। অনেক ক্ষেত্রে কৃষি প্রদর্শনী ও প্রণোদনার সুবিধা প্রকৃত কৃষকের পরিবর্তে অযোগ্য ব্যক্তিদের কাছে পৌঁছানোর অভিযোগও পাওয়া গেছে কৃষি অফিসের বিরুদ্ধে। এ অব্যবস্থাপনার কারণে কৃষকরা সরকারি প্রনোদনার সঠিক সুফল পাওয়া অনেকটা ব্যাহত হচ্ছে।
বছরে রবি, আউশ ও আমনের, মুগডাল প্রদর্শনী’, ‘পতিত জমি ও বাড়ির আঙিনায় সবজি ও পুষ্টি বাগানের নামে উপজেলার ১৬ টি ইউনিয়নে ও ১ টি পৌরসভায় এ রকম অর্ধশতাধিক প্রদর্শনীর কার্যক্রমে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার বড় বা মাঝারি কৃষকরা অনেক ক্ষেত্রে প্রণোদনা পেলেও প্রান্তিক ও ভূমিহীনরা তালিকা থেকে বাদ পড়ছেন ।
উপজেলার বেশিরভাগ কৃষকই জানেন না, তাঁদের জন্য সরকার কি পরিমাণ বরাদ্দ দিচ্ছে এবং কৃষকরা পাচ্ছেন কতটুকু। তাঁরা বলছেন, আমরা তো এত কিছু জানিও না, আর বুঝিও না। কৃষি অফিসে কিছু জানতে চাইলে পরে আর কিছুই দেওয়া হয় না।
প্রকল্প প্রদর্শনীর জন্য সরকারের দেয়া গাড়িটা দীর্ঘ ৬ মাস ধরে নস্ট থাকার কারনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসের গ্যারেজে পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, সরকার অনুমোদিত ১৭ জন বিসিআইসি সার ডিলারদের কাছ থেকে অর্থ আদায়, নানা দিবস ও অনুষ্ঠানাদি পালনের অজুহাতে টাকা আদায়ের।কৃষকদের মাঠদিবস পালন অনুষ্ঠানে সরকারি বরাদ্দের ক্ষেত্রেও অনিয়ম রয়েছে।
কৃষি প্রশিক্ষণের নামেও ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। উপজেলায় তালিকাভুক্ত প্রান্তিক কৃষকের সংখ্যা ৪৫ হাজারের বেশি। যদিও সবাই এসব প্রশিক্ষণ পান না। অনেক প্রশিক্ষণই কেবল কাগজে-কলমে অনুষ্ঠিত হয়েছে, তাতে প্রায় ২০ হাজারের বেশি কৃষক রয়েছেন। একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হলে উপ-সহকারীদের সঙ্গে সমন্বয় করার কথা, কিন্তু মোরেলগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মরত অনেকের মধ্যে রয়েছে সমন্বয়হীনতার অভাব।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রান্তিক তালিকাভুক্ত কৃষকরা জানান, সরকারি প্রনোদনার সূর্যমূখীর বীজ পরিমান মত পেয়েছি। কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক সময় পতিত জমিতে বীজ ফেলানোর কারনে আমরা এর সুফল পেয়েছি। এবারের সূর্যমুখী ফলনে লাভবান হবে বলে আশাবাদী।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রান্তিক কৃষকদের জন্য সরকারের েেদয়া প্রনোদনা উপ-সহকারীদের সহযোগিতায় সঠিক ভাবে বিতরণ করা হয়েছে,কৃষি অফিসে কৃষকদের কোনভাবে তাদের নায্যপ্রাপ্যতা থেকে বঞ্চিত করা হয় না।
বছরে রবি, আউশ ও আমনের, মুগডাল প্রদর্শনী’, ‘পতিত জমি ও বাড়ির আঙিনায় সবজি ও পুষ্টি বাগানের নামে উপজেলার ১৬ টি ইউনিয়নে ও ১ টি পৌরসভায় এ রকম অর্ধশতাধিক প্রদর্শনীর কার্যক্রমে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার বড় বা মাঝারি কৃষকরা অনেক ক্ষেত্রে প্রণোদনা পেলেও প্রান্তিক ও ভূমিহীনরা তালিকা থেকে বাদ পড়ছেন ।
উপজেলার বেশিরভাগ কৃষকই জানেন না, তাঁদের জন্য সরকার কি পরিমাণ বরাদ্দ দিচ্ছে এবং কৃষকরা পাচ্ছেন কতটুকু। তাঁরা বলছেন, আমরা তো এত কিছু জানিও না, আর বুঝিও না। কৃষি অফিসে কিছু জানতে চাইলে পরে আর কিছুই দেওয়া হয় না।
প্রকল্প প্রদর্শনীর জন্য সরকারের দেয়া গাড়িটা দীর্ঘ ৬ মাস ধরে নস্ট থাকার কারনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসের গ্যারেজে পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, সরকার অনুমোদিত ১৭ জন বিসিআইসি সার ডিলারদের কাছ থেকে অর্থ আদায়, নানা দিবস ও অনুষ্ঠানাদি পালনের অজুহাতে টাকা আদায়ের।কৃষকদের মাঠদিবস পালন অনুষ্ঠানে সরকারি বরাদ্দের ক্ষেত্রেও অনিয়ম রয়েছে।
কৃষি প্রশিক্ষণের নামেও ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। উপজেলায় তালিকাভুক্ত প্রান্তিক কৃষকের সংখ্যা ৪৫ হাজারের বেশি। যদিও সবাই এসব প্রশিক্ষণ পান না। অনেক প্রশিক্ষণই কেবল কাগজে-কলমে অনুষ্ঠিত হয়েছে, তাতে প্রায় ২০ হাজারের বেশি কৃষক রয়েছেন। একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হলে উপ-সহকারীদের সঙ্গে সমন্বয় করার কথা, কিন্তু মোরেলগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মরত অনেকের মধ্যে রয়েছে সমন্বয়হীনতার অভাব।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রান্তিক তালিকাভুক্ত কৃষকরা জানান, সরকারি প্রনোদনার সূর্যমূখীর বীজ পরিমান মত পেয়েছি। কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক সময় পতিত জমিতে বীজ ফেলানোর কারনে আমরা এর সুফল পেয়েছি। এবারের সূর্যমুখী ফলনে লাভবান হবে বলে আশাবাদী।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রান্তিক কৃষকদের জন্য সরকারের েেদয়া প্রনোদনা উপ-সহকারীদের সহযোগিতায় সঠিক ভাবে বিতরণ করা হয়েছে,কৃষি অফিসে কৃষকদের কোনভাবে তাদের নায্যপ্রাপ্যতা থেকে বঞ্চিত করা হয় না।
এ সর্ম্পকে মোরেলগঞ্জ উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাবিবুল্লাহ বলেছেন, কৃষি অফিসের কৃষকদের সেবার মান এবং সরকারি কৃষি প্রনোদনা বিতরণ নিয়ে অভিযোগ শুনছি। যথাযথ কতৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। সত্যতা প্রমানিত হলে বিধিমোতাবেক তদন্ত পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ ব্যাপারে বাগেরহাট জেলা কৃষি অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোতাহার হোসেন বলেন, কৃষকদের অভিযোগ ও কৃষি অফিসের নানা অনিয়মের কথা শুনে আমি মোরেলগঞ্জ কৃষি অফিস পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। কৃষকদের প্রনোদনার বিতরণের অনিয়ম খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদি কৃষি কর্মকর্তার অনিয়ম পাওয়া যায় তদন্ত করে পরবর্তী ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।
Reporter Name 
























