রাজধানীতে উৎসবমুখর পরিবেশে বৈশাখী শোভাযাত্রা সমাপ্ত হয়েছে। শোভাযাত্রাটি আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায় এসে শেষ হয়। এতে কয়েক হাজার মানুষ অংশ নিতে দেখা গেছে।
বরাবরের মতো এবারও শোভাযাত্রায় বিশ্ব ও দেশীয় ইস্যুর প্রতিফলন দেখা গেছে।
চারুকলা-টিএসসি ঘুরে দেখা গেছে, শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাকার্ড ও প্রতীকী শিল্পকর্ম। এসব প্ল্যাকার্ডে উঠে আসে পরিবেশ, আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও সামাজিক বিভিন্ন ইস্যু। ‘বাঁচাও সুন্দরবন’, ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’, ‘ইরানে মার্কিন যুদ্ধ বন্ধ করো’, ‘গণহত্যাকারীদের রাজনীতি প্রত্যাখ্যান করো’, ‘ফসলের লাভজনক মূল্য দাও’, ‘শিক্ষা বাণিজ্য বন্ধ কর’, ‘মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করো’-এমন নানা স্লোগান দেখা গেছে। এরমধ্যে ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ লেখা প্ল্যাকার্ড নজর কেড়েছে সবার।
এছাড়া শোভাযাত্রার পুরোটা সময় জুড়ে ছিল ঢোল, বাঁশি ও বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের সুর। ঐতিহ্যবাহী এই আয়োজন সঙ্গীত ও রঙের মেলবন্ধনে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।নববর্ষ উপলক্ষ্যে চারুকলা অনুষদে সাংস্কৃতিক আয়োজনও রাখা হয়েছে।
চৈত্র সংক্রান্তির দিন বিকেল ৪টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বকুলতলায় লোকসংগীত, নৃত্যসহ বিভিন্ন পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া ১৫ ও ১৬ এপ্রিল ‘বাগদত্তা’ ও ‘দেবী সুলতানা’ শীর্ষক যাত্রাপালা মঞ্চস্থ হওয়ার কথা রয়েছে।
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে বরণ করে নেয়ার প্রভাতি এ অনুষ্ঠানের এবারের মূল ভাবনা ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য,উচ্চ যেথা শির’। অনুষ্ঠান সাজানো হয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, লালন সাঁই, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, অজয় ভট্টাচার্য, আবদুল লতিফ, জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্রের গান দিয়ে।
এছাড়া রাজধানীর ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে পহেলা বৈশাখের প্রথম প্রহরে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয় গানে গানে।
Reporter Name 



















