সর্বশেষ :
যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কাবুল ক্লিনিকে হামলায় ‘বিপুল সংখ্যক নিহত’ নাইজেরিয়ায় আত্মঘাতী হামলায় নিহত ২৩, আহত শতাধিক বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন ও রকেট হামলা, পৃথক হামলায় নিহত ৪ তদন্ত কমিটি গঠন করা নিয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এবার নিরাপত্তা প্রধান লারিজানি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা ইরানের লোহিত সাগর পর্যন্ত যুদ্ধ বিস্তৃত করা হবে—হুঁশিয়ারি ইরানের শের-ই-বাংলা মেডিকেলে আগুন, অবহেলায় দুই রোগী মৃত্যুর অভিযোগ সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, আহত ময়মনসিংহের যুবকের মৃত্যু বগুড়ায় মাইক্রোবাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, চালকসহ গেল ৩ প্রাণ
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৬:১৯ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

এবার নিরাপত্তা প্রধান লারিজানি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা ইরানের

প্রতিনিধি: / ৩৭ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক হামলায় ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পর্ষদের প্রধান আলী লারিজানি নিহত হওয়ার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে কঠোর এবং চূড়ান্ত প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। 

ইরানের সেনাপ্রধান আমির হাতামি এক বিশেষ বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে লারিজানিকে হত্যার এই পদক্ষেপের বিপরীতে ইরানের প্রতিক্রিয়া হবে অত্যন্ত শক্তিশালী এবং হামলাকারীদের জন্য তা হবে বড় ধরনের অনুশোচনার কারণ।

বিবৃতিতে সেনাপ্রধান আমির হাতামি আরও উল্লেখ করেন যে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারিকে হারানোর ক্ষতি অপূরণীয় হলেও ইরান এর জবাব দিতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবে না। তিনি লারিজানিকে একজন বীর হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন যে এই ধরনের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের পরিণাম হবে ভয়াবহ। তেহরানের পক্ষ থেকে আসা এই কড়া বার্তার পর থেকেই ওই অঞ্চলে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

এদিকে ইরানের শক্তিশালী সামরিক শাখা রেভল্যুশনারি গার্ডস আজ বুধবার এক জরুরি ঘোষণা দিয়েছে। তারা জানিয়েছে যে শহীদ আলী লারিজানি ও তাঁর সঙ্গীদের হত্যার সরাসরি প্রতিশোধ নিতে তারা ইতোমধ্যে মধ্য ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। বাহিনীটির দাবি অনুযায়ী এই হামলাটি ছিল লারিজানি হত্যার বিপরীতে তাদের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ার একটি অংশ।

দ্য গার্ডিয়ানের বরাত দিয়ে জানা গেছে যে আলী লারিজানি ইরানের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তার মৃত্যু এবং পরবর্তী এই পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ইরান ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যকার দীর্ঘদিনের বিরোধকে এক নতুন ও বিপজ্জনক মোড়ে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। উদ্ভূত এই পরিস্থিতিতে বিশ্ব সম্প্রদায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে উভয় পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানালেও তেহরানের সামরিক অবস্থান এখন পর্যন্ত বেশ অনমনীয় দেখা যাচ্ছে।


এই বিভাগের আরো খবর