এইডেন মার্করামের ঝড়ো ফিফটি এবং লুঙ্গি এনগিডির চমৎকার বোলিংয়ে কানাডার বিপক্ষে প্রথম দেখায় কোনো ধরনের বাধার মুখে পড়েনি দক্ষিণ আফ্রিকা। গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারতের কাছে হেরে শিরোপার স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ার পর নতুন আসরে উড়ন্ত সূচনা হলো তাদের। প্রোটিয়ারা এই আসরের সর্বোচ্চ রান করার পর কানাডাকে ৫৭ রানে হারিয়েছে। ‘ডি’ গ্রুপের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা মার্করামের ২৮ বলে ফিফটিতে ৪ উইকেটে ২১৩ রান করে। তারপর এনগিডির বোলিংয়ে কানাডাকে ১৫৬ রানে আটকে দেয় তারা। সপ্তম ওভারে প্রথম উইকেট হারানোর আগে দক্ষিণ আফ্রিকা ৭০ রান করে। কুইন্টন ডি কক ২৫ রানে বিদায় নেন। তারপর মার্করাম ও রায়ান রিকেলটন ২৯ বলে ৫৬ রানের জুটি গড়ে কানাডার ওপর দাপট দেখান। মার্করাম ৩২ বলে ১০ চার ও ১ ছয়ে ৫৯ রানে আউট হলে এই জুটি ভাঙে। তারপর ছোট ধস। মার্করামকে ফেরানোর পর আনশ প্যাটেল তার পরের ওভারে জোড়া আঘাত করেন। ১ উইকেটে ১২৬ রান করা দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ১৩৮ রান। রিকেলটন ৩৩ ও ডেভাল্ড ব্রেভিস ৬ রানে তার শিকার হন। দক্ষিণ আফ্রিকাকে দুইশ পার করতে ডেভিড মিলার ও ট্রিস্টান স্টাবস আগ্রাসী ব্যাটিং করেন। ৬.৩ ওভারে ৭৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন তারা দুজন। ২৩ বলে ৩৯ রানে মিলার ও ১৯ বলে ৩৪ রানে স্টাবস অপরাজিত ছিলেন। দুজনে মিলে শেষ ৩ ওভারে ৪৭ রান তোলেন। আনশ ৪ ওভারে ৩১ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। কানাডা লক্ষ্যে নেমে ৪৫ রানে চার উইকেট হারায়, নিজের প্রথম দুই ওভারেই এর মধ্যে তিন উইকেট পান এনগিডি। নভনীত ঢালিওয়াল ও হার্শ ঠাকের কানাডাকে লড়াইয়ে ফেরান। দুজনে মিলে ৬৯ রানের জুটি গড়েন তারা। ঠাকের ২৯ বলে ৩৩ রানে এনগিডির শিকার হলে এই জুটি ভাঙে। এই ধাক্কা সামাল দিতে পারেনি কানাডা। দক্ষিণ আফ্রিকা জয় ছিল সময়ের ব্যাপার। ১৮তম ওভারে জোড়া আঘাত হানেন মার্কো জানসেন। কানাডা ইনিংস শেষ করে ৮ উইকেটে ১৫৬ রানে। ৪৯ বলে ৭ চার ও ১ ছয়ে ম্যাচের সর্বোচ্চ ৬৪ রান করেন ঢালিওয়াল। এনগিডি ৪ ওভারে ৩১ রান দিয়ে চার উইকেট নেন। ম্যাচসেরা হয়েছেন এই পেসার। দুটি উইকেট পান জানসেন।