সবচেয়ে কম বয়সী ক্রিকেটার আর প্রথম আফগান হিসেবে বিপিএলে সেঞ্চুরি, মোহাম্মদ নবীর ছেলে হাসান ইসাখিলের এমন রঙিন দিনেও শেষমেশ জয় পাওয়া হলো না নোয়াখালী এঙ্প্রেসের। হার দিয়েই শেষ হলো তাদের বিপিএল ক্যাম্পেইন। কারণ রংপুর রাইডার্স যে নিয়েছে মধুর প্রতিশোধ। আগের দফা নোয়াখালীর কাছে হেরে গেলেও এবার তাওহীদ হৃদয়ের সেঞ্চুরিতে চেপে রংপুর পেয়েছে দারুণ জয়। আগের দেখায় রংপুরকে হারানো নোয়াখালী টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু করেছিল ধীর গতিতে। পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে দলীয় ৩২ রানে সাজঘরে ফেরেন রহমত আলী। দলীয় ৩৬ রানে সাজঘরে ফেরেন ব্যর্থতার বৃত্তে বন্দী জাকের আলী অনিকও। এরপর দক্ষ হাতে চাপ সামাল দেন হাসান ইসাখিল ও অধিনায়ক হায়দার আলী। ইসাখিল শুরুতে দেখেশুনে খেললেও থিতু হওয়ার পর চড়াও হন বোলারদের ওপর। হায়দারও উইকেট অনুযায়ী রানের চাকা সচল রাখেন। ৪টি চার ও ১০টি ছক্কায় ৭০ বলে সেঞ্চুরির ম্যাজিকেল ফিগারে পৌঁছে যান ইসাখিল। প্রথম আফগান হিসেবে বিপিএলে সেঞ্চুরি হাঁকান মোহাম্মদ নবীর ছেলে, যিনি অভিষেক ম্যাচে অল্পের জন্য পাননি সেঞ্চুরির দেখা। সেঞ্চুরিতে বড় কৃতিত্ব ছিল হায়দারের, যিনি যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন ইসাখিলকে। দুজনে গড়েন ১৩৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি। শেষপর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়েই ১৭৩ রান জড়ো করে নোয়াখালী। ৭২ বলে ১০৭ রান করে অপরাজিত থাকেন ইসাখিল। ৩২ বলে ৪২ রান করে অপরাজিত থাকেন হায়দার। রংপুরের পক্ষে একটি করে উইকেট পান নাহিদ রানা ও আলিস আল ইসলাম। জবাব দিতে নেমে রংপুরকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন ডেভিড মালান ও তাওহীদ হৃদয়। দুজনের ৭৮ রানের জুটি ভাঙে মালান ১৭ বলে ১৫ রান করে বিদায় নিলে। তবে হৃদয় এদিন ছিলেন দুর্দান্ত ছন্দে। ৫৭ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর সিজদায় জানান কৃতজ্ঞতা। ৬৩ বলে ১০৯ রান করার পথে ১৫টি চার ও ২টি ছক্কা হাঁকান হৃদয়। ১৯তম ওভারে সাজঘরে ফিরলেও তার ব্যাটে ভর করেই রংপুর পেয়ে যায় আসরে নিজেদের ষষ্ঠ জয়। লিটন খুশদিক শাহকে নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন ৮ উইকেট ও ২ বল হাতে রেখে। ৩৫ বলে ৩৯ রান করে অপরাজিত থাকেন রংপুর ক্যাপ্টেন।