ঢাকা ১১:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৫, এলাকা ছাড়ছে হাজারো মানুষ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২১:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫ ৮৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিদেশ : থাইল্যান্ড তার প্রতিবেশী কম্বোডিয়ায় বিমান হামলা শুরু করার পর গতকাল সোমবার সীমান্ত সংঘর্ষে কম্বোডিয়ার চার বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। কম্বোডিয়ার তথ্যমন্ত্রী এই খবর নিশ্চিত করেছেন। তথ্যমন্ত্রী নেথ ফিয়াকত্রা বলেন, ‘থাইল্যান্ডের হামলায় কম্বোডিয়ার অন্তত চারজন নাগরিক নিহত হয়েছে।’তিনি আরো বলেন, ওদ্দার মিআনচে ও প্রেয়াহ বিহার সীমান্ত প্রদেশে এ হামলা চালানো হয়। এতে আরো ১০ বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছে। থাই সামরিক বাহিনীর একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, বিরোধপূর্ণ সীমান্তে গোলাগুলির সময় একজন থাই সেনা নিহত হওয়ার পর দেশটির বিমানবাহিনী কম্বোডিয়ার সামরিক অবস্থানগুলোতে বোমা হামলা চালিয়েছে। উভয় দেশই সহিংসতার একে অপরকে দায়ী করেছে। জুলাইয়ে যুদ্ধবিরতির পর এটিই দুই দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় ধরনের সংঘর্ষ। মধ্যস্থতার মাধ্যমে ওই সমঝোতা চুক্তি করতে সাহায্যকারী মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম সতর্ক করে বলেছেন, নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হলে ‘দশক ধরে দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ক স্থিতিশীল রাখার জন্য নেওয়া সূক্ষ্ণ কৌশল ভেঙে পড়তে পারে। সংঘর্ষ বাড়ার পর সীমান্ত এলাকার হাজার হাজার বেসামরিক মানুষ স্থান ত্যাগ করছে। সূত্র : এএফপি, বিবিসি

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৫, এলাকা ছাড়ছে হাজারো মানুষ

আপডেট সময় : ১২:২১:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

বিদেশ : থাইল্যান্ড তার প্রতিবেশী কম্বোডিয়ায় বিমান হামলা শুরু করার পর গতকাল সোমবার সীমান্ত সংঘর্ষে কম্বোডিয়ার চার বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। কম্বোডিয়ার তথ্যমন্ত্রী এই খবর নিশ্চিত করেছেন। তথ্যমন্ত্রী নেথ ফিয়াকত্রা বলেন, ‘থাইল্যান্ডের হামলায় কম্বোডিয়ার অন্তত চারজন নাগরিক নিহত হয়েছে।’তিনি আরো বলেন, ওদ্দার মিআনচে ও প্রেয়াহ বিহার সীমান্ত প্রদেশে এ হামলা চালানো হয়। এতে আরো ১০ বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছে। থাই সামরিক বাহিনীর একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, বিরোধপূর্ণ সীমান্তে গোলাগুলির সময় একজন থাই সেনা নিহত হওয়ার পর দেশটির বিমানবাহিনী কম্বোডিয়ার সামরিক অবস্থানগুলোতে বোমা হামলা চালিয়েছে। উভয় দেশই সহিংসতার একে অপরকে দায়ী করেছে। জুলাইয়ে যুদ্ধবিরতির পর এটিই দুই দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় ধরনের সংঘর্ষ। মধ্যস্থতার মাধ্যমে ওই সমঝোতা চুক্তি করতে সাহায্যকারী মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম সতর্ক করে বলেছেন, নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হলে ‘দশক ধরে দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ক স্থিতিশীল রাখার জন্য নেওয়া সূক্ষ্ণ কৌশল ভেঙে পড়তে পারে। সংঘর্ষ বাড়ার পর সীমান্ত এলাকার হাজার হাজার বেসামরিক মানুষ স্থান ত্যাগ করছে। সূত্র : এএফপি, বিবিসি