সর্বশেষ :
নবম পে-স্কেলের গেজেট জারির দাবিতে পাইকগাছায় সরকারি কর্মকর্তাদের অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত  পাইকগাছায় তীব্র শীত উপেক্ষা করে বোরো ধানের চারা রোপনে ব্যস্ত চাষিরা ন্যায় ভিত্তিক সমাজ ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে জামাত ইসলামের  বিকল্প নেই – শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ কঙ্গোতে খনি ধসে নিহত দুই শতাধিক, আটকে আছেন আরও অনেকে পাকিস্তানে একযোগে ১২ স্থানে হামলা, নিহত অন্তত ৫৮ পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর ১৫ সদস্যসহ নিহত ১২৫ লুটের অস্ত্র উদ্ধার না হলেও নির্বাচন বাধাগ্রস্ত হবে না, দাবি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার এনবিআর আমদানি তথ্য উন্মুক্ত করল সঞ্চয়পত্রে পাঁচ লাখ পর্যন্ত মুনাফায় উৎসে কর ৫ শতাংশই ঢাকা-১১: নাহিদের রিট খারিজ, বিএনপির এম এ কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

দুই দিনে দুই নক্ষত্রের পতন, ‘একটা চাদর হবে’ জুটিকে হারাল সংগীতাঙ্গন

প্রতিনিধি: / ৭২ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫

বিনোদন: দেশের সংগীতাঙ্গন যেন শোকে ঢেকে গেছে। মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে না ফেরার দেশে চলে গেলেন জনপ্রিয় গায়ক জেনস সুমন এবং নন্দিত গিটারিস্ট সেলিম হায়দার। দুজনই ছিলেন একই অ্যালবামের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, সেই বিখ্যাত ‘একটা চাদর হবে’। তাই তাঁদের চলে যাওয়া সংগীতজগতকে আরও বেদনাহত করেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে ক্যানসারের সাথে লড়ে মারা যান গিটারিস্ট সেলিম হায়দার। পরদিন গত শুক্রবার বিকেলে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন গায়ক জেনস সুমন। সংগীতপ্রেমীদের কাছে এই দুই শিল্পীর নাম যেন একসূত্রে গাঁথা ছিল। কারণ ২০০২ সালে প্রকাশিত ইথুন বাবুর কথা, সুর ও সংগীতে তৈরি অ্যালবাম ‘একটা চাদর হবে’-তে সুমনের কণ্ঠ আর সেলিম হায়দারের গিটারে প্রাণ পেয়েছিল পুরো কাজটি। অ্যালবামের টাইটেল ট্র্যাক বিটিভিতে প্রচারিত হওয়ার পরই সারা দেশে আলোচনায় চলে আসেন জেনস সুমন। তাঁর আসল নাম ছিল গালিব আহসান মেহেদি। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি গেয়েছেন প্রায় ৩০০ গান। ‘আশীর্বাদ’, ‘আকাশ কেঁদেছে’, ‘আশাবাদী’, ‘অতিথি’, ‘চেরী’, ‘আয় তোরা আয়’সহ একের পর এক অ্যালবামে শ্রোতাদের মন জয় করেন তিনি। ২০০৮ সালে প্রকাশিত ‘মন চলো রূপের নগরে’ ছিল তাঁর শেষ অ্যালবাম। দীর্ঘ বিরতির পর গত বছর থেকে আবারও নিয়মিত গান প্রকাশ করছিলেন তিনি। তাঁর সর্বশেষ গান ছিল ‘আমি চাইব না’। শুক্রবার দুপুরে হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করলে সুমনকে নেওয়া হয় রাজধানীর জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে। চিকিৎসকেরা আর ফিরিয়ে আনতে পারেননি তাঁকে। ঠিক একই দিনে আজিমপুরে সেলিম হায়দারের দাফন সম্পন্ন হওয়ার কিছু পরই আসে সুমনের মৃত্যুসংবাদ। খবরটি শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন গীতিকবি ও সুরকার ইথুন বাবু। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, “একটা চাদর হবে বাংলা অডিও ইন্ডাস্ট্রিতে একটি ইতিহাস। সেলিম হায়দারের দাফন শেষে সুমনের মৃত্যুর খবর পেলাম। ভেতরে কী অনুভব করছি, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। একসঙ্গে দুজন কাছের মানুষকে হারানোর ব্যথা সহ্য করা কঠিন। ”জেনস সুমনকে শনিবার, ২৯ নভেম্বর উত্তরার ১২ সেক্টরে প্রথম জানাজা শেষে ৪ নম্বর সেক্টরের কবরস্থানে দাফন করা হয়। ভক্ত, সহকর্মী, সংগীতশিল্পী-সবার চোখেই ছিল গভীর শোক। দুই দিনের ব্যবধানে দুজন মহৎ শিল্পীকে হারিয়ে দেশের সংগীতাঙ্গন যেন এক অপূরণীয় শূন্যতার মুখে পড়েছে। তাঁদের সৃষ্টি, কণ্ঠ আর সুরের রেশ বাংলা গানকে সমৃদ্ধ করেছে, আর তেমনই গভীর দাগ রেখে গেছে শ্রোতার হৃদয়ে।


এই বিভাগের আরো খবর