Dhaka ০৭:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোমাঞ্চকর ম্যাচে জয় পেলো নিউজিল্যান্ড

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৩৩:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
  • ৭৭ Time View

খেলাধুলা:পাঁচ ম্যাচের মধ্যে তিনটি অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো। সবগুলোর শেষটা এতটাই রোমাঞ্চকর ছিল যে, তা রীতিমত ইতিহাস হয়ে থাকবে। প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে ৭ রানে হারিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দ্বিতীয় ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজে ৩ রানে এবং তৃতীয় ম্যাচে ৯ রানে হারালো নিউজিল্যান্ড। নাটকীয়তায় ভরপুর সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতেও শেষ হাসি হাসল নিউজিল্যান্ড। ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই ব্যাটার রোমারিও শেফার্ড ও শামার স্প্রিংগার নবম উইকেটে অবিশ্বাস্য এক জুটি গড়ে ম্যাচটিকে রোমাঞ্চকর পর্যায়ে নিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত ইশ সোধি ও জ্যাকব ডাফির দুর্দান্ত বোলিংয়ে ৯ রানে জয় তুলে নেয় কিউইরা। এর ফলে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে গেল নিউজিল্যান্ড। ১৭৮ রানের লক্ষ্যে তাড়া করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৮৮ রানে হারায় ৮ উইকেট-ম্যাচ তখন কার্যত শেষ। কিন্তু এরপরই মাঠে নামে দুই অপ্রত্যাশিত নায়ক: শেফার্ড ও স্প্রিংগার। দুজনের জুটি থেকে আসে মাত্র ৩৯ বলে ৭৮ রান। সোথির ঘূর্ণি ও ডাফির গতি সামলে তারা ছক্কা-চারে ম্যাচে ফেরান দলকে। শেষ দুই ওভারে দরকার ছিল ২৪ রান। ১৮তম ওভারে শেফার্ডের ১০৩ মিটার দীর্ঘ ছক্কা দারুণ উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয়; কিন্তু ১৯তম ওভারের শেষ বলে ডাফির দুর্দান্ত এক রিটার্ন ক্যাচে আউট হন স্প্রিংগার (২০ বলে ৩৯)। শেষ ওভারে ১২ রান লাগত; কিন্তু কাইল জেমিসন দ্বিতীয়বারের মতো শেষ ওভারে জয় এনে দেন নিউজিল্যান্ডকে- শেফার্ডকে আউট করে সব আশা শেষ করেন তিনি (২৯ বলে ৪৩)। জয়ের জন্য ১৭৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ইনিংসের শুরুতেই ধস নামে। জ্যাকব ডাফির প্রথম ওভারেই আউট আমির জানঙ্গু ও শাই হোপ। এরপর সোধি নেমেই আলিক আথানাজে (৩১), রোভম্যান পাওয়েল (২) ও ম্যাথ্যু ফোর্ডকে (৪) ফিরিয়ে দেন। অ্যাকিম অগাস্তে ২৪, শেষ মুহূর্তে রোমারিও শেফার্ড ৩৪ বলে ৪৯ এবং শামার স্প্রিংগার ২০ বলে ৩৯ রান নিয়ে উত্তেজনা ছড়ালেও ১৯.৫ ওভারে ১৬৮ রানে অলআউট হয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জ্যাকব ডাফি ও ইশ সোধি নেন ৩টি করে উইকেট। ১টি করে উইকেট নেন কাইল জেমিসন, মিচেল ব্রেসওয়েল ও মিচেল সান্তনার। এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ডেভন কনওয়ের ৩৪ বলে ৫৬ ও ড্যারিল মিচেলের ২৪ বলে ৪১ রানে ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৭৭ রান তোলে স্বাগতিকরা। তবে শেষ পাঁচ ওভারে মাত্র ৩৫ রান তুলতে সক্ষম কিউইরা, হারায় ৬ উইকেট। না হয় ইনিংসটা আরও বড় হতে পারতো। জেসন হোল্ডার ও ম্যাথিউ ফোর্ড নেন ২টি করে উইকেট।

Tag :
About Author Information

Md Shibbir Ahmed

রোমাঞ্চকর ম্যাচে জয় পেলো নিউজিল্যান্ড

Update Time : ০৪:৩৩:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

খেলাধুলা:পাঁচ ম্যাচের মধ্যে তিনটি অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো। সবগুলোর শেষটা এতটাই রোমাঞ্চকর ছিল যে, তা রীতিমত ইতিহাস হয়ে থাকবে। প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে ৭ রানে হারিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দ্বিতীয় ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজে ৩ রানে এবং তৃতীয় ম্যাচে ৯ রানে হারালো নিউজিল্যান্ড। নাটকীয়তায় ভরপুর সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতেও শেষ হাসি হাসল নিউজিল্যান্ড। ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই ব্যাটার রোমারিও শেফার্ড ও শামার স্প্রিংগার নবম উইকেটে অবিশ্বাস্য এক জুটি গড়ে ম্যাচটিকে রোমাঞ্চকর পর্যায়ে নিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত ইশ সোধি ও জ্যাকব ডাফির দুর্দান্ত বোলিংয়ে ৯ রানে জয় তুলে নেয় কিউইরা। এর ফলে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে গেল নিউজিল্যান্ড। ১৭৮ রানের লক্ষ্যে তাড়া করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৮৮ রানে হারায় ৮ উইকেট-ম্যাচ তখন কার্যত শেষ। কিন্তু এরপরই মাঠে নামে দুই অপ্রত্যাশিত নায়ক: শেফার্ড ও স্প্রিংগার। দুজনের জুটি থেকে আসে মাত্র ৩৯ বলে ৭৮ রান। সোথির ঘূর্ণি ও ডাফির গতি সামলে তারা ছক্কা-চারে ম্যাচে ফেরান দলকে। শেষ দুই ওভারে দরকার ছিল ২৪ রান। ১৮তম ওভারে শেফার্ডের ১০৩ মিটার দীর্ঘ ছক্কা দারুণ উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয়; কিন্তু ১৯তম ওভারের শেষ বলে ডাফির দুর্দান্ত এক রিটার্ন ক্যাচে আউট হন স্প্রিংগার (২০ বলে ৩৯)। শেষ ওভারে ১২ রান লাগত; কিন্তু কাইল জেমিসন দ্বিতীয়বারের মতো শেষ ওভারে জয় এনে দেন নিউজিল্যান্ডকে- শেফার্ডকে আউট করে সব আশা শেষ করেন তিনি (২৯ বলে ৪৩)। জয়ের জন্য ১৭৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ইনিংসের শুরুতেই ধস নামে। জ্যাকব ডাফির প্রথম ওভারেই আউট আমির জানঙ্গু ও শাই হোপ। এরপর সোধি নেমেই আলিক আথানাজে (৩১), রোভম্যান পাওয়েল (২) ও ম্যাথ্যু ফোর্ডকে (৪) ফিরিয়ে দেন। অ্যাকিম অগাস্তে ২৪, শেষ মুহূর্তে রোমারিও শেফার্ড ৩৪ বলে ৪৯ এবং শামার স্প্রিংগার ২০ বলে ৩৯ রান নিয়ে উত্তেজনা ছড়ালেও ১৯.৫ ওভারে ১৬৮ রানে অলআউট হয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জ্যাকব ডাফি ও ইশ সোধি নেন ৩টি করে উইকেট। ১টি করে উইকেট নেন কাইল জেমিসন, মিচেল ব্রেসওয়েল ও মিচেল সান্তনার। এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ডেভন কনওয়ের ৩৪ বলে ৫৬ ও ড্যারিল মিচেলের ২৪ বলে ৪১ রানে ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৭৭ রান তোলে স্বাগতিকরা। তবে শেষ পাঁচ ওভারে মাত্র ৩৫ রান তুলতে সক্ষম কিউইরা, হারায় ৬ উইকেট। না হয় ইনিংসটা আরও বড় হতে পারতো। জেসন হোল্ডার ও ম্যাথিউ ফোর্ড নেন ২টি করে উইকেট।