Dhaka ১১:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাগেরহাটে হাইকোর্ট আদেশ অমান্য করে স্থাপনা তৈরির প্রতিবাদে সাংবাদ সম্মেলন

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৯৮ Time View

বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ  বাগেরহাটে হাইকোর্ট স্থায়ী স্থিতি অবস্থার আদেশ অমান্য করে স্থাপনা তৈরি
প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে কাজী আবুল হোসেন।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে
লিখিত বক্তব্যে আবুল হোসেন বলেন, আমার পিতা মৃতঃ কাজী আব্দুস সামাদ
বাগেরহাট শহরের জেএল ১৫৬ নং সরুই মৌজায় সিএস ৭৯৭/২৯ খতিয়ানের এবং
এস খতিয়ানের ১৮৭৬, ১৮৭৭, ১২৪০, ২২৪১ দাগে চরভরাটী মোট ০.০২৭৫ (শূন্য
দশমিক শূন্য দুই সাত পাচ) একর জমি যাহা আমার পিতা ১৯৮৩ সাল থেকে
ডিসি আর মূলে ভোগ দখল করেন। পিতার মৃত্যুর পর আমরা ৩ভাই ২মাতা পিতার
ওয়ারেশ সূত্রে উক্ত জমিতে ভোগ দখলে থাকি। আমাদের প্রতিপক্ষ আব্দুস সালাম ও
খলিলুর রহমান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বাগেরহাটকে বিবাদী করে দেয়ঃ ১৯৫/৯২ নং
কোকদ্দমা করলে আমরা ঐ মামলায় বিবাদী শ্রেনীভুক্ত হই। বাদীপক্ষের বিপক্ষে ঐ মামলায়
১৯৯৩ সালে ডিক্রি হয়। পরবর্তীতে তারা যুগ্ম জেলা জজ আদালতে দেঃ আপীল
২৭৩/৯৫ দাখিল করেন। ঐ আপীল মোকদ্দমায় ও তারা পরাজীত হন। পরবর্তীতে তারা
মহামান্য হাইকোটে সিভিল রিভিশন ৭০৬/২০১৫ দায়ের করেন। ঐ মামলায় আমাদের
দরখাস্তের উপর শুনানী হলে ২৭/জানুয়ারী ২০২০ তারিখে মহামান্য আদালত স্থায়ী
স্থিতিশীল অবস্থার আদেশ দেন।
তিনি আরো বলেন, বর্তমানে খলিল ও মৃত আব্দুস সালাম স্ত্রী কিছু প্রভাবশালী
ব্যাক্তিদের নিয়ে হাইকোর্ট স্থায়ী স্থিতি অবস্থার আদেশ অমান্য করে স্থাপনা
তৈরি চেষ্টা চালাচ্ছে যা আইন বিরোধী এবং আদালত অবমাননাকর।
সংবাদ সম্মেলনে কাজী আবুল হোসেন ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্তদের
শহরের প্রান কেন্দ্র এ ধরনের আইনবিরোধী কাজ থেকে বিরত রাখার দাবি জানান।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

বাগেরহাটে হাইকোর্ট আদেশ অমান্য করে স্থাপনা তৈরির প্রতিবাদে সাংবাদ সম্মেলন

Update Time : ১০:০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ  বাগেরহাটে হাইকোর্ট স্থায়ী স্থিতি অবস্থার আদেশ অমান্য করে স্থাপনা তৈরি
প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে কাজী আবুল হোসেন।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে
লিখিত বক্তব্যে আবুল হোসেন বলেন, আমার পিতা মৃতঃ কাজী আব্দুস সামাদ
বাগেরহাট শহরের জেএল ১৫৬ নং সরুই মৌজায় সিএস ৭৯৭/২৯ খতিয়ানের এবং
এস খতিয়ানের ১৮৭৬, ১৮৭৭, ১২৪০, ২২৪১ দাগে চরভরাটী মোট ০.০২৭৫ (শূন্য
দশমিক শূন্য দুই সাত পাচ) একর জমি যাহা আমার পিতা ১৯৮৩ সাল থেকে
ডিসি আর মূলে ভোগ দখল করেন। পিতার মৃত্যুর পর আমরা ৩ভাই ২মাতা পিতার
ওয়ারেশ সূত্রে উক্ত জমিতে ভোগ দখলে থাকি। আমাদের প্রতিপক্ষ আব্দুস সালাম ও
খলিলুর রহমান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বাগেরহাটকে বিবাদী করে দেয়ঃ ১৯৫/৯২ নং
কোকদ্দমা করলে আমরা ঐ মামলায় বিবাদী শ্রেনীভুক্ত হই। বাদীপক্ষের বিপক্ষে ঐ মামলায়
১৯৯৩ সালে ডিক্রি হয়। পরবর্তীতে তারা যুগ্ম জেলা জজ আদালতে দেঃ আপীল
২৭৩/৯৫ দাখিল করেন। ঐ আপীল মোকদ্দমায় ও তারা পরাজীত হন। পরবর্তীতে তারা
মহামান্য হাইকোটে সিভিল রিভিশন ৭০৬/২০১৫ দায়ের করেন। ঐ মামলায় আমাদের
দরখাস্তের উপর শুনানী হলে ২৭/জানুয়ারী ২০২০ তারিখে মহামান্য আদালত স্থায়ী
স্থিতিশীল অবস্থার আদেশ দেন।
তিনি আরো বলেন, বর্তমানে খলিল ও মৃত আব্দুস সালাম স্ত্রী কিছু প্রভাবশালী
ব্যাক্তিদের নিয়ে হাইকোর্ট স্থায়ী স্থিতি অবস্থার আদেশ অমান্য করে স্থাপনা
তৈরি চেষ্টা চালাচ্ছে যা আইন বিরোধী এবং আদালত অবমাননাকর।
সংবাদ সম্মেলনে কাজী আবুল হোসেন ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্তদের
শহরের প্রান কেন্দ্র এ ধরনের আইনবিরোধী কাজ থেকে বিরত রাখার দাবি জানান।